নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আন্তর্জাতিক আইন মানলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতাকেই ফাঁসি দেওয়া যেত না বলে মন্তব্য করেছেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আজ মঙ্গলবার আজহারের আপিল শুনানির জন্য দিন ধার্যের পর সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
আইনজীবী শিশির মনির বলেন, এখানে আবদুল কাদের মোল্লা, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মীর কাসেম আলী, কামারুজ্জামানসহ সবার মামলার বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে। এ জন্যই প্রধান বিচারপতি মনে করছেন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হওয়া দরকার।
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন প্রযোজ্য হবে কি না—এই প্রশ্ন উঠেছিল কাদের মোল্লার মামলায়। সেই মামলায় তখনকার আপিল বিভাগ সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক আইনের প্রযোজ্যতা নেই। এই প্রয়োজন নেই বলেছিলেন—এটাকে আমরা এখন রিভিউ করতে চাই। আমরা বলছি ন্যায়বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজনীয়তা থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন ও মানদণ্ড যদি মানা হতো যাদের ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে এবং এখন যার বিচারের বিষয়ে রিভিউ করা হয়েছে তাদের সবাইকেই খালাস দিতে হতো।’
শিশির মনির বলেন, একটি বিধান ছিল যদি তদন্ত কর্মকর্তার কাছে কোনো সাক্ষী জবানবন্দি দিয়ে থাকেন পরবর্তীকালে আদালতে না আসলেও ওই জবানবন্দি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে নেওয়া যাবে। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে কোনো সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি দেওয়ার পর আদালতে এসে সাক্ষ্য দেননি—তা গ্রহণ করা যায় না। যদি তা মানা যেত তাহলে অনেককেই সাজা দিতে পারতেন না। সেই প্রশ্ন এখানে নিষ্পত্তি করা হবে।

আন্তর্জাতিক আইন মানলে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতাকেই ফাঁসি দেওয়া যেত না বলে মন্তব্য করেছেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আজ মঙ্গলবার আজহারের আপিল শুনানির জন্য দিন ধার্যের পর সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
আইনজীবী শিশির মনির বলেন, এখানে আবদুল কাদের মোল্লা, মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মীর কাসেম আলী, কামারুজ্জামানসহ সবার মামলার বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়েছে। এ জন্যই প্রধান বিচারপতি মনে করছেন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি হওয়া দরকার।
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন প্রযোজ্য হবে কি না—এই প্রশ্ন উঠেছিল কাদের মোল্লার মামলায়। সেই মামলায় তখনকার আপিল বিভাগ সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক আইনের প্রযোজ্যতা নেই। এই প্রয়োজন নেই বলেছিলেন—এটাকে আমরা এখন রিভিউ করতে চাই। আমরা বলছি ন্যায়বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজনীয়তা থাকতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন ও মানদণ্ড যদি মানা হতো যাদের ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে এবং এখন যার বিচারের বিষয়ে রিভিউ করা হয়েছে তাদের সবাইকেই খালাস দিতে হতো।’
শিশির মনির বলেন, একটি বিধান ছিল যদি তদন্ত কর্মকর্তার কাছে কোনো সাক্ষী জবানবন্দি দিয়ে থাকেন পরবর্তীকালে আদালতে না আসলেও ওই জবানবন্দি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে নেওয়া যাবে। ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে কোনো সাক্ষী তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি দেওয়ার পর আদালতে এসে সাক্ষ্য দেননি—তা গ্রহণ করা যায় না। যদি তা মানা যেত তাহলে অনেককেই সাজা দিতে পারতেন না। সেই প্রশ্ন এখানে নিষ্পত্তি করা হবে।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতাটি দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
১০ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি দলের আহ্বায়কের কাছে অনলাইনে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন।
৪৪ মিনিট আগে
আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের কোনো নেই কোনো গয়না, গাড়ি বা আসবাবপত্র। পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হলেও আয় করেন ব্যবসা থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে এমনই তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আরও এক নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি হলেন দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন। তবে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেও রাজনীতি ছাড়ছেন না মুরসালীন।
৩ ঘণ্টা আগে