Ajker Patrika

বন্দর চুক্তি বাতিলের দাবিতে ১১ অক্টোবর বিক্ষোভ ডেকেছে বাম সংগঠন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২১: ১৭
বন্দর চুক্তি বাতিলের দাবিতে ১১ অক্টোবর বিক্ষোভ ডেকেছে বাম সংগঠন

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে সরকারের চুক্তি বাতিলের দাবিতে ১১ অক্টোবর সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বামপন্থী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। একই সঙ্গে চুক্তির প্রতিবাদে বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় বিচারের দাবি জানানো হবে।

বিষয়টি আজ শুক্রবার আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছে বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। তিনি জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার বিদেশিদের হাতে বন্দর তুলে দেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় বিচারের দাবি ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার বন্দরের চুক্তি বাতিলের দুই দাবিতে সারা দেশে বামপন্থী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে। সেই দিনই চুক্তি বাতিলের দাবিতে হরতালের তারিখ নির্ধারিত হতে পারে।

আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন দাবি করেন, দেশের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি সবচেয়ে লাভজনক। এ টার্মিনাল থেকে বছরে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা লাভ হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, লাভজনক এই টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কার্যালয়ের অডিটরিয়ামে এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর প্রতিবাদে চুক্তি স্বাক্ষরের আগে অডিটরিয়ামের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বামপন্থী বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীরা।

আন্দোলনকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাঁদের মিছিল শুরু হয়। পৌনে ৩টার দিকে মিছিলটি ইনভেস্ট বাংলাদেশ কার্যালয়ের সামনে পৌঁছায়। বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা। পরে পৌনে ৪টার দিকে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। বিক্ষোভকারীরা আবার সেখানে ফিরে এলে দ্বিতীয় দফায়ও লাঠিচার্জ করা হয়। আহতদের মধ্যে সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, বাসদ নেতা মনীষা চক্রবর্তী ও বাসদ (মার্কসবাদী) নেতা সীমা দত্ত রয়েছেন বলে দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা।

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফাহিম আহমদ চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, সরকার গণবিরোধী অবস্থান নিয়েছে। পুলিশও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত