ঢাবি প্রতিনিধি

বিএনপির প্রচেষ্টা মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, অস্বীকার করা বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে ২৩ মার্চ ঐতিহাসিক পতাকা দিবস উপলক্ষে ‘একটি পতাকার জন্য’ শিরোনামে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘উঠোন—সংস্কৃতি চর্চা প্রতিষ্ঠান’ এটির আয়োজন করে।
মন্ত্রী বলেন, ‘পতাকা দিবস হিসেবে ২৩ তারিখ বেছে নেওয়ার কারণ এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা ওঠানো হয়েছিল, বিচ্ছিন্নভাবে এক তারিখ দুই তারিখে উঠেছিল পতাকা—২৩ তারিখ ছিল পাকিস্তান সৃষ্টির প্রস্তাব যেটাকে লাহোর প্রস্তাব বলা হয়। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ যে প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তান কায়েম হয়েছিল সেটার জন্য পাকিস্তান আমলে ২৩ মার্চকে রিপাবলিক ডে অব পাকিস্তান হিসেবে পালন করা হতো, সেদিনেই আমরা পাকিস্তান ভাঙার জন্য এই দিনটিকে বেছে নিয়েছি। সেদিন পতাকা উত্তোলন করেছি, ঐতিহাসিক কারণে এই দিনটা ছিল। সে জন্য বলব এটা ইতিহাসের একটা বড় অংশ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের টার্নিং পয়েন্ট বলতে পারি।’
৭ই মার্চ তো আছেই, ৭ মার্চের পরে বঙ্গবন্ধুর হাতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করার পরে ঘোষণার দরকার থাকে না বলে উল্লেখ করেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাবু গয়েশ্বর রায় (বিএনপি নেতা) বললেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার জন্য কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। উনি কবে কোথায় রাজনীতি করেছেন আমরা আগে থেকে শুনিনি। যাক, তারপরেও করতে পারেন। আপনারা না শুনলে কেউ করেনি এটাতো বলা যাবে না। আমি তাঁর (গয়েশ্বর) রাজনৈতিক পিতা আইয়ুব খানকে সাক্ষী মানতে চাই। আইয়ুব খান তাঁর আগরতলা কেসে শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে কী বলেছেন। শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান করতে চান, অনেক কথা—সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে ওদের (পাকিস্তান) কাছে বিচ্ছিন্নতা মানে আমাদের কাছে স্বাধীনতা। তাঁর (গয়েশ্বর) বাবাতো কইয়ে গেছে, শুধু অভিযোগ আনে নাই, তথ্য উপাত্ত দিয়ে কইয়ে গেছে—আবার সে বলে পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। বঙ্গবন্ধু ২৩ বছর পাকিস্তানের ১৩ বছর জেলে ছিলেন, প্রতিদিন কোথায় কী বলেছেন, কী করেছেন, সেগুলো বলেছেন, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট রয়েছে, আমাদের তৈরি করা না, ওটা পড়ার জন্য আমি গয়েশ্বর বাবুকে অনুরোধ করব। দলিল পড়েন, আপনার মুরব্বিরা শেখ মুজিবকে কী উপাধি দিয়েছিল—শেখ মুজিব পাকিস্তান বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির সাধারণ সম্পাদক (মির্জা ফখরুল) এক মাসে আগে বলেছেন পাকিস্তান আমল নাকি এর চেয়ে ভালো ছিল। কারণ পাকিস্তানের কথা তাঁরা ভুলে নাই, কোন সূচকে তারা ভালো ছিল জাতি তা জানতে চায়। এটা বুঝতে হলে আরেকটু পেছনে যান, কাদের মোল্লার যখন ফাঁসি দেওয়া হলো যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তখন পাকিস্তানের পার্লামেন্টে সাচ্চা ইমানদার পাকিস্তানি হিসেবে তাঁর জন্য একটা শোকপ্রস্তাব এনেছিল এবং তাঁর (কাদের মোল্লা) ফাঁসি দিলাম, বিচার করে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে; আর তাঁরা দেশপ্রেমিক হিসেবে সম্মান জানিয়েছে। যা যা পাকিস্তান পার্লামেন্ট বলছে ঠিক এর পরদিন বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির এক বৈঠকে তা তা বলেছেন—তাঁদের (বিএনপি) প্রচেষ্টা হলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা, সরাসরি অস্বীকার করতে পারে না তাই যখনই সুযোগ পায় তখনই কখনো প্রত্যক্ষ আবার কখনো পরোক্ষভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যায়। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধকে মেনে নিতে পারে না।’
মোজাম্মেল হক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর তাঁদের (বিএনপি) রাজনৈতিক অভিভাবক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিদেশে যাওয়ার পথ সুগম করে দিয়েছেন নিরাপদে। শুধু তাই নয়, তাঁদের পদায়ন করেছেন উচ্চপদে, বৈদেশিক দূতাবাসে পদায়ন করেছেন, চাকরি দিয়েছেন, জাতির জনকের হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না মর্মে ইনডেমনিটি আইনও করেছেন। একটা অপরাধীকেও মারলেও বিচার হবে কিন্তু জাতির জনকের হত্যাকরীদের বিচার হবে না। তাতে কী বোঝা যায়? এখানেই শেষ করেন নাই, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের সংবিধান, পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সংবিধান বাহাত্তরের সংবিধান আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে পাকিস্তানি কায়দায় ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা ঢুকিয়ে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ঢুকিয়েছে। গোলাম আজমকে নাগরিকত্ব দিলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কোনো লোক না রেখে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের নিয়ে মন্ত্রিসভা বানিয়েছেন।’
উঠোন—সংস্কৃতি চর্চা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি অলক দাশগুপ্তের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। সূচনা বক্তব্য রাখেন উঠোন-এর সাধারণ সম্পাদক অনিকেত রাজেশ। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।

বিএনপির প্রচেষ্টা মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, অস্বীকার করা বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ. ক. ম মোজাম্মেল হক। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে ২৩ মার্চ ঐতিহাসিক পতাকা দিবস উপলক্ষে ‘একটি পতাকার জন্য’ শিরোনামে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। ‘উঠোন—সংস্কৃতি চর্চা প্রতিষ্ঠান’ এটির আয়োজন করে।
মন্ত্রী বলেন, ‘পতাকা দিবস হিসেবে ২৩ তারিখ বেছে নেওয়ার কারণ এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা ওঠানো হয়েছিল, বিচ্ছিন্নভাবে এক তারিখ দুই তারিখে উঠেছিল পতাকা—২৩ তারিখ ছিল পাকিস্তান সৃষ্টির প্রস্তাব যেটাকে লাহোর প্রস্তাব বলা হয়। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ যে প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তান কায়েম হয়েছিল সেটার জন্য পাকিস্তান আমলে ২৩ মার্চকে রিপাবলিক ডে অব পাকিস্তান হিসেবে পালন করা হতো, সেদিনেই আমরা পাকিস্তান ভাঙার জন্য এই দিনটিকে বেছে নিয়েছি। সেদিন পতাকা উত্তোলন করেছি, ঐতিহাসিক কারণে এই দিনটা ছিল। সে জন্য বলব এটা ইতিহাসের একটা বড় অংশ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের টার্নিং পয়েন্ট বলতে পারি।’
৭ই মার্চ তো আছেই, ৭ মার্চের পরে বঙ্গবন্ধুর হাতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করার পরে ঘোষণার দরকার থাকে না বলে উল্লেখ করেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাবু গয়েশ্বর রায় (বিএনপি নেতা) বললেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার জন্য কোনো পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। উনি কবে কোথায় রাজনীতি করেছেন আমরা আগে থেকে শুনিনি। যাক, তারপরেও করতে পারেন। আপনারা না শুনলে কেউ করেনি এটাতো বলা যাবে না। আমি তাঁর (গয়েশ্বর) রাজনৈতিক পিতা আইয়ুব খানকে সাক্ষী মানতে চাই। আইয়ুব খান তাঁর আগরতলা কেসে শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে কী বলেছেন। শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান করতে চান, অনেক কথা—সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে ওদের (পাকিস্তান) কাছে বিচ্ছিন্নতা মানে আমাদের কাছে স্বাধীনতা। তাঁর (গয়েশ্বর) বাবাতো কইয়ে গেছে, শুধু অভিযোগ আনে নাই, তথ্য উপাত্ত দিয়ে কইয়ে গেছে—আবার সে বলে পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। বঙ্গবন্ধু ২৩ বছর পাকিস্তানের ১৩ বছর জেলে ছিলেন, প্রতিদিন কোথায় কী বলেছেন, কী করেছেন, সেগুলো বলেছেন, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট রয়েছে, আমাদের তৈরি করা না, ওটা পড়ার জন্য আমি গয়েশ্বর বাবুকে অনুরোধ করব। দলিল পড়েন, আপনার মুরব্বিরা শেখ মুজিবকে কী উপাধি দিয়েছিল—শেখ মুজিব পাকিস্তান বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির সাধারণ সম্পাদক (মির্জা ফখরুল) এক মাসে আগে বলেছেন পাকিস্তান আমল নাকি এর চেয়ে ভালো ছিল। কারণ পাকিস্তানের কথা তাঁরা ভুলে নাই, কোন সূচকে তারা ভালো ছিল জাতি তা জানতে চায়। এটা বুঝতে হলে আরেকটু পেছনে যান, কাদের মোল্লার যখন ফাঁসি দেওয়া হলো যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তখন পাকিস্তানের পার্লামেন্টে সাচ্চা ইমানদার পাকিস্তানি হিসেবে তাঁর জন্য একটা শোকপ্রস্তাব এনেছিল এবং তাঁর (কাদের মোল্লা) ফাঁসি দিলাম, বিচার করে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে; আর তাঁরা দেশপ্রেমিক হিসেবে সম্মান জানিয়েছে। যা যা পাকিস্তান পার্লামেন্ট বলছে ঠিক এর পরদিন বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির এক বৈঠকে তা তা বলেছেন—তাঁদের (বিএনপি) প্রচেষ্টা হলো আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা, সরাসরি অস্বীকার করতে পারে না তাই যখনই সুযোগ পায় তখনই কখনো প্রত্যক্ষ আবার কখনো পরোক্ষভাবে অপপ্রচার চালিয়ে যায়। তাঁরা মুক্তিযুদ্ধকে মেনে নিতে পারে না।’
মোজাম্মেল হক বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর তাঁদের (বিএনপি) রাজনৈতিক অভিভাবক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিদেশে যাওয়ার পথ সুগম করে দিয়েছেন নিরাপদে। শুধু তাই নয়, তাঁদের পদায়ন করেছেন উচ্চপদে, বৈদেশিক দূতাবাসে পদায়ন করেছেন, চাকরি দিয়েছেন, জাতির জনকের হত্যাকারীদের বিচার করা যাবে না মর্মে ইনডেমনিটি আইনও করেছেন। একটা অপরাধীকেও মারলেও বিচার হবে কিন্তু জাতির জনকের হত্যাকরীদের বিচার হবে না। তাতে কী বোঝা যায়? এখানেই শেষ করেন নাই, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের সংবিধান, পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সংবিধান বাহাত্তরের সংবিধান আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে পাকিস্তানি কায়দায় ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিয়ে সাম্প্রদায়িকতা ঢুকিয়ে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ঢুকিয়েছে। গোলাম আজমকে নাগরিকত্ব দিলেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কোনো লোক না রেখে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের নিয়ে মন্ত্রিসভা বানিয়েছেন।’
উঠোন—সংস্কৃতি চর্চা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি অলক দাশগুপ্তের সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ। সূচনা বক্তব্য রাখেন উঠোন-এর সাধারণ সম্পাদক অনিকেত রাজেশ। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হয়।

দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১ ঘণ্টা আগে
ক্ষমতায় গেলে রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজে ও হোম ইকোনমিকস কলেজকে (বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ) একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করবে জামায়াতে ইসলামী। এ ছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বড় কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হবে বলেও
১ ঘণ্টা আগে
জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টির অবস্থান থাকবে বলে জানিয়ে দলটির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের বলেছেন, ‘আমরা ‘‘না’’ ভোট দেব। দেশের স্বার্থে, আইনের শাসনের স্বার্থে জনগণকে ‘‘না’’ ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করব। সরকারের এমন উদ্যোগ সংবিধানবিরুদ্ধ, দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশ
৪ ঘণ্টা আগে
নিজেকে কড়াইলের সন্তান দাবি করে আজীবন কড়াইলবাসীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দল ক্ষমতায় গেলে তাঁদের আবাসনের কষ্ট দূর করার জন্য বহুতল ভবন গড়ে ছোট ছোট ফ্ল্যাট তাঁদের নামে বরাদ্দ দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে