নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অন্তর্বর্তী সরকারের জুলাই ঘোষণাপত্রকে ‘সাধুবাদ’ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে ঘোষণাপত্র ‘পরিপূর্ণ’ নয় বলেও জানিয়েছে দলটি। দলটি বলেছে, ‘আরও কিছু বিষয় উল্লেখ থাকলে’ ঘোষণাপত্র ‘পরিপূর্ণ হতো।’ আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
আখতার হোসেন বলেন, ‘বহুল আকাঙ্ক্ষিত জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়েছে। আমরা সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। কিছু বিষয় তা যদি ঘোষণাপত্রের মধ্যে উল্লেখ থাকত তাহলে এই ঘোষণাপত্র আরও পরিপূর্ণ হতে বলে আমাদের মনে হয়।’
তিনি বলেন, ‘ঘোষণাপত্রে উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ৪৭—এর কথা এখানে উল্লেখ করা হয়নি। ঘোষণাপত্রে শহীদের সংখ্যার ব্যাপারে “প্রায় ১০০০” শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৪০০ জন মানুষ শহীদ হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান আমাদের সকলের জানা।’
এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, ‘গত এক বছর ধরে সরকার যে শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়েছে, আহতদের সংখ্যা নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়েছে—তার একটা ছাপ ঘোষণাপত্রের মধ্যে দেখতে পেলাম।’ এ ছাড়া, ঘোষণাপত্রে শাপলা গণহত্যা, জুডিশিয়াল কিলিং, ভ্যাট বিরোধী আন্দোলন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, মোদি বিরোধী আন্দোলনের কথা উল্লেখ থাকলে ঘোষণাপত্র পরিপূর্ণ হতো বলে জানান তিনি।
আখতার বলেন, ‘এই ঘোষণাপত্রের ২৫ এবং ২৭ নম্বর পয়েন্টে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারের সংবিধানের তফসিলে ঘোষণাপত্রকে উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে একটি নতুন সংবিধানের দাবি জানিয়ে আসছি। সে লক্ষে গণপরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সংবিধান পুনর্লিখনের দাবি আমরা সরকারের কাছে করে এসেছি।’
জুলাই সনদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল থেকেই বাস্তবায়ন করতে হবে উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘এলএফও (লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডার) করে এটাকে কার্যকর করতে হবে এবং এই জুলাই সনদ এবং ঘোষণাপত্রের কার্যকারিতার ভিত্তিতে সামনের জাতীয় সামনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন—জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত, যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন, যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক প্রমুখ।

অন্তর্বর্তী সরকারের জুলাই ঘোষণাপত্রকে ‘সাধুবাদ’ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে ঘোষণাপত্র ‘পরিপূর্ণ’ নয় বলেও জানিয়েছে দলটি। দলটি বলেছে, ‘আরও কিছু বিষয় উল্লেখ থাকলে’ ঘোষণাপত্র ‘পরিপূর্ণ হতো।’ আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
আখতার হোসেন বলেন, ‘বহুল আকাঙ্ক্ষিত জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়েছে। আমরা সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই। কিছু বিষয় তা যদি ঘোষণাপত্রের মধ্যে উল্লেখ থাকত তাহলে এই ঘোষণাপত্র আরও পরিপূর্ণ হতে বলে আমাদের মনে হয়।’
তিনি বলেন, ‘ঘোষণাপত্রে উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ৪৭—এর কথা এখানে উল্লেখ করা হয়নি। ঘোষণাপত্রে শহীদের সংখ্যার ব্যাপারে “প্রায় ১০০০” শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৪০০ জন মানুষ শহীদ হয়েছেন। এই পরিসংখ্যান আমাদের সকলের জানা।’
এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, ‘গত এক বছর ধরে সরকার যে শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়েছে, আহতদের সংখ্যা নির্ণয় করতে ব্যর্থ হয়েছে—তার একটা ছাপ ঘোষণাপত্রের মধ্যে দেখতে পেলাম।’ এ ছাড়া, ঘোষণাপত্রে শাপলা গণহত্যা, জুডিশিয়াল কিলিং, ভ্যাট বিরোধী আন্দোলন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, মোদি বিরোধী আন্দোলনের কথা উল্লেখ থাকলে ঘোষণাপত্র পরিপূর্ণ হতো বলে জানান তিনি।
আখতার বলেন, ‘এই ঘোষণাপত্রের ২৫ এবং ২৭ নম্বর পয়েন্টে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত সরকারের সংবিধানের তফসিলে ঘোষণাপত্রকে উল্লেখ করার কথা বলা হয়েছে। আমরা দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে একটি নতুন সংবিধানের দাবি জানিয়ে আসছি। সে লক্ষে গণপরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সংবিধান পুনর্লিখনের দাবি আমরা সরকারের কাছে করে এসেছি।’
জুলাই সনদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল থেকেই বাস্তবায়ন করতে হবে উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘এলএফও (লিগ্যাল ফ্রেমওয়ার্ক অর্ডার) করে এটাকে কার্যকর করতে হবে এবং এই জুলাই সনদ এবং ঘোষণাপত্রের কার্যকারিতার ভিত্তিতে সামনের জাতীয় সামনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন—জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত, যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন, যুগ্ম সদস্যসচিব ফরিদুল হক প্রমুখ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
২ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কাজ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রবাসীদের কাছে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে— কীভাবে ব্যালট পাঠানো হয়েছে, ভোট কীভাবে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং কোথাও একসঙ্গে ২০০–৩০০ ব্যালট থাকলে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে