নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হলে গণভোট ছাড়া কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের তৃতীয় দফা সভা শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আজকের সভায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারলে গণভোট ছাড়া উপায় নেই। সংবিধান পরিবর্তন, সংস্কার, সংশোধন, নতুন করে লেখা বা সংবিধান বাতিলের চূড়ান্ত ক্ষমতা হলো জনগণের। আমরা ঐক্যবদ্ধ মতামতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ তৈরি করেছি, হয়তো কয়েকটি বিষয়ে কারও কারও ‘‘নোট অব ডিসেন্ট’’ আছে। কিন্তু চূড়ান্ত কোনটা হবে তা নির্ধারণের মূল ক্ষমতা হলো জনগণের।’
ব্রিফিংয়ে মজিবুর রহমান মঞ্জু প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে যাঁরা আজ প্রশ্ন তুলছেন কাল তাঁরা সংসদে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবেন এবং এই সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না, তার নিশ্চয়তা কী?’
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক বলেন, সংবিধানে এটা নেই, ওটা নেই বলে সংবিধান সংস্কার করা যাবে না—এই ধারণাটি অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পরিপন্থী।
সানী আব্দুল হক বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি জুলাই সনদের বাস্তবায়নের পদ্ধতির প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান থেকে নমনীয় না হয়, তবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পুরো প্রচেষ্টা মুখথুবড়ে পড়বে, যা জাতিকে এক গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিবে। সুতরাং, জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা জরুরি, নতুবা গণভোট ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফ করেন দলের নেতারা।

জুলাই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হলে গণভোট ছাড়া কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
আজ বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের তৃতীয় দফা সভা শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আজকের সভায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারলে গণভোট ছাড়া উপায় নেই। সংবিধান পরিবর্তন, সংস্কার, সংশোধন, নতুন করে লেখা বা সংবিধান বাতিলের চূড়ান্ত ক্ষমতা হলো জনগণের। আমরা ঐক্যবদ্ধ মতামতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ তৈরি করেছি, হয়তো কয়েকটি বিষয়ে কারও কারও ‘‘নোট অব ডিসেন্ট’’ আছে। কিন্তু চূড়ান্ত কোনটা হবে তা নির্ধারণের মূল ক্ষমতা হলো জনগণের।’
ব্রিফিংয়ে মজিবুর রহমান মঞ্জু প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে যাঁরা আজ প্রশ্ন তুলছেন কাল তাঁরা সংসদে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবেন এবং এই সনদকে প্রশ্নবিদ্ধ করবেন না, তার নিশ্চয়তা কী?’
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার সানী আব্দুল হক বলেন, সংবিধানে এটা নেই, ওটা নেই বলে সংবিধান সংস্কার করা যাবে না—এই ধারণাটি অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পরিপন্থী।
সানী আব্দুল হক বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো যদি জুলাই সনদের বাস্তবায়নের পদ্ধতির প্রশ্নে নিজেদের অবস্থান থেকে নমনীয় না হয়, তবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পুরো প্রচেষ্টা মুখথুবড়ে পড়বে, যা জাতিকে এক গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিবে। সুতরাং, জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা জরুরি, নতুবা গণভোট ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফ করেন দলের নেতারা।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
১৫ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে নাম উল্লেখ না করে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের উদ্দেশে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা যদি জনপ্রতিনিধি হতে চান, তাহলে প্রকৃত অর্থে প্রথমে এককভাবে বাংলাদেশের নাগরিক হন। আমরা কোনো বিদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে নির্বাচন করতে দেব না। যদি নির্বাচন কমিশন এ ক্ষেত্রে সংবিধান লঙ্ঘন করার...
২ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সব শহীদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বাধা-নিষেধের কারণে এখনই তা তুলে ধরতে পারেননি দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘সকল শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণীয় করে রাখতে আগামী দিনে বিএনপি কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেছেন, খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন, তিনি ছিলেন প্রতিহিংসাহীন রাজনীতির প্রতীক এবং গণতন্ত্রের প্রকৃত চর্চাকারী এক মহান রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর চিন্তা, কাজ, দক্ষতা এবং সর্বোপরি মানুষের প্রতি ভালোবাসাই তাঁকে এই উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে