নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ হেরে যাবে এই ভয়ে এই সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি আয়োজিত ২ মার্চ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবসের ৫১তম বছর ও ‘বাঙালির তৃতীয় জাগরণের মাইলফলক’ শীর্ষক এক স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘নৌকা ডুবে যাবে সে জন্যই আওয়ামী লীগ সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে চায় না। ৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তারপরেও ভয় তারা দেশ ছেড়ে কোথায় যাবেন। ভারতের দরজা ও তাদের জন্য খোলা থাকবে না। আমি কিন্তু তা চাই না, আমি চাই আমরা সবাই শান্তিতে এ দেশেই থাকব।’
জাফরুল্লাহ বলেন, ‘২ রা মার্চ এর ইতিহাসকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস হয় না। ২ রা মার্চকে স্বীকার না করলে মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা হয়। খণ্ডিত ইতিহাস লিখে, বলে বঙ্গবন্ধুকে আরও ছোট করা হচ্ছে। আমি এক বছর ধরে বলছি যে অন্তত দুই বছরের জন্য হলেও জাতীয় সরকার প্রয়োজন। এই দেশে কোন ক্রমে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।’
আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘২ রা মার্চ একটা ইতিহাস। কিন্তু এই সরকার প্রতারক, ভণ্ড ও ভোট চোর সরকার। এরা সকল ইতিহাস গিলে খাওয়ার চেষ্টা করছে। এই সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন নয়। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারের পতন হবে।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার বললেন তাঁর ওপর কোন রাজনৈতিক চাপ নেই। তাতে বোঝা যায় তাকে যেভাবে বলা হবে সেভাবেই তিনি নির্বাচন করবেন। আমরা এই নির্বাচন কমিশন মানি না। আওয়ামী লীগ প্রচলিত ৭২ সালের রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আর এই দেশে চলবে না।’
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক সাইফুল হক বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার বললেন এইবার দিনের ভোট রাতে হবে না। অর্থাৎ তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন দিনের ভোট রাতে হয়েছে। এবার আর এমন হতে দেওয়া হবে না। সরকার এখন গাছের পাতা পড়ার শব্দেও ভয় পাচ্ছে।’
আলোচনায় সভায় সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, ‘এই সরকার দেশ, মুক্তিযুদ্ধ, পতাকা সব খেয়ে ফেলছে। আমি ২ রা মার্চ নিয়ে একটা কথাও বলব না। মুক্তিযুদ্ধকে পারিবারিক ও দলীয় সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে তারা। ভাসানী, তাজউদ্দীন, সিরাজুল আলম খান, কাদের সিদ্দিকীর নাম কোথাও উচ্চারিত হয় না। এই সরকারের অধীনে আর কোন নির্বাচন করব না।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, গণফোরাম নেতা মোস্তফা মহসিন মন্টু, সুব্রত চৌধুরী, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ প্রমুখ।

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ হেরে যাবে এই ভয়ে এই সরকার সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। আজ বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি আয়োজিত ২ মার্চ ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবসের ৫১তম বছর ও ‘বাঙালির তৃতীয় জাগরণের মাইলফলক’ শীর্ষক এক স্মৃতিচারণমূলক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘নৌকা ডুবে যাবে সে জন্যই আওয়ামী লীগ সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে চায় না। ৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তারপরেও ভয় তারা দেশ ছেড়ে কোথায় যাবেন। ভারতের দরজা ও তাদের জন্য খোলা থাকবে না। আমি কিন্তু তা চাই না, আমি চাই আমরা সবাই শান্তিতে এ দেশেই থাকব।’
জাফরুল্লাহ বলেন, ‘২ রা মার্চ এর ইতিহাসকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস হয় না। ২ রা মার্চকে স্বীকার না করলে মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করা হয়। খণ্ডিত ইতিহাস লিখে, বলে বঙ্গবন্ধুকে আরও ছোট করা হচ্ছে। আমি এক বছর ধরে বলছি যে অন্তত দুই বছরের জন্য হলেও জাতীয় সরকার প্রয়োজন। এই দেশে কোন ক্রমে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।’
আলোচনা সভায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘২ রা মার্চ একটা ইতিহাস। কিন্তু এই সরকার প্রতারক, ভণ্ড ও ভোট চোর সরকার। এরা সকল ইতিহাস গিলে খাওয়ার চেষ্টা করছে। এই সরকারের অধীনে কোন নির্বাচন নয়। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সরকারের পতন হবে।’
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার বললেন তাঁর ওপর কোন রাজনৈতিক চাপ নেই। তাতে বোঝা যায় তাকে যেভাবে বলা হবে সেভাবেই তিনি নির্বাচন করবেন। আমরা এই নির্বাচন কমিশন মানি না। আওয়ামী লীগ প্রচলিত ৭২ সালের রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আর এই দেশে চলবে না।’
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক সাইফুল হক বলেন, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার বললেন এইবার দিনের ভোট রাতে হবে না। অর্থাৎ তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন দিনের ভোট রাতে হয়েছে। এবার আর এমন হতে দেওয়া হবে না। সরকার এখন গাছের পাতা পড়ার শব্দেও ভয় পাচ্ছে।’
আলোচনায় সভায় সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, ‘এই সরকার দেশ, মুক্তিযুদ্ধ, পতাকা সব খেয়ে ফেলছে। আমি ২ রা মার্চ নিয়ে একটা কথাও বলব না। মুক্তিযুদ্ধকে পারিবারিক ও দলীয় সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছে তারা। ভাসানী, তাজউদ্দীন, সিরাজুল আলম খান, কাদের সিদ্দিকীর নাম কোথাও উচ্চারিত হয় না। এই সরকারের অধীনে আর কোন নির্বাচন করব না।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, গণফোরাম নেতা মোস্তফা মহসিন মন্টু, সুব্রত চৌধুরী, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
৪ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
৮ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১১ ঘণ্টা আগে