লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লন্ডনের বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, লন্ডনের বৈঠক নিয়ে যে দু-একজন নেতা-কর্মী প্রশ্ন তুলেছেন, তা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রয়োজনীয়। তাঁর মতে, ‘বিদেশে কেন তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক হলো’—এই প্রশ্ন তোলার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
কারণ বিএনপিসহ সমমনা সব দল মিলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছে, কারাবরণ করেছে, ত্যাগ স্বীকার করেছে। লন্ডনের বৈঠক সেই ত্যাগের ধারাবাহিকতা ও দেশের মানুষকে মুক্ত করার প্রয়াস।
আজ বুধবার লক্ষ্মীপুরের চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিনিধি নির্বাচনপূর্বক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যানি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আমরা তারেক রহমানের অপেক্ষায় আছি। তিনি শিগগির দেশে আসবেন।’ আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই দলটির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। রক্ষী বাহিনী দিয়ে মানুষকে দমন, দুর্নীতি, দুর্ভিক্ষ ও দুঃশাসনের ইতিহাস আওয়ামী লীগের। গত ১৭ বছরেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। বরং লুটপাট, বিরোধীমত দমন ও স্বৈরশাসনের মাত্রা আরও বেড়েছে।’
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো জনগণের রাজনীতি করেনি, করে না। বরং তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে প্রভাব বিস্তার, ভয়ভীতি ও দুর্নীতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। তারা খুন ও নির্যাতনের রাজনীতির ধারক। তাই মানুষ জুলাইয়ের আন্দোলনে রাস্তায় নেমে তাদের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। এখন শুধু জনগণ অপেক্ষায় আছে—এই দুঃশাসনের মূল হোতাদের বিচারের দিন কবে আসবে।’
এ্যানি বলেন, ‘তারেক রহমান দেশের বাইরে থেকে আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। মিথ্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। উনার নেতৃত্বে গোটা দেশ এক এবং ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকে আমরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করে হাসিনাকে পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছি। শেখ হাসিনাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছি। সে গণশত্রু ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ সালে ভোট দিতে পারেননি, রাতের অন্ধকারে ভোট হয়েছে। ২০২৪-এ আমাদের সবাইকে মামলা দিয়ে গণগ্রেপ্তার করে তারা ভোট করেছে। নতুন প্রজন্ম ভোটার হতে পারেনি। মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেনি। আমরা লজ্জিত ছিলাম। ৫ আগস্টের পর আমাদের সবকিছু গোছানোর সুযোগ ও ভোট দেওয়ার মতো একটা ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। আমরা আজ দলের ভোট করছি, আগামী দিনে দেশের ভোট করব। এখন থেকেই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।’
এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান, ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক বেল্লাল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম সারওয়ার, সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি মাহবুব আলম মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

লন্ডনের বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, লন্ডনের বৈঠক নিয়ে যে দু-একজন নেতা-কর্মী প্রশ্ন তুলেছেন, তা অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রয়োজনীয়। তাঁর মতে, ‘বিদেশে কেন তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক হলো’—এই প্রশ্ন তোলার কোনো যৌক্তিকতা নেই।
কারণ বিএনপিসহ সমমনা সব দল মিলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করেছে, কারাবরণ করেছে, ত্যাগ স্বীকার করেছে। লন্ডনের বৈঠক সেই ত্যাগের ধারাবাহিকতা ও দেশের মানুষকে মুক্ত করার প্রয়াস।
আজ বুধবার লক্ষ্মীপুরের চরশাহী ইউনিয়ন বিএনপির প্রতিনিধি নির্বাচনপূর্বক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যানি এসব কথা বলেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘আমরা তারেক রহমানের অপেক্ষায় আছি। তিনি শিগগির দেশে আসবেন।’ আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই দলটির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। রক্ষী বাহিনী দিয়ে মানুষকে দমন, দুর্নীতি, দুর্ভিক্ষ ও দুঃশাসনের ইতিহাস আওয়ামী লীগের। গত ১৭ বছরেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। বরং লুটপাট, বিরোধীমত দমন ও স্বৈরশাসনের মাত্রা আরও বেড়েছে।’
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কখনো জনগণের রাজনীতি করেনি, করে না। বরং তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে প্রভাব বিস্তার, ভয়ভীতি ও দুর্নীতিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। তারা খুন ও নির্যাতনের রাজনীতির ধারক। তাই মানুষ জুলাইয়ের আন্দোলনে রাস্তায় নেমে তাদের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। এখন শুধু জনগণ অপেক্ষায় আছে—এই দুঃশাসনের মূল হোতাদের বিচারের দিন কবে আসবে।’
এ্যানি বলেন, ‘তারেক রহমান দেশের বাইরে থেকে আমাদের নেতৃত্ব দিয়েছেন। মিথ্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। উনার নেতৃত্বে গোটা দেশ এক এবং ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। সব রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষকে আমরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করে হাসিনাকে পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছি। শেখ হাসিনাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছি। সে গণশত্রু ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘২০১৪, ২০১৮ সালে ভোট দিতে পারেননি, রাতের অন্ধকারে ভোট হয়েছে। ২০২৪-এ আমাদের সবাইকে মামলা দিয়ে গণগ্রেপ্তার করে তারা ভোট করেছে। নতুন প্রজন্ম ভোটার হতে পারেনি। মানুষ ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেনি। আমরা লজ্জিত ছিলাম। ৫ আগস্টের পর আমাদের সবকিছু গোছানোর সুযোগ ও ভোট দেওয়ার মতো একটা ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। আমরা আজ দলের ভোট করছি, আগামী দিনে দেশের ভোট করব। এখন থেকেই আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।’
এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য হাফিজুর রহমান, ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির আহ্বায়ক বেল্লাল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম সারওয়ার, সদস্যসচিব আনোয়ার হোসেন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি মাহবুব আলম মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৭ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৭ ঘণ্টা আগে