আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সংসদে ও রাষ্ট্রে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যে গণতন্ত্র দেখতে চায়, তা আগে দলটির মধ্যে প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলে মনে করেন তাজনূভা জাবীন। তিনি বলেছেন, শুধু কাগজে-কলমে ও বক্তৃতায় নয়, কাজেও এনসিপিকে বাংলাদেশের নারীদের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এসব কথা বলেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন।
তাজনূভা বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করতে চাই, এনসিপি বাংলাদেশের নারীদের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে কেন তারা এনসিপিকে সমর্থন করবে। শুধু কাগজে-কলমে আর বক্তৃতায় না, কাজেও। বাস্তবায়নেও।
‘অজানা, অচেনা, সাধারণ ঘরের যোগ্য, দৃঢ়, শিক্ষিত নারীরা যাতে রাজনীতিতে এসে দেশের নেতৃত্ব দিতে পারে, সে জন্য এনসিপিকে বিশ্বস্ত, নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হতে হবে। তা না হলে বিদ্যমান রাজনৈতিক দলের সাথে তাদের কোনো পার্থক্য থাকবে না, কোনো টেকসই ভবিষ্যতও থাকবে না।’
ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে দলের উদ্দেশে তাজনূভা আরও বলেন, ‘সংসদে নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের দাবী বৃথা, যদি দলে আপনি যোগ্য নারী নেতৃত্ব তৈরি করতে সহযোগিতা না করেন। যে গণতান্ত্রিক উত্তরণ এনসিপি সংসদে, রাষ্ট্রে দেখতে চায়, সেটা তাকে আগে নিজের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
‘এই অর্ধেকের বেশি বিশাল জনগোষ্ঠীকে কোনো রাজনৈতিক দল গুরুত্বের সাথে আমলে নেয় নাই বাংলাদেশের জন্মের পর থেকে, এনসিপি নিয়ে দেখাক। সমর্থনের জন্য কোনো গোপন, কঠিন সমীকরণের প্রয়োজন হবে না।
‘নিশ্চিত এটা, যত কুৎসিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিই হোক না কেন, নারী বিষয় উপেক্ষা করে বাংলাদেশে টেকসই রাজনীতি আর হবে না। I repeat, আর হবে না,’ যোগ করেন এনসিপির এই নেত্রী।

সংসদে ও রাষ্ট্রে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যে গণতন্ত্র দেখতে চায়, তা আগে দলটির মধ্যে প্রতিষ্ঠা করতে হবে বলে মনে করেন তাজনূভা জাবীন। তিনি বলেছেন, শুধু কাগজে-কলমে ও বক্তৃতায় নয়, কাজেও এনসিপিকে বাংলাদেশের নারীদের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এসব কথা বলেছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন।
তাজনূভা বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করতে চাই, এনসিপি বাংলাদেশের নারীদের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে কেন তারা এনসিপিকে সমর্থন করবে। শুধু কাগজে-কলমে আর বক্তৃতায় না, কাজেও। বাস্তবায়নেও।
‘অজানা, অচেনা, সাধারণ ঘরের যোগ্য, দৃঢ়, শিক্ষিত নারীরা যাতে রাজনীতিতে এসে দেশের নেতৃত্ব দিতে পারে, সে জন্য এনসিপিকে বিশ্বস্ত, নির্ভরযোগ্য রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হতে হবে। তা না হলে বিদ্যমান রাজনৈতিক দলের সাথে তাদের কোনো পার্থক্য থাকবে না, কোনো টেকসই ভবিষ্যতও থাকবে না।’
ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে দলের উদ্দেশে তাজনূভা আরও বলেন, ‘সংসদে নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের দাবী বৃথা, যদি দলে আপনি যোগ্য নারী নেতৃত্ব তৈরি করতে সহযোগিতা না করেন। যে গণতান্ত্রিক উত্তরণ এনসিপি সংসদে, রাষ্ট্রে দেখতে চায়, সেটা তাকে আগে নিজের মধ্যে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
‘এই অর্ধেকের বেশি বিশাল জনগোষ্ঠীকে কোনো রাজনৈতিক দল গুরুত্বের সাথে আমলে নেয় নাই বাংলাদেশের জন্মের পর থেকে, এনসিপি নিয়ে দেখাক। সমর্থনের জন্য কোনো গোপন, কঠিন সমীকরণের প্রয়োজন হবে না।
‘নিশ্চিত এটা, যত কুৎসিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিই হোক না কেন, নারী বিষয় উপেক্ষা করে বাংলাদেশে টেকসই রাজনীতি আর হবে না। I repeat, আর হবে না,’ যোগ করেন এনসিপির এই নেত্রী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
১ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে