নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ‘নতুন কর্মসূচি’ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
নতুন কর্মসূচি বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, ‘এখনো আমরা কর্মসূচির মধ্যেই আছি, আন্দোলনের মধ্যেই আছি। আমাদের সঙ্গের রাজনৈতিক দলগুলো আছে, তাদের সঙ্গে কথা বলার বিষয় আছে। সবার সঙ্গে কথা বলে কর্মসূচি ঠিক করে জানানো হবে।’
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘আন্দোলনের পরিপূর্ণতা, স্রোত আমরা যত বইয়ে দেব, স্রোতের ধারা যত আসবে ততই আন্দোলন পরিপূর্ণ হবে এবং তারা (সরকার) পরাজিত হবে। যুদ্ধ একাত্তর সালে শুরু হবে এটা কি ’৬২ সালে জানা গেছে, এটা কি ’৬৯ সালে জানা গেছে, এটা কি ’৭০ সালে জানা গেছে? জানা তো যায়নি। তাই কখন কোন পরিস্থিতি হবে—সেটা বলা যায় না। শুধু একটাই বলা যায়, জনগণের আন্দোলন, সেই আন্দোলন যদি আদর্শের হয়, ন্যায়ের হয়, গণতন্ত্রের পক্ষের হয়, সেই আন্দোলন কখনো বৃথা যাবে না।’
সরকারের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘অবৈধ সত্তা নিয়ে তারা (সরকার) যে আনন্দ করছেন, তাদের এই উৎসব একদিন জনগণের উৎসব হবে তাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে, তাদের পতনের মধ্য দিয়ে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন রিজভী।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, তাইফুল ইসলাম টিপু, তারিকুল ইসলাম তেনজিংসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ‘নতুন কর্মসূচি’ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
নতুন কর্মসূচি বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, ‘এখনো আমরা কর্মসূচির মধ্যেই আছি, আন্দোলনের মধ্যেই আছি। আমাদের সঙ্গের রাজনৈতিক দলগুলো আছে, তাদের সঙ্গে কথা বলার বিষয় আছে। সবার সঙ্গে কথা বলে কর্মসূচি ঠিক করে জানানো হবে।’
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে জানিয়ে রিজভী বলেন, ‘আন্দোলনের পরিপূর্ণতা, স্রোত আমরা যত বইয়ে দেব, স্রোতের ধারা যত আসবে ততই আন্দোলন পরিপূর্ণ হবে এবং তারা (সরকার) পরাজিত হবে। যুদ্ধ একাত্তর সালে শুরু হবে এটা কি ’৬২ সালে জানা গেছে, এটা কি ’৬৯ সালে জানা গেছে, এটা কি ’৭০ সালে জানা গেছে? জানা তো যায়নি। তাই কখন কোন পরিস্থিতি হবে—সেটা বলা যায় না। শুধু একটাই বলা যায়, জনগণের আন্দোলন, সেই আন্দোলন যদি আদর্শের হয়, ন্যায়ের হয়, গণতন্ত্রের পক্ষের হয়, সেই আন্দোলন কখনো বৃথা যাবে না।’
সরকারের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘অবৈধ সত্তা নিয়ে তারা (সরকার) যে আনন্দ করছেন, তাদের এই উৎসব একদিন জনগণের উৎসব হবে তাদের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে, তাদের পতনের মধ্য দিয়ে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ নেতা-কর্মীদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন রিজভী।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুস সালাম আজাদ, তাইফুল ইসলাম টিপু, তারিকুল ইসলাম তেনজিংসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও তাঁর একমাত্র কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যান তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে