নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির ও নুরুল ইসলাম জিহাদীকে মহাসচিব করে ৩৩ সদস্যের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছেন হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির নেতারা। আজ সোমবার রাজধানীর আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম খিলগাঁও মাদ্রাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে নুরুল ইসলাম জিহাদী এ কমিটি ঘোষণা করেন।
বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীসহ নারী কেলেঙ্কারি, মামলা ও বিতর্ক জন্ম দেওয়া নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটির ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন আল্লামা শফীর বড় ছেলে ইউসুফ মাদানী। তাঁকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। কিন্তু শফীপন্থী হিসেবে পরিচিত কেউই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।
গত ২৫ এপ্রিল এক ভিডিও বার্তায় হেফাজতে ইসলামের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন তখনকার আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। ওই রাতেই বাবুনগরীকে আহ্বায়ক ও নুরুল ইসলাম জেহাদীকে সদস্যসচিব করে পাঁচ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি করা হয়।
সম্প্রতি মোদি বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে নানা কারণে দিশেহারা হয়ে যায় হেফাজতে ইসলাম। সংগঠনটির শীর্ষ নেতারাসহ অনেক নেতা কর্মী এখনো কারাগারে আছেন। আরও অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সরকারের সঙ্গে নানাভাবে সমঝোতার চেষ্টা করেছে তাঁরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় একাধিকবার আসা-যাওয়া করেছেন সংগঠনটির নেতারা। শফীপন্থী হিসেবে পরিচিত অংশটিও এই সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসেছে। ধারণা করা হচ্ছিল দুটি অংশের সমন্বয়েই নতুন কমিটি হবে।
এর আগে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর বাবুনগরীকে আমির করে ১৫১ সদস্যের কমিটি করা হয়। সেখানে আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানির অনুসারী হিসেবে পরিচিত হেফাজত নেতাদের কাউকে রাখা হয়নি। নতুন কমিটিতেও তাদের কাউকে রাখা হয়নি বলে জানান শফীপন্থী নেতারা।
২ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবে বাবুনগরীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শফীপন্থী নেতারা। সেখানে সাবেক হেফাজত নেতা নুরুল ইসলাম জাদীদ বলেন, ‘গঠনতন্ত্রে না থাকলেও এককভাবেই তিনি (বাবুনগরী) নিয়ম বহির্ভূত পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছেন। এই আহ্বায়ক কমিটিই আবারও নিজেদের পছন্দমাফিক লোকদের দিয়ে নতুন কমিটি জন্ম দেওয়ার নীলনকশা চূড়ান্ত করছে।’

ঢাকা: জুনায়েদ বাবুনগরীকে আমির ও নুরুল ইসলাম জিহাদীকে মহাসচিব করে ৩৩ সদস্যের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করেছেন হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির নেতারা। আজ সোমবার রাজধানীর আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম খিলগাঁও মাদ্রাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে নুরুল ইসলাম জিহাদী এ কমিটি ঘোষণা করেন।
বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীসহ নারী কেলেঙ্কারি, মামলা ও বিতর্ক জন্ম দেওয়া নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটির ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন আল্লামা শফীর বড় ছেলে ইউসুফ মাদানী। তাঁকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে। কিন্তু শফীপন্থী হিসেবে পরিচিত কেউই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।
গত ২৫ এপ্রিল এক ভিডিও বার্তায় হেফাজতে ইসলামের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন তখনকার আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। ওই রাতেই বাবুনগরীকে আহ্বায়ক ও নুরুল ইসলাম জেহাদীকে সদস্যসচিব করে পাঁচ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি করা হয়।
সম্প্রতি মোদি বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে নানা কারণে দিশেহারা হয়ে যায় হেফাজতে ইসলাম। সংগঠনটির শীর্ষ নেতারাসহ অনেক নেতা কর্মী এখনো কারাগারে আছেন। আরও অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে সরকারের সঙ্গে নানাভাবে সমঝোতার চেষ্টা করেছে তাঁরা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় একাধিকবার আসা-যাওয়া করেছেন সংগঠনটির নেতারা। শফীপন্থী হিসেবে পরিচিত অংশটিও এই সময়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসেছে। ধারণা করা হচ্ছিল দুটি অংশের সমন্বয়েই নতুন কমিটি হবে।
এর আগে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুর পর গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর বাবুনগরীকে আমির করে ১৫১ সদস্যের কমিটি করা হয়। সেখানে আহমদ শফীর ছেলে আনাস মাদানির অনুসারী হিসেবে পরিচিত হেফাজত নেতাদের কাউকে রাখা হয়নি। নতুন কমিটিতেও তাদের কাউকে রাখা হয়নি বলে জানান শফীপন্থী নেতারা।
২ জুন জাতীয় প্রেসক্লাবে বাবুনগরীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শফীপন্থী নেতারা। সেখানে সাবেক হেফাজত নেতা নুরুল ইসলাম জাদীদ বলেন, ‘গঠনতন্ত্রে না থাকলেও এককভাবেই তিনি (বাবুনগরী) নিয়ম বহির্ভূত পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছেন। এই আহ্বায়ক কমিটিই আবারও নিজেদের পছন্দমাফিক লোকদের দিয়ে নতুন কমিটি জন্ম দেওয়ার নীলনকশা চূড়ান্ত করছে।’

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২৩ মিনিট আগে
আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান ও ইভারস আইজাবস বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশের একজন ক্রিকেটারকে অপমানের মাধ্যমে মূলত পুরো দেশকে অপমান করা হয়েছে।’ ক্রিকেটের সঙ্গে দেশের সম্মান জড়িত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত। তবে ছোটখাটো বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার পথ খোলা রাখা উচিত।’
৪ ঘণ্টা আগে