Ajker Patrika

জামায়াত এখন আর সিনে নাই, শুধু আতঙ্ক ছড়াচ্ছে: সেলিমা রহমান

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
জামায়াত এখন আর সিনে নাই, শুধু আতঙ্ক ছড়াচ্ছে: সেলিমা রহমান
জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম’৭১ কেন্দ্রীয় কমিটির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান। ছবি: আজকের পত্রিকা

জামায়াতে ইসলামী আতঙ্ক ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান। তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী আমাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।...জামায়াত যত আজেবাজে কথা বলছে, তত তারা তাদের প্রথম দিকে যে একটা ফ্লো উঠেছিল সেটা আস্তে আস্তে পড়ে যাচ্ছে। কাজেই জামায়াত কিন্তু এখন আর সিনে নাই, সিনে নাই।’

আজ শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে মাওলানা আকরম খাঁ হলে ‘প্রবাসীদের ভোট, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন এবং নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব মন্তব্য করেন। জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম’৭১ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি ঢালী আমিনুল ইসলাম রিপন।

সেলিমা রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যুদ্ধ ঘোষণা করে দেশ গঠনে কাজ করেছেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র রক্ষা ও দেশের উন্নয়নে সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। বর্তমানে একটি দুঃশাসনের সময়ে তারেক রহমান দেশের হাল ধরেছেন।

তিনি বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষা, সমাজসেবা, কর্মসংস্থানসহ সব ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী দেশ গড়ার পরিকল্পনা দিয়েছেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একদম তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ করে যাওয়ার কথা বলেন তিনি।

রাজনৈতিক কালচার (সংস্কৃতি), রাজনীতির কথাবার্তা সবকিছু পরিবর্তন করতে হবে বলে জানিয়ে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও কথাবার্তায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। যিনি এমপি হবেন, তিনি যেন দম্ভ না দেখান এবং চাঁদাবাজি বা অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত না হন, সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। মানুষকে গালিগালাজ না করে নিজের পরিকল্পনা জনগণের কাছে তুলে ধরার কথা ব্যক্ত করেন। কাজেই তারেক রহমানের কি পরিকল্পনা সেটাকে নিয়ে আপনারা (জনপ্রতিনিধি হতে ইচ্ছুক নেতারা) কথা বলবেন, সেটাকে নিয়ে কাজ করবেন।

শুধু মিছিল না করে প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানিয়ে সেলিমা রহমান বলেন, দোকান, চায়ের আড্ডা বা যেখানেই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে তাদের সচেতন করতে হবে। গ্রামীণ এলাকা বা বস্তিগুলোতে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে ভোট কেনার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে হবে। দরিদ্র মানুষদের বোঝাতে হবে যে এই সাময়িক সুবিধা দীর্ঘস্থায়ী কোনো সমাধান নয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত