নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে সকাল থেকে পদযাত্রা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করছে সরকারবিরোধী ছোট রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো। কাকরাইল মোড় থেকে পুরানা পল্টন মোড়ে এসব দল ও জোটের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে এসব দল ও জোট কাকরাইল মোড়, ডলফিন মোড়, পল্টন পানির ট্যাংকি ও পুরানা পল্টন মোড়ে অবস্থান নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে পদযাত্রা করে। এ সময় দলগুলোর কর্মী ও সমর্থকদের হাতে ছিল নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আর প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড। এসব দাবি তুলে স্লোগানও দিচ্ছিলেন তাঁরা।
দুপুর ১২টার সময় বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনে থেকে পদযাত্রা বের করে ইত্তেফাক মোড় হয়ে ডলফিন মোড়ের কাছাকাছি এসে পদযাত্রা শেষ করে তারা। এখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জোটের নেতার বক্তব্য দেন।
বেলা ২টা ৩০ মিনিটে কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নিতে দেখা যায় ১২ দলীয় জোটের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের। তাঁদেরও সরকারবিরোধী নানা স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাঁরা পদযাত্রা করে মতিঝিল শাপলা চত্বর পর্যন্ত যাবেন বলে জানিয়েছেন জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য আজ পথে নেমেছি। দাবি হচ্ছে—নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ।’
এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে দেশব্যাপী এই পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। সকালে ঢাকার গাবতলী থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ পদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করেন। বিকেল ৪টার দিকে রায়সাহেব বাজার মোড়ে এই পদযাত্রা কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সারা দেশের সব জেলা ও মহানগরে একইভাবে এই পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। এতে অংশ নিয়েছেন বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মী। তাঁরা সরকারবিরোধী নানা ধরনের স্লোগান দিতে দিতে পোস্টার ফেস্টুন নিয়ে পদযাত্রায় যুক্ত হচ্ছেন। বিএনপির এই পদযাত্রা যাবে এই সড়ক ধরেই। সকাল থেকে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ৫ থেকে ১০ জন নেতা-কর্মী ছাড়া তেমন কোনো নেতা-কর্মীর দেখা মেলেনি।

নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে সকাল থেকে পদযাত্রা ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করছে সরকারবিরোধী ছোট রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো। কাকরাইল মোড় থেকে পুরানা পল্টন মোড়ে এসব দল ও জোটের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে এসব দল ও জোট কাকরাইল মোড়, ডলফিন মোড়, পল্টন পানির ট্যাংকি ও পুরানা পল্টন মোড়ে অবস্থান নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে পদযাত্রা করে। এ সময় দলগুলোর কর্মী ও সমর্থকদের হাতে ছিল নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি আর প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড। এসব দাবি তুলে স্লোগানও দিচ্ছিলেন তাঁরা।
দুপুর ১২টার সময় বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনে থেকে পদযাত্রা বের করে ইত্তেফাক মোড় হয়ে ডলফিন মোড়ের কাছাকাছি এসে পদযাত্রা শেষ করে তারা। এখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জোটের নেতার বক্তব্য দেন।
বেলা ২টা ৩০ মিনিটে কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নিতে দেখা যায় ১২ দলীয় জোটের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের। তাঁদেরও সরকারবিরোধী নানা স্লোগান দিতে দেখা যায়। তাঁরা পদযাত্রা করে মতিঝিল শাপলা চত্বর পর্যন্ত যাবেন বলে জানিয়েছেন জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য আজ পথে নেমেছি। দাবি হচ্ছে—নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগ।’
এদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে দেশব্যাপী এই পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। সকালে ঢাকার গাবতলী থেকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ পদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করেন। বিকেল ৪টার দিকে রায়সাহেব বাজার মোড়ে এই পদযাত্রা কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
সারা দেশের সব জেলা ও মহানগরে একইভাবে এই পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি। এতে অংশ নিয়েছেন বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মী। তাঁরা সরকারবিরোধী নানা ধরনের স্লোগান দিতে দিতে পোস্টার ফেস্টুন নিয়ে পদযাত্রায় যুক্ত হচ্ছেন। বিএনপির এই পদযাত্রা যাবে এই সড়ক ধরেই। সকাল থেকে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ৫ থেকে ১০ জন নেতা-কর্মী ছাড়া তেমন কোনো নেতা-কর্মীর দেখা মেলেনি।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৪ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৪ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৭ ঘণ্টা আগে