
গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া ও সদস্যসচিব নুরুল হক নুরের দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে। গতকাল সোমবার দলের সদস্যসচিব নুরুল হক নুরের সভাপতিত্বে গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খানকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হয়। এই ঘটনার এক দিন পরই গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর ও রাশেদ খানকে দল থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন রেজা কিবরিয়া।
অব্যাহতির বিষয়ে নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘তিনি দেশের বাইরে থেকে এই ধরনের অব্যাহতি বা পদক্ষেপ নিতে পারেন না। এটা একটা মনগড়া পদক্ষেপ। গণ অধিকার পরিষদে তাঁর কোনো ভিত্তি নেই। গণ অধিকার পরিষদ তরুণদের দ্বারা গঠিত সংগঠন। গণ অধিকার পরিষদ তৈরি হওয়ার আগেই বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ছাত্র, যুব, শ্রমিক, প্রবাসী, পেশাজীবী সংগঠন তৈরি হয়েছে। তাতে রেজা কিবরিয়ার বিন্দুমাত্র কোনো অবদান নেই। সুতরাং তিনি গণ অধিকার পরিষদের সংগঠকদের বহিষ্কার বা অব্যাহতি দিতে পারেন না।’
এর আগে এক বিজ্ঞপ্তিতে রেজা কিবরিয়া বলেন, গণ অধিকার পরিষদের গঠনতন্ত্র, ২১ দফা কর্মসূচি, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এবং মূলনীতিবিরোধী কাজ করা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান মানি লন্ডারিং আইন ও সন্ত্রাসবিরোধী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠা, ইসরায়েলসহ বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ, অনৈতিক আর্থিক লেনদেন, গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করে সভা আয়োজন ও অবৈধভাবে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনোনয়ন করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতাদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক পোস্ট নিয়ে দলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে গণ অধিকার পরিষদের সদস্যসচিব মো. নুরুল হক নুরকে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হলো।
নুরের পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা রাশেদ খান প্রসঙ্গে বলা হয়, একই সঙ্গে এই প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করায় কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির ১ নং যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রাশেদ খানকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হলো। উভয়কে দলের দপ্তর বরাবর আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হলো।
বিগত কয়েক মাস ধরেই গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া ও সদস্যসচিব নুরুল হক নুরের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে। রেজা কিবরিয়ার অভিযোগ, নুরের কাছে আসা টাকার হিসাব তাঁর কাছে চাওয়া হলেও তিনি দিচ্ছেন না। অন্যদিকে নুরের অভিযোগ, ইনসাফ কায়েম কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ এবং সংগঠনবিরোধী নানা তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত রেজা কিবরিয়া। ইতিমধ্যে দলের শীর্ষ এই দুই নেতার দ্বন্দ্বে দলে ভাঙনের আশঙ্কা দেখা গেছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে ২২ জানুয়ারি। সেদিন থেকেই প্রধান দলগুলোর প্রার্থী তথা নেতারা প্রতিপক্ষকে কথার যুদ্ধে ঘায়েল করতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। তবে নির্বাচনী প্রচারণা একটি সপ্তাহ পেরোতেই মাঠের রাজনীতির কৌশলগত রূপান্তর চোখে পড়ছে।
২ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করা হবে। তাঁদের হাতে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। অন্তত এক ফসলের বীজ ও কীটনাশক বিনা মূল্যে দেওয়া হবে। এ ছাড়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধানের শীষের সঙ্গে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রংপুর কালেক্টরেট মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রংপুর বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এই আহ্বান জানান।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল সফরে আসছেন। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
৮ ঘণ্টা আগে