এক দিকে দেশের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নেই। অন্যদিকে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)।
আজ বুধবার বিকেলে সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে ১৫ থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী দাওয়াতি পক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘দেশের সর্বত্র অশান্তির আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে। কোথাও শান্তি নেই। সর্বত্র মানুষের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। দেশে গুম-খুনের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। ঘরে থাকলে খুন আর রাস্তায় বের হলে হয় গুম। মায়ের কোলের শিশুও আজ নিরাপদ নয়। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির সম্মুখীন।’
গোলামির জিঞ্জিরে আবদ্ধ হওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষ জীবন দেয়নি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘দেশের সীমানা আজ অরক্ষিত। বিজিবি সদস্যদের বিএসএফ গুলি করে হত্যা করলেও বাংলাদেশ সরকার প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। একটি স্বাধীন দেশের এমন নতজানু পররাষ্ট্রনীতি মেনে নেওয়া যায় না।’
দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলমের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—দলের মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কেএম শরীয়াতুল্লাহ প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির নবনিযুক্ত সদস্য কবির রিজভী, আমানউল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার ও ইসমাইল জবিহউল্লাহ। এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
১৯ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির নেতৃত্ব, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার এবং শক্তিশালী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো থাকলেও গত ছয় মাসে এগুলোর কোনো একটিরও বাস্তবায়ন দেখা যায়নি...
১ ঘণ্টা আগে
‘ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা হলে বসতভিটা, তিন ফসলি উর্বর জমি, পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস হবে এবং বিপুলসংখ্যক মানুষ উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। কোনো যুক্তিতেই এ ধরনের কয়লা উত্তোলনকে লাভজনক বা জনস্বার্থসম্মত বলা যায় না।’
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রায় ১৩ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে কৃষক কার্ড এবং দরিদ্র পরিবারের নারীদের দেওয়া হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড। খাল খনন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় প্রধানদের...
২ ঘণ্টা আগে