নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দাবি করেছে, ট্রেনে নাশকতা মূলত বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ধরপাকড়ে আওয়ামী লীগের অজুহাত। পাশাপাশি দলটি ঢাকায় একটি ট্রেনে (বেনাপোল এক্সপ্রেসে) অগ্নিসংযোগের চারজন নিহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দাও জানিয়েছে। আজ রোববার বিএনপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্রযন্ত্র চলমান শান্তিপূর্ণ ও অহিংস আন্দোলনকে কলঙ্ক লেপনের নিমিত্তে পূর্বপরিকল্পিত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের নীলনকশা বাস্তবায়নের অংশ এই নাশকতা। সেই নাশকতার জের ধরেই ক্রমবর্ধমান অভিযান এবং ধড়পাকড় প্রমাণ করে যে, ধারাবাহিক পদ্ধতিগত দমন-পীড়ন জোরদার করার লক্ষ্যে পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ যৌথভাবে বিএনপিকে দোষারোপ করছে।’
বিএনপির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আঁকড়ে ধরতে এবং অবৈধ ক্ষমতায় টিকে থাকতে শেখ হাসিনার শাসনামল ২ হাজার ৭০০টিরও বেশি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ৭০০টিরও বেশি জোরপূর্বক গুম এবং ৫০ লাখের বেশি গণতন্ত্রপন্থী মানুষের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার অবতারণা করছে।’
বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘আওয়ামী লীগের কারণে আরও অনেক হত্যা যুক্ত হতে পারে। কোনো তদন্ত না করে বা প্রমাণ ছাড়াই আওয়ামী লীগ সংগঠিত অপপ্রচার ছড়ানোর প্রচেষ্টা করছে, সেই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। তারা কীসের ভিত্তিতে তড়িঘড়ি করে বিরোধী দলকে দোষারোপ করছে?’
বাংলাদেশের রেল অবকাঠামোতে প্রাথমিক নিরাপত্তা প্রোটোকল যেমন—ধোঁয়া শনাক্তকরণ, ফায়ার অ্যালার্ম, নির্বাপক, সেন্সর সতর্কতা, সিসিটিভি ক্যামেরা ইত্যাদি আছে কি না, প্রশ্ন তুলে বিএনপির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নাকি সম্ভাব্য হতাহতের সংখ্যা বাড়াতে ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করা হয়েছিল? যে চারটি বগি আগুনে পুড়ে গেছে, সেখানে কি সত্যিই সুপারভাইজার ছিলেন এবং যখন আগুন আঘাত হানে এবং ধীরে ধীরে একাধিক বগিতে ছড়িয়ে পড়ে, তখন পদ্ধতি অনুসারে লোকোমাস্টারকে জানানোর জন্য তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগব্যবস্থা ছিল না, তাও প্রশ্ন রাখে।’
বিবৃতিতে বিএনপি জানায়, ‘আওয়ামী লীগের গুন্ডারা যখন গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগ করে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো নিছক দর্শক হিসেবে কাজ করে, অপরাধীদের ঘটনাস্থল থেকে পালাতে দেয় এবং এইভাবে নীরব পৃষ্ঠপোষকতা প্রদর্শন করে শুধু বিএনপিকে ফাঁদে ফেলার জন্য এই নৃশংসতাকে আইনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, তখন সেটা কিসের ইঙ্গিত প্রদান করে?’
বিএনপির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বরিশালে এক সংবাদ সম্মেলনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, বিএনপি কোনো অগ্নিসংযোগ বা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নয়। তাঁর মতে, অভ্যন্তরীণ কোন্দলে লিপ্ত বরিশালের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সমর্থকেরা সব অগ্নিসংযোগের জন্য দায়ী। তিনি অতিরিক্ত বিবরণ প্রদান করে উল্লেখ করেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তাকে জানিয়েছে যে এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সব দায় বিএনপির ওপর চাপানোর জন্য পুলিশের সহায়তায় তার বিরুদ্ধে থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সংগঠিত করছে।’
‘ফরিদপুরে আরেকটি সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদ মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামীম হক তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগসহ একের পর এক নৃশংস হামলা চালিয়ে আতঙ্কিত পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন।’ যোগ করা হয় বিএনপির বিবৃতিতে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দাবি করেছে, ট্রেনে নাশকতা মূলত বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ধরপাকড়ে আওয়ামী লীগের অজুহাত। পাশাপাশি দলটি ঢাকায় একটি ট্রেনে (বেনাপোল এক্সপ্রেসে) অগ্নিসংযোগের চারজন নিহতের ঘটনায় তীব্র নিন্দাও জানিয়েছে। আজ রোববার বিএনপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্রযন্ত্র চলমান শান্তিপূর্ণ ও অহিংস আন্দোলনকে কলঙ্ক লেপনের নিমিত্তে পূর্বপরিকল্পিত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের নীলনকশা বাস্তবায়নের অংশ এই নাশকতা। সেই নাশকতার জের ধরেই ক্রমবর্ধমান অভিযান এবং ধড়পাকড় প্রমাণ করে যে, ধারাবাহিক পদ্ধতিগত দমন-পীড়ন জোরদার করার লক্ষ্যে পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ যৌথভাবে বিএনপিকে দোষারোপ করছে।’
বিএনপির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতা আঁকড়ে ধরতে এবং অবৈধ ক্ষমতায় টিকে থাকতে শেখ হাসিনার শাসনামল ২ হাজার ৭০০টিরও বেশি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ৭০০টিরও বেশি জোরপূর্বক গুম এবং ৫০ লাখের বেশি গণতন্ত্রপন্থী মানুষের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার অবতারণা করছে।’
বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘আওয়ামী লীগের কারণে আরও অনেক হত্যা যুক্ত হতে পারে। কোনো তদন্ত না করে বা প্রমাণ ছাড়াই আওয়ামী লীগ সংগঠিত অপপ্রচার ছড়ানোর প্রচেষ্টা করছে, সেই সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও। তারা কীসের ভিত্তিতে তড়িঘড়ি করে বিরোধী দলকে দোষারোপ করছে?’
বাংলাদেশের রেল অবকাঠামোতে প্রাথমিক নিরাপত্তা প্রোটোকল যেমন—ধোঁয়া শনাক্তকরণ, ফায়ার অ্যালার্ম, নির্বাপক, সেন্সর সতর্কতা, সিসিটিভি ক্যামেরা ইত্যাদি আছে কি না, প্রশ্ন তুলে বিএনপির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নাকি সম্ভাব্য হতাহতের সংখ্যা বাড়াতে ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করা হয়েছিল? যে চারটি বগি আগুনে পুড়ে গেছে, সেখানে কি সত্যিই সুপারভাইজার ছিলেন এবং যখন আগুন আঘাত হানে এবং ধীরে ধীরে একাধিক বগিতে ছড়িয়ে পড়ে, তখন পদ্ধতি অনুসারে লোকোমাস্টারকে জানানোর জন্য তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগব্যবস্থা ছিল না, তাও প্রশ্ন রাখে।’
বিবৃতিতে বিএনপি জানায়, ‘আওয়ামী লীগের গুন্ডারা যখন গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগ করে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো নিছক দর্শক হিসেবে কাজ করে, অপরাধীদের ঘটনাস্থল থেকে পালাতে দেয় এবং এইভাবে নীরব পৃষ্ঠপোষকতা প্রদর্শন করে শুধু বিএনপিকে ফাঁদে ফেলার জন্য এই নৃশংসতাকে আইনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে, তখন সেটা কিসের ইঙ্গিত প্রদান করে?’
বিএনপির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘বরিশালে এক সংবাদ সম্মেলনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, বিএনপি কোনো অগ্নিসংযোগ বা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নয়। তাঁর মতে, অভ্যন্তরীণ কোন্দলে লিপ্ত বরিশালের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সমর্থকেরা সব অগ্নিসংযোগের জন্য দায়ী। তিনি অতিরিক্ত বিবরণ প্রদান করে উল্লেখ করেন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তাকে জানিয়েছে যে এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সব দায় বিএনপির ওপর চাপানোর জন্য পুলিশের সহায়তায় তার বিরুদ্ধে থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সংগঠিত করছে।’
‘ফরিদপুরে আরেকটি সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগ নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদ মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থী শামীম হক তাঁর নির্বাচনী ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগসহ একের পর এক নৃশংস হামলা চালিয়ে আতঙ্কিত পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন।’ যোগ করা হয় বিএনপির বিবৃতিতে।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৬ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৭ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
৭ ঘণ্টা আগে