নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো “সফল” বিদেশ সফর হলেও আওয়ামী লীগ তাঁকে সংবর্ধনা দেয়নি। নেতা–কর্মীদের ইচ্ছা, তাঁকে একটা সংবর্ধনা দেওয়া। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী রাজি হননি।’
আজ রোববার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভায় এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
ঢাকা মহানগর উত্তর–দক্ষিণ শাখা ও ঢাকার আশপাশের জেলা শাখা এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে এ সভা করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৪ অক্টোবর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা পার্টি অফিসে বসে নিজেরা কিছু আলাপ আলোচনা করেছি। মহামারীর কারণে প্রধানমন্ত্রীর অনেকগুলো বিদেশ সফরের পরেও তাঁকে তাঁর প্রাপ্য সংবর্ধনা দিতে পারিনি। অনেকগুলো আন্তর্জাতিক পদ পেয়েছেন, অনেক জায়গায় বিশেষভাবে সংবর্ধিত হয়েছেন। তিনি যে সম্মান বয়ে এনেছেন এ জন্য একটা সংবর্ধনা তাঁকে দেওয়া উচিত। এটা আমরা মনে করেছি। আমাদের সকল নেতা–কর্মীদের অভিপ্রায়। সবাই এটা চাচ্ছেন।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়েছি। এ সময়ে এর গুরুত্বটা তাঁকে জানানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো সংবর্ধনা নিতে রাজি নন। তিনি পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, রাস্তা বন্ধ করে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে সংবর্ধনা নেওয়ার ইচ্ছে তাঁর নেই। কাজেই এ প্রোগ্রামটা বাদ দিতে হবে। তাঁর সম্মতি নেই, তাই আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’

‘প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো “সফল” বিদেশ সফর হলেও আওয়ামী লীগ তাঁকে সংবর্ধনা দেয়নি। নেতা–কর্মীদের ইচ্ছা, তাঁকে একটা সংবর্ধনা দেওয়া। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী রাজি হননি।’
আজ রোববার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথসভায় এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
ঢাকা মহানগর উত্তর–দক্ষিণ শাখা ও ঢাকার আশপাশের জেলা শাখা এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে এ সভা করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৪ অক্টোবর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা পার্টি অফিসে বসে নিজেরা কিছু আলাপ আলোচনা করেছি। মহামারীর কারণে প্রধানমন্ত্রীর অনেকগুলো বিদেশ সফরের পরেও তাঁকে তাঁর প্রাপ্য সংবর্ধনা দিতে পারিনি। অনেকগুলো আন্তর্জাতিক পদ পেয়েছেন, অনেক জায়গায় বিশেষভাবে সংবর্ধিত হয়েছেন। তিনি যে সম্মান বয়ে এনেছেন এ জন্য একটা সংবর্ধনা তাঁকে দেওয়া উচিত। এটা আমরা মনে করেছি। আমাদের সকল নেতা–কর্মীদের অভিপ্রায়। সবাই এটা চাচ্ছেন।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়েছি। এ সময়ে এর গুরুত্বটা তাঁকে জানানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো সংবর্ধনা নিতে রাজি নন। তিনি পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, রাস্তা বন্ধ করে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে সংবর্ধনা নেওয়ার ইচ্ছে তাঁর নেই। কাজেই এ প্রোগ্রামটা বাদ দিতে হবে। তাঁর সম্মতি নেই, তাই আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
৩৪ মিনিট আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
৩৬ মিনিট আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১ ঘণ্টা আগে