আজকের পত্রিকা ডেস্ক

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ঐতিহাসিক ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সরকার। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠেয় আয়োজনে অংশ নেবেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় পাঁচজন নেতা। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির এই সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অন্য সদস্যরা হলেন: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ডক্টর আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।
এদিকে, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তের আগে গতকাল সোমবার রাতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে এ বৈঠক রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে। বৈঠকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ধারণা করা হচ্ছে, এ বৈঠকেই ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ অনুষ্ঠানে দলের প্রতিনিধিত্ব এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে। বিকেল ৫টায় সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, জুলাই শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত যোদ্ধাদের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
পাশাপাশি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বেলা ১১টায় আজকের আয়োজন শুরু হয়ে রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত চলবে এসব অনুষ্ঠান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পীগোষ্ঠীর সংগীত পরিবেশনা, ২টা ২৫ মিনিট থেকে ফ্যাসিস্টের পলায়ন উদ্যাপন, ৫টায় ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্পেশাল ড্রোন শো এবং রাত ৮টায় আর্টসেলের পরিবেশনা।

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ঐতিহাসিক ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সরকার। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠেয় আয়োজনে অংশ নেবেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় পাঁচজন নেতা। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে স্থায়ী কমিটির এই সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী অন্য সদস্যরা হলেন: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ডক্টর আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।
এদিকে, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তের আগে গতকাল সোমবার রাতে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে এ বৈঠক রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে। বৈঠকে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ধারণা করা হচ্ছে, এ বৈঠকেই ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ অনুষ্ঠানে দলের প্রতিনিধিত্ব এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে। বিকেল ৫টায় সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, জুলাই শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি ও আহত যোদ্ধাদের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
পাশাপাশি, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বেলা ১১টায় আজকের আয়োজন শুরু হয়ে রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত চলবে এসব অনুষ্ঠান। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—বেলা ১১টা থেকে বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন শিল্পীগোষ্ঠীর সংগীত পরিবেশনা, ২টা ২৫ মিনিট থেকে ফ্যাসিস্টের পলায়ন উদ্যাপন, ৫টায় ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্পেশাল ড্রোন শো এবং রাত ৮টায় আর্টসেলের পরিবেশনা।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১১ ঘণ্টা আগে