নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপিই সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করে ক্ষতবিক্ষত করেছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘তারাই (বিএনপি) সংবিধানের ওপর আঘাত এনেছে, সংবিধানকে কলঙ্কিত করেছে। আমরা বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধানকে অক্ষত রেখে সংবিধানের আলোকে আগামী নির্বাচন করতে চাই।’
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করার দাবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই সংবিধান এই মুহূর্তে আর পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। কাজেই শাসনতন্ত্রে যেভাবে বলা আছে, ঠিক সেভাবেই ভোট হবে।’
আজ শুক্রবার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। বঙ্গবন্ধুর ১০৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সম্প্রতি বিএনপির এক কর্মসূচিতে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সংবিধান ও রাষ্ট্র ধ্বংসের দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার করা হবে।’ এর প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি সরকার অতীতে সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করেছে, কলমের খোঁচায় সংবিধানকে ক্ষতবিক্ষত করেছে।’
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে বিএনপির দাবি নাকচ করে তিনি বলেন, ‘সংবিধানের আলোকেই আগামী নির্বাচন হবে। … যা আছে আমরা তা নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। সংবিধানের কোনো সংশোধন কোনো পরিবর্তন কিছুতেই সম্ভব নয়।’
বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা—উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে অন্তরায় সৃষ্টিকারী সাম্প্রদায়িক শক্তি ও জঙ্গিবাদীদের বিষবৃক্ষকে সম্পূর্ণভাবে আমরা উপড়ে দেব।’

আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপিই সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করে ক্ষতবিক্ষত করেছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘তারাই (বিএনপি) সংবিধানের ওপর আঘাত এনেছে, সংবিধানকে কলঙ্কিত করেছে। আমরা বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধানকে অক্ষত রেখে সংবিধানের আলোকে আগামী নির্বাচন করতে চাই।’
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করার দাবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই সংবিধান এই মুহূর্তে আর পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। কাজেই শাসনতন্ত্রে যেভাবে বলা আছে, ঠিক সেভাবেই ভোট হবে।’
আজ শুক্রবার ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। বঙ্গবন্ধুর ১০৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
সম্প্রতি বিএনপির এক কর্মসূচিতে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সংবিধান ও রাষ্ট্র ধ্বংসের দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার করা হবে।’ এর প্রতিক্রিয়ায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি সরকার অতীতে সংবিধানকে কাটাছেঁড়া করেছে, কলমের খোঁচায় সংবিধানকে ক্ষতবিক্ষত করেছে।’
নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে বিএনপির দাবি নাকচ করে তিনি বলেন, ‘সংবিধানের আলোকেই আগামী নির্বাচন হবে। … যা আছে আমরা তা নিয়ে নির্বাচন করতে চাই। সংবিধানের কোনো সংশোধন কোনো পরিবর্তন কিছুতেই সম্ভব নয়।’
বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা—উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার পথে অন্তরায় সৃষ্টিকারী সাম্প্রদায়িক শক্তি ও জঙ্গিবাদীদের বিষবৃক্ষকে সম্পূর্ণভাবে আমরা উপড়ে দেব।’

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘তাঁরাও মুক্তিযোদ্ধা। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছিলেন, এ দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
৪ মিনিট আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
১২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
১২ ঘণ্টা আগে