মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরায় গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতা-কর্মী পদত্যাগ করেছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জেলা শাখার সহসভাপতি মোহাম্মদ রাসেল মজুমদার এই ঘোষণা দেন।
কারণ হিসেবে নেতা-কর্মীরা জানান, গণঅধিকার পরিষদের গঠনতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, সংগঠন পরিপন্থী ও অগণতান্ত্রিক কার্যক্রম, একনায়কতন্ত্র, বৈষম্যভিত্তিক চিন্তাধারা এবং কমিটি বাণিজ্যের মতো নোংরা রাজনীতির চর্চা সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের নজরে এসেছে। কিন্তু তাঁরা মাগুরায় দলের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এখানে গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সুস্থধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রত্যেকে ব্যক্তিগত অর্থায়নে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানে সাবেক স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই করে আহত হয়েছেন উল্লেখ করে নেতা-কর্মীরা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে গণঅধিকার পরিষদ যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা দেশবাসীর কাছে দেওয়া তাঁদের পূর্বের অঙ্গীকার এবং কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। বিষয়গুলো কয়েকবার কেন্দ্রীয় সংসদকে অবগত করার পরও তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার চিত্র দেখা যায়নি। উল্টো স্বৈরাচারী মনোভাব, একনায়কতন্ত্র, সিন্ডিকেটের মতো একপক্ষীয় ক্ষমতা এবং কমিটি বাণিজ্যের মতো প্রতারণার আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে, যা সম্প্রতি মাগুরা জেলার যুব অধিকার পরিষদের কমিটি গঠনে পরিষ্কার উঠে এসেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পদত্যাগ করা নেতা-কর্মীরা জনগণের অধিকার, পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সচল রাখতে জনগণের জন্য রাজনীতির মাঠে থাকবেন। তবে এই মুহূর্তে তাঁরা নতুন কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন না। এমন কোনো সিদ্ধান্ত আসলে অবশ্যই সবাইকে অবগত করা হবে।
উল্লেখ, ২ জুন বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের মাগুরা জেলার আংশিক কমিটি আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। ৬০ সদস্যের এই কমিটিতে ওবায়দুল্লাহ বিন হাফিজারকে সভাপতি, মো. রাজিব মোল্যাকে সাধারণ সম্পাদক এবং এস এম জুয়েল রানাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মনজুর মোরশেদ মামুন ও সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান স্বাক্ষরিত কমিটিতে সাতজনকে সহসভাপতি ও আটজনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

মাগুরায় গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতা-কর্মী পদত্যাগ করেছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের জেলা শাখার সহসভাপতি মোহাম্মদ রাসেল মজুমদার এই ঘোষণা দেন।
কারণ হিসেবে নেতা-কর্মীরা জানান, গণঅধিকার পরিষদের গঠনতন্ত্রের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, সংগঠন পরিপন্থী ও অগণতান্ত্রিক কার্যক্রম, একনায়কতন্ত্র, বৈষম্যভিত্তিক চিন্তাধারা এবং কমিটি বাণিজ্যের মতো নোংরা রাজনীতির চর্চা সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের নজরে এসেছে। কিন্তু তাঁরা মাগুরায় দলের প্রতিষ্ঠাকাল থেকে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এখানে গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সুস্থধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রত্যেকে ব্যক্তিগত অর্থায়নে সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন।
জুলাই অভ্যুত্থানে সাবেক স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই করে আহত হয়েছেন উল্লেখ করে নেতা-কর্মীরা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে গণঅধিকার পরিষদ যেভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা দেশবাসীর কাছে দেওয়া তাঁদের পূর্বের অঙ্গীকার এবং কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। বিষয়গুলো কয়েকবার কেন্দ্রীয় সংসদকে অবগত করার পরও তেমন কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার চিত্র দেখা যায়নি। উল্টো স্বৈরাচারী মনোভাব, একনায়কতন্ত্র, সিন্ডিকেটের মতো একপক্ষীয় ক্ষমতা এবং কমিটি বাণিজ্যের মতো প্রতারণার আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে, যা সম্প্রতি মাগুরা জেলার যুব অধিকার পরিষদের কমিটি গঠনে পরিষ্কার উঠে এসেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পদত্যাগ করা নেতা-কর্মীরা জনগণের অধিকার, পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সচল রাখতে জনগণের জন্য রাজনীতির মাঠে থাকবেন। তবে এই মুহূর্তে তাঁরা নতুন কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চিন্তাভাবনা করছেন না। এমন কোনো সিদ্ধান্ত আসলে অবশ্যই সবাইকে অবগত করা হবে।
উল্লেখ, ২ জুন বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের মাগুরা জেলার আংশিক কমিটি আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়। ৬০ সদস্যের এই কমিটিতে ওবায়দুল্লাহ বিন হাফিজারকে সভাপতি, মো. রাজিব মোল্যাকে সাধারণ সম্পাদক এবং এস এম জুয়েল রানাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মনজুর মোরশেদ মামুন ও সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান স্বাক্ষরিত কমিটিতে সাতজনকে সহসভাপতি ও আটজনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে