নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজনীতিবিদেরা যদি জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ কখনোই সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সংলাপ আয়োজিত হয়।
সংলাপে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি করার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদেরই। রাজনৈতিক নেতৃত্ব যদি জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ কখনোই সম্ভব হবে না। এই আস্থা শুধু নির্বাচনী প্রচারণা বা প্রতিশ্রুতিপত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বাস্তবায়ন ও জবাবদিহির মাধ্যমেই তা প্রমাণিত হতে হবে।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের নিজেদের উদ্যোগেই জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। কেউ তাঁদের জন্য এটি করে দিতে পারবে না। রাজনৈতিক নেতৃত্বের জবাবদিহি ও দায়িত্বশীলতা যত বেশি শক্তিশালী হবে, দেশ তত বেশি গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল হবে। সব রাজনৈতিক দলকে এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোয় দীর্ঘদিন ধরে জবাবদিহির অভাব এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণের সমস্যার কথা তুলে ধরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনী ইশতেহার কেবল প্রতিশ্রুতির কাগজে সীমাবদ্ধ থাকলে জনগণের আস্থা তৈরি হবে না; বাস্তবায়ন এবং জনগণকে ফলপ্রসূ জবাব দেওয়াই আসল চ্যালেঞ্জ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, ‘দেশের নাগরিক সমাজ, এনজিও, বেসরকারি খাত এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব ছাড়া জাতীয় সমস্যা সমাধান এবং নীতি বাস্তবায়ন কার্যকরভাবে সম্ভব নয়। পার্লামেন্টের বাইরে সিভিল সোসাইটি, এনজিও ও জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সরকার প্রকৃত জবাবদিহিতা ও জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবে না।’
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘আমরা মনে করি, বাংলাদেশের বর্তমান উত্তরণের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন একটি সুষ্ঠু কার্যকর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। নির্বাচন এখন অত্যন্ত একটি প্রয়োজনীয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে।’
জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় এখনো পেশিশক্তি ও ব্যবসায়ীরা অগ্রাধিকার পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক রওনক জাহান। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো যে প্রক্রিয়ায় মনোনয়ন দিচ্ছে, সেখানে আগের প্রক্রিয়া থেকে কতটুকু পরিবর্তন হয়েছে, মাঠ পর্যায়ের মতামতের ভিত্তিতে দেওয়া হচ্ছে কি না? গত এক বছরে কতটুকু পরিবর্তন আনতে পেরেছে? এখনো পেশিশক্তি ও ব্যবসায়ী প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাচ্ছে বলেই মনে হয়েছে।’
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা বলেন, ‘জনগণ পরিবর্তন চায়। তারা পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আর গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়। এই পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই আমি আমার দল থেকে সরে এসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
সংলাপে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম বলেন, ‘আজ যদি ২ হাজার টাকায় ভোট বিক্রি করেন, তবে আগামী পাঁচ বছরে আপনার ভাগের অন্তত ২০০ কোটি টাকা বিভিন্নভাবে এস্টাবলিশমেন্টের পকেটে চলে যাবে।’
বাংলাদেশ কমিউনিটি পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন বলেন, ‘জুলাই সনদ ৭২–এর সংবিধানের চার মূলনীতি সংরক্ষণের গ্যারান্টি দেয়নি। সেই কারণে আমরা এই সনদ স্বাক্ষর করিনি এবং আমরা মনে করি, যে গণভোটটা হচ্ছে এটা অপ্রয়োজনীয়। এই অপ্রয়োজনীয় গণভোটে কমিউনিস্ট পার্টি অংশগ্রহণ করতে পারে না।’
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘বাংলাদেশে যদি কোনো এমপি নাও থাকে। শুধু আমাদের যে রাষ্ট্র কাঠামো ব্যবস্থাপনা আছে, ডিসি-এসপিরা যদি সৎ হয়। বিভিন্ন বিভাগ, পরিদপ্তর, অধিদপ্তর যে যেখানে আছে—হেলথ সেক্টর, এডুকেশন সেক্টর, তারা যদি সৎ হয় তাহলে রাষ্ট্র ৬০-৭০ ভাগ সুন্দরভাবে চলবে।’
ডিসি-এসপিসহ আমলাদের কাজে রাজনীতিবিদদের হস্তক্ষেপ না করার বিষয়েও আলোকপাত করেন তিনি।

রাজনীতিবিদেরা যদি জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ কখনোই সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ সংলাপ আয়োজিত হয়।
সংলাপে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘রাজনীতিবিদদের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি করার দায়িত্ব রাজনীতিবিদদেরই। রাজনৈতিক নেতৃত্ব যদি জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ কখনোই সম্ভব হবে না। এই আস্থা শুধু নির্বাচনী প্রচারণা বা প্রতিশ্রুতিপত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বাস্তবায়ন ও জবাবদিহির মাধ্যমেই তা প্রমাণিত হতে হবে।’
বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের নিজেদের উদ্যোগেই জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে। কেউ তাঁদের জন্য এটি করে দিতে পারবে না। রাজনৈতিক নেতৃত্বের জবাবদিহি ও দায়িত্বশীলতা যত বেশি শক্তিশালী হবে, দেশ তত বেশি গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল হবে। সব রাজনৈতিক দলকে এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামোয় দীর্ঘদিন ধরে জবাবদিহির অভাব এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণের সমস্যার কথা তুলে ধরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনী ইশতেহার কেবল প্রতিশ্রুতির কাগজে সীমাবদ্ধ থাকলে জনগণের আস্থা তৈরি হবে না; বাস্তবায়ন এবং জনগণকে ফলপ্রসূ জবাব দেওয়াই আসল চ্যালেঞ্জ।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরও বলেন, ‘দেশের নাগরিক সমাজ, এনজিও, বেসরকারি খাত এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব ছাড়া জাতীয় সমস্যা সমাধান এবং নীতি বাস্তবায়ন কার্যকরভাবে সম্ভব নয়। পার্লামেন্টের বাইরে সিভিল সোসাইটি, এনজিও ও জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সরকার প্রকৃত জবাবদিহিতা ও জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবে না।’
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, ‘আমরা মনে করি, বাংলাদেশের বর্তমান উত্তরণের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন একটি সুষ্ঠু কার্যকর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। নির্বাচন এখন অত্যন্ত একটি প্রয়োজনীয় বিষয়ে পরিণত হয়েছে।’
জাতীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় এখনো পেশিশক্তি ও ব্যবসায়ীরা অগ্রাধিকার পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক রওনক জাহান। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো যে প্রক্রিয়ায় মনোনয়ন দিচ্ছে, সেখানে আগের প্রক্রিয়া থেকে কতটুকু পরিবর্তন হয়েছে, মাঠ পর্যায়ের মতামতের ভিত্তিতে দেওয়া হচ্ছে কি না? গত এক বছরে কতটুকু পরিবর্তন আনতে পেরেছে? এখনো পেশিশক্তি ও ব্যবসায়ী প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাচ্ছে বলেই মনে হয়েছে।’
ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা বলেন, ‘জনগণ পরিবর্তন চায়। তারা পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আর গ্রহণ করতে প্রস্তুত নয়। এই পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা থেকেই আমি আমার দল থেকে সরে এসে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
সংলাপে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম বলেন, ‘আজ যদি ২ হাজার টাকায় ভোট বিক্রি করেন, তবে আগামী পাঁচ বছরে আপনার ভাগের অন্তত ২০০ কোটি টাকা বিভিন্নভাবে এস্টাবলিশমেন্টের পকেটে চলে যাবে।’
বাংলাদেশ কমিউনিটি পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন বলেন, ‘জুলাই সনদ ৭২–এর সংবিধানের চার মূলনীতি সংরক্ষণের গ্যারান্টি দেয়নি। সেই কারণে আমরা এই সনদ স্বাক্ষর করিনি এবং আমরা মনে করি, যে গণভোটটা হচ্ছে এটা অপ্রয়োজনীয়। এই অপ্রয়োজনীয় গণভোটে কমিউনিস্ট পার্টি অংশগ্রহণ করতে পারে না।’
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘বাংলাদেশে যদি কোনো এমপি নাও থাকে। শুধু আমাদের যে রাষ্ট্র কাঠামো ব্যবস্থাপনা আছে, ডিসি-এসপিরা যদি সৎ হয়। বিভিন্ন বিভাগ, পরিদপ্তর, অধিদপ্তর যে যেখানে আছে—হেলথ সেক্টর, এডুকেশন সেক্টর, তারা যদি সৎ হয় তাহলে রাষ্ট্র ৬০-৭০ ভাগ সুন্দরভাবে চলবে।’
ডিসি-এসপিসহ আমলাদের কাজে রাজনীতিবিদদের হস্তক্ষেপ না করার বিষয়েও আলোকপাত করেন তিনি।

কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি নেওয়াজ খান বাপ্পিসহ ২৮ জন সহসভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলামসহ ২৫ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহসভাপতি পদমর্যাদায় দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী ত্বোহা, প্রচার সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, অর্থ সম্পাদক পদে রয়েছেন তারেক আজাদ।
৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
১৬ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
১৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
২০ ঘণ্টা আগে