নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজনীতির আলোচনায় একটি বহু চর্চিত ধারণা হচ্ছে, দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আচরণগত দিক থেকে একই। এই দুই দল মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ।
আজ রোববার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্নের মুখোমুখিই হয়েছিলেন দলটির বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তবে তিনি বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে একই বাটখারায় মাপতে নারাজ। তাঁর মতে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ–বিএনপি মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ—এটি একটা পরিকল্পিত প্রচারণা, অপপ্রচার। এটা করেই তারা যারা দুষ্টু, যারা ফায়দা লুটতে চায়। বিএনপি আর আওয়ামী লীগের তুলনা হতেই পারে না। কারণ, আওয়ামী লীগ কোনো গণতান্ত্রিক দল নয়, গণতন্ত্রবিরোধী, গণতন্ত্র হত্যাকারী একটা দল। আর বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রকে জীবন্ত করার দল।
এ সময় সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচনকেও গুরুত্ব দেওয়া দরকার কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার। সংস্কার কমিশনও করা হয়েছে। আমার তো মনে হয়, এটা দুই মাসও লাগার কথা না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলছি, নির্বাচনকেন্দ্রিক যে সংস্কারগুলো প্রয়োজন, অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগের কথাই আমরা বলেছি। অন্যান্য সংস্কারগুলো যে সরকার আসবে, সময়মতো করবে।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কী? আমরা ফ্যাসিবাদকে সরিয়েছি, হাসিনাকে সরিয়েছি। এখন একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আছে, যে সরকার অতিদ্রুত আমাদের সবার মতামত নিয়ে একটি সংস্কারের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে যাবে। যে নির্বাচনটা অবাধ–নিরপেক্ষ হবে, জনগণের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। সেখানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। আমি একটু খোলামেলা বলছি, অনেক সময় দেখা যায় যে অত্যন্ত দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলেরা এমন এমন কথা বলেছেন যে তা সামগ্রিক ঐক্যের জন্য উপযোগী নয়। এটা একটা সমস্যা। আরেকটা সমস্যা হচ্ছে, এই প্রশাসন এখন পর্যন্ত ফ্যাসিবাদমুক্ত হতে পারেনি। এর প্রধান কারণ হচ্ছে, ফ্যাসিবাদ এত গভীরে চলে গিয়েছিল যে সেখান থেকে এখন ফ্যাসিবাদবিরোধী লোকজনকেও খুঁজে বের করা কঠিন।’
শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে যে অশান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে, এই পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ফ্যাসিবাদের দোসরদেরই ইঙ্গিত আছে। এটা পরিষ্কার হয়েছে, বোঝা যাচ্ছে। এই জিনিসগুলো থেকে মনে হচ্ছে যে, একটা চক্রান্ত চলছে। সীমান্তের ওপার থেকে কথিত ফ্যাসিবাদী হাসিনার অডিও-অডিও ফাঁস করে দেওয়া হয়, যেগুলোতে বিভ্রান্তিকর খবর থাকে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের সবচেয়ে যেটা প্রয়োজন যে, ঐক্য অটুট রাখা, ধৈর্য রাখা, এই সরকারের সমস্ত কাজকে সমর্থন দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা।’
সংবাদ সম্মেলনে জুলাই–আগস্টের আন্দোলনে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ৪২২ জন নেতা, কর্মী ও সমর্থক নিহত হয়েছেন বলেও জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, নিহতদের নাম, পরিচয় ও ঠিকানা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাঁদের তালিকা বিএনপির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই–আগস্টের গণহত্যায় সারা দেশে ৮৭৫ জন শহীদ হন। এর মধ্যে কমপক্ষে ৪২২ জন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দেশজুড়ে শহীদ হওয়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা-রাজনীতির মানুষের মধ্যে একটা বড় অংশ যে বিএনপির নেতা-কর্মী, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং তা তাঁদের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের অনিবার্য ফল।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আবদুল মঈন খান, সালাউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

রাজনীতির আলোচনায় একটি বহু চর্চিত ধারণা হচ্ছে, দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আচরণগত দিক থেকে একই। এই দুই দল মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ।
আজ রোববার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই প্রশ্নের মুখোমুখিই হয়েছিলেন দলটির বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তবে তিনি বিএনপি ও আওয়ামী লীগকে একই বাটখারায় মাপতে নারাজ। তাঁর মতে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ–বিএনপি মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ—এটি একটা পরিকল্পিত প্রচারণা, অপপ্রচার। এটা করেই তারা যারা দুষ্টু, যারা ফায়দা লুটতে চায়। বিএনপি আর আওয়ামী লীগের তুলনা হতেই পারে না। কারণ, আওয়ামী লীগ কোনো গণতান্ত্রিক দল নয়, গণতন্ত্রবিরোধী, গণতন্ত্র হত্যাকারী একটা দল। আর বিএনপি হচ্ছে গণতন্ত্রকে জীবন্ত করার দল।
এ সময় সংস্কারের পাশাপাশি নির্বাচনকেও গুরুত্ব দেওয়া দরকার কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার। সংস্কার কমিশনও করা হয়েছে। আমার তো মনে হয়, এটা দুই মাসও লাগার কথা না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলছি, নির্বাচনকেন্দ্রিক যে সংস্কারগুলো প্রয়োজন, অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিচার বিভাগের কথাই আমরা বলেছি। অন্যান্য সংস্কারগুলো যে সরকার আসবে, সময়মতো করবে।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন কী? আমরা ফ্যাসিবাদকে সরিয়েছি, হাসিনাকে সরিয়েছি। এখন একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আছে, যে সরকার অতিদ্রুত আমাদের সবার মতামত নিয়ে একটি সংস্কারের মধ্য দিয়ে নির্বাচনে যাবে। যে নির্বাচনটা অবাধ–নিরপেক্ষ হবে, জনগণের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর হবে। সেখানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। আমি একটু খোলামেলা বলছি, অনেক সময় দেখা যায় যে অত্যন্ত দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলেরা এমন এমন কথা বলেছেন যে তা সামগ্রিক ঐক্যের জন্য উপযোগী নয়। এটা একটা সমস্যা। আরেকটা সমস্যা হচ্ছে, এই প্রশাসন এখন পর্যন্ত ফ্যাসিবাদমুক্ত হতে পারেনি। এর প্রধান কারণ হচ্ছে, ফ্যাসিবাদ এত গভীরে চলে গিয়েছিল যে সেখান থেকে এখন ফ্যাসিবাদবিরোধী লোকজনকেও খুঁজে বের করা কঠিন।’
শিল্পাঞ্চলে অস্থিরতার প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে যে অশান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে, এই পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ফ্যাসিবাদের দোসরদেরই ইঙ্গিত আছে। এটা পরিষ্কার হয়েছে, বোঝা যাচ্ছে। এই জিনিসগুলো থেকে মনে হচ্ছে যে, একটা চক্রান্ত চলছে। সীমান্তের ওপার থেকে কথিত ফ্যাসিবাদী হাসিনার অডিও-অডিও ফাঁস করে দেওয়া হয়, যেগুলোতে বিভ্রান্তিকর খবর থাকে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের সবচেয়ে যেটা প্রয়োজন যে, ঐক্য অটুট রাখা, ধৈর্য রাখা, এই সরকারের সমস্ত কাজকে সমর্থন দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা।’
সংবাদ সম্মেলনে জুলাই–আগস্টের আন্দোলনে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ৪২২ জন নেতা, কর্মী ও সমর্থক নিহত হয়েছেন বলেও জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, নিহতদের নাম, পরিচয় ও ঠিকানা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাঁদের তালিকা বিএনপির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই–আগস্টের গণহত্যায় সারা দেশে ৮৭৫ জন শহীদ হন। এর মধ্যে কমপক্ষে ৪২২ জন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দেশজুড়ে শহীদ হওয়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা-রাজনীতির মানুষের মধ্যে একটা বড় অংশ যে বিএনপির নেতা-কর্মী, তা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। বরং তা তাঁদের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের অনিবার্য ফল।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আবদুল মঈন খান, সালাউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
৪ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় পার্টি (জাপা), কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল এবং জাতীয় পার্টির একাধিক অংশের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফ) প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দিয়েছে ‘জুলাই ঐক্য’ নামের একটি সংগঠন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন
৪ ঘণ্টা আগে