নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর থেকে

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা এখন ছাড় দিচ্ছেন। কিন্তু আগুন দিয়ে খেলতে আসলে আমরা কিন্তু ছাড়ব না।’
যশোর শামস-উল হুদা স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিএনপিকে ‘বেইমানের’ দল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিশ্বাসঘাতকের দল। এরা ১৫ আগস্টে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছে। খুনিদের দায়মুক্তি দিয়ে আইন করেছে। এরা খুনি, ঘাতক।’
কাদের বলেন, ‘বিএনপির আরেক নাম বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। বিশ্বাসঘাতকের অপর নাম জিয়াউর রহমান। তিনি যদি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না থাকতেন তাহলে কারও সাহস ছিল না বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে। বেইমানের দল, বিশ্বাসঘাতকের দল, ঘাতকের দল বিএনপি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঢাকা শহরে বড় বড় লোকেরা বাসায় কুকুর রাখে, আর বাড়ির সামনে লিখে রাখে কুকুর হতে সাবধান। আমরা বলি বিএনপি থেকে সাবধান। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল বিদ্যুৎ, রিজার্ভ ও গণতন্ত্র গিলেছে। ভোট চুরি করেছে। তারা যদি আরেকবার ক্ষমতায় আসে গোটা বাংলাদেশ গিলে খাবে।’
যশোরেও ‘খেলা হবে’ বলে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস সামনে প্রস্তুত হয়ে যান। মির্জা ফখরুল ইসলাম এখন বড় বড় কথা বলছেন। গণতন্ত্র হত্যাকারী, তোমাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি শোভা পায় না। এই বিএনপির বিরুদ্ধে খেলা হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, যশোর ও খুলনা সড়ক এক মাসের ঠিক করার জন্য প্রকৌশলীদের নির্দেশনা দেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। তিনি বলেন, এক মাসের মধ্যে ঠিক না হলে খবর আছে।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা এখন ছাড় দিচ্ছেন। কিন্তু আগুন দিয়ে খেলতে আসলে আমরা কিন্তু ছাড়ব না।’
যশোর শামস-উল হুদা স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিএনপিকে ‘বেইমানের’ দল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিশ্বাসঘাতকের দল। এরা ১৫ আগস্টে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছে। খুনিদের দায়মুক্তি দিয়ে আইন করেছে। এরা খুনি, ঘাতক।’
কাদের বলেন, ‘বিএনপির আরেক নাম বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। বিশ্বাসঘাতকের অপর নাম জিয়াউর রহমান। তিনি যদি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না থাকতেন তাহলে কারও সাহস ছিল না বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে। বেইমানের দল, বিশ্বাসঘাতকের দল, ঘাতকের দল বিএনপি।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ঢাকা শহরে বড় বড় লোকেরা বাসায় কুকুর রাখে, আর বাড়ির সামনে লিখে রাখে কুকুর হতে সাবধান। আমরা বলি বিএনপি থেকে সাবধান। তারা যখন ক্ষমতায় ছিল বিদ্যুৎ, রিজার্ভ ও গণতন্ত্র গিলেছে। ভোট চুরি করেছে। তারা যদি আরেকবার ক্ষমতায় আসে গোটা বাংলাদেশ গিলে খাবে।’
যশোরেও ‘খেলা হবে’ বলে বক্তব্য দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস সামনে প্রস্তুত হয়ে যান। মির্জা ফখরুল ইসলাম এখন বড় বড় কথা বলছেন। গণতন্ত্র হত্যাকারী, তোমাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি শোভা পায় না। এই বিএনপির বিরুদ্ধে খেলা হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, যশোর ও খুলনা সড়ক এক মাসের ঠিক করার জন্য প্রকৌশলীদের নির্দেশনা দেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী। তিনি বলেন, এক মাসের মধ্যে ঠিক না হলে খবর আছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৯ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
১০ ঘণ্টা আগে