নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আপনারা জানেন একটি দল নির্বাচন বর্জন ও প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছে। নির্বাচন বর্জন যে কেউ করতে পারে। কিন্তু প্রতিহত করার অধিকার কারও নেই।’
আজ রোববার দুপুরে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে চট্টগ্রাম-৭ আসনের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিহত করার ঘোষণার মাধ্যমে তারা গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। তারাই ঘোষণা দিয়ে সারা দেশে আগুন-সন্ত্রাস চালাচ্ছে। আগুন-সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে আমরা বদ্ধপরিকর। গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত থাকবে। দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।’
জামায়াতের নিবন্ধন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আদালতের আগের রায়টি উচ্চ আদালত বহাল রেখেছে। এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার।’
নিজ মনোনয়ন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘গত তিনবার আমাদের দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়ে আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ আমাকে নির্বাচিত করেছে। এবার যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি জনগণের জন্য আবারও কাজ করার সুযোগ পাব।’
তিনি বলেন, ‘আমি সারা বছরই আমার নির্বাচনী এলাকায় যাই, সব মানুষের পাশে থেকেছি। সারা বছর এত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ততার মধ্যে থেকেও আমি নির্বাচনী এলাকায় প্রতি সপ্তাহে গিয়েছি। সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর সব মানুষের জন্য কাজ করেছি। দলের ঊর্ধ্বে উঠে, দলমত-নির্বিশেষে সব মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি আশা করি দলমত-নির্বিশেষে সবাই আমাকে নির্বাচিত করবে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আপনারা জানেন একটি দল নির্বাচন বর্জন ও প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছে। নির্বাচন বর্জন যে কেউ করতে পারে। কিন্তু প্রতিহত করার অধিকার কারও নেই।’
আজ রোববার দুপুরে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে চট্টগ্রাম-৭ আসনের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিহত করার ঘোষণার মাধ্যমে তারা গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করার ঘোষণা দিয়েছে। তারাই ঘোষণা দিয়ে সারা দেশে আগুন-সন্ত্রাস চালাচ্ছে। আগুন-সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে আমরা বদ্ধপরিকর। গণতন্ত্রের অভিযাত্রা অব্যাহত থাকবে। দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।’
জামায়াতের নিবন্ধন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আদালতের আগের রায়টি উচ্চ আদালত বহাল রেখেছে। এটি সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার।’
নিজ মনোনয়ন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘গত তিনবার আমাদের দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়ে আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ আমাকে নির্বাচিত করেছে। এবার যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি জনগণের জন্য আবারও কাজ করার সুযোগ পাব।’
তিনি বলেন, ‘আমি সারা বছরই আমার নির্বাচনী এলাকায় যাই, সব মানুষের পাশে থেকেছি। সারা বছর এত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ততার মধ্যে থেকেও আমি নির্বাচনী এলাকায় প্রতি সপ্তাহে গিয়েছি। সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর সব মানুষের জন্য কাজ করেছি। দলের ঊর্ধ্বে উঠে, দলমত-নির্বিশেষে সব মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, আমি আশা করি দলমত-নির্বিশেষে সবাই আমাকে নির্বাচিত করবে।’

আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান ও ইভারস আইজাবস বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশের একজন ক্রিকেটারকে অপমানের মাধ্যমে মূলত পুরো দেশকে অপমান করা হয়েছে।’ ক্রিকেটের সঙ্গে দেশের সম্মান জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত। তবে ছোটখাটো বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার পথ খোলা রাখা উচিত।’
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে