নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, পতিত ফ্যাসিস্টরা পার্শ্ববর্তী দেশে আছে। লুণ্ঠিত অর্থ ও অস্ত্র তাদের হাতে। তাই নির্বাচনের বিলম্ব দেশের জন্য ঝুঁকি বয়ে আনবে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় শামসুজ্জামান দুদু এই আশঙ্কার কথা জানান। ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি, মব সৃষ্টি, চাঁদাবাজি, দখল, সন্ত্রাস রুখতে নির্বাচিত সরকারের বিকল্প নাই’ শীর্ষক সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় ফার্মেসি অ্যাসোসিয়েশন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে। তবে সেটি যেন পিছিয়ে মার্চ বা এপ্রিল না হয়। বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো ডিসেম্বরেই নির্বাচন চেয়েছিল। সরকার বলেছে, ফেব্রুয়ারিতে হবে। আমরা মেনে নিয়েছি এবং সহযোগিতা করছি। কিন্তু ফেব্রুয়ারি যেন মার্চ না হয়, এপ্রিল না হয়—এটা সরকারকে মনে রাখতে হবে।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশে মব সৃষ্টি, চাঁদাবাজি, দখল আর সন্ত্রাস বেড়েছে ব্যাপকভাবে। অথচ মানুষের প্রত্যাশা ছিল, স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটলে শান্তি ফিরে আসবে। কিন্তু শান্তি নয়; বরং বিভেদ আর মুসিবতে মানুষকে বাস করতে হচ্ছে।
‘চাকরির সংকট তীব্র। যাদের চাকরি আছে, সেটিও রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিনদুপুরে ছিনতাই হচ্ছে। পুলিশ তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছে কি না—সেটাই প্রশ্ন। পুলিশ দাবি করছে, তাদের ওপর ছাত্র-জনতা হামলা চালিয়েছে। কিন্তু গত ১৫ বছর তারা যেভাবে সরকারকে সহায়তা করেছে, আন্দোলনরত জনতার ওপর গুলি চালিয়েছে, সেটা ঠিক হয়নি। এখন তাদেরও সংশোধন হওয়া প্রয়োজন।’
সভায় ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘আমরা স্বৈরাচার থেকে মুক্ত হয়েছি, কিন্তু গণতন্ত্রের উত্তরণ এখনো হয়নি। শাসকেরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ঐতিহাসিক নির্বাচন করবেন। তাই বিএনপি, তারেক রহমান, খালেদা জিয়া এবং দেশবাসী সরকারকে সহযোগিতা করছে। তবে নির্বাচন যত দেরি হবে, সন্ত্রাস তত বাড়বে, দেশ বিপদে পড়বে।’
বাংলাদেশ জাতীয় ফার্মেসি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. এ বি সিদ্দিক হাওলাদারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মনিরুজ্জামান মনির, কৃষক দলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এস কে সাদি প্রমুখ।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, পতিত ফ্যাসিস্টরা পার্শ্ববর্তী দেশে আছে। লুণ্ঠিত অর্থ ও অস্ত্র তাদের হাতে। তাই নির্বাচনের বিলম্ব দেশের জন্য ঝুঁকি বয়ে আনবে।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় শামসুজ্জামান দুদু এই আশঙ্কার কথা জানান। ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি, মব সৃষ্টি, চাঁদাবাজি, দখল, সন্ত্রাস রুখতে নির্বাচিত সরকারের বিকল্প নাই’ শীর্ষক সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় ফার্মেসি অ্যাসোসিয়েশন।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হবে। তবে সেটি যেন পিছিয়ে মার্চ বা এপ্রিল না হয়। বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলো ডিসেম্বরেই নির্বাচন চেয়েছিল। সরকার বলেছে, ফেব্রুয়ারিতে হবে। আমরা মেনে নিয়েছি এবং সহযোগিতা করছি। কিন্তু ফেব্রুয়ারি যেন মার্চ না হয়, এপ্রিল না হয়—এটা সরকারকে মনে রাখতে হবে।’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশে মব সৃষ্টি, চাঁদাবাজি, দখল আর সন্ত্রাস বেড়েছে ব্যাপকভাবে। অথচ মানুষের প্রত্যাশা ছিল, স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটলে শান্তি ফিরে আসবে। কিন্তু শান্তি নয়; বরং বিভেদ আর মুসিবতে মানুষকে বাস করতে হচ্ছে।
‘চাকরির সংকট তীব্র। যাদের চাকরি আছে, সেটিও রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিনদুপুরে ছিনতাই হচ্ছে। পুলিশ তাদের দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছে কি না—সেটাই প্রশ্ন। পুলিশ দাবি করছে, তাদের ওপর ছাত্র-জনতা হামলা চালিয়েছে। কিন্তু গত ১৫ বছর তারা যেভাবে সরকারকে সহায়তা করেছে, আন্দোলনরত জনতার ওপর গুলি চালিয়েছে, সেটা ঠিক হয়নি। এখন তাদেরও সংশোধন হওয়া প্রয়োজন।’
সভায় ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, ‘আমরা স্বৈরাচার থেকে মুক্ত হয়েছি, কিন্তু গণতন্ত্রের উত্তরণ এখনো হয়নি। শাসকেরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ঐতিহাসিক নির্বাচন করবেন। তাই বিএনপি, তারেক রহমান, খালেদা জিয়া এবং দেশবাসী সরকারকে সহযোগিতা করছে। তবে নির্বাচন যত দেরি হবে, সন্ত্রাস তত বাড়বে, দেশ বিপদে পড়বে।’
বাংলাদেশ জাতীয় ফার্মেসি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মো. এ বি সিদ্দিক হাওলাদারের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মনিরুজ্জামান মনির, কৃষক দলের সাবেক দপ্তর সম্পাদক এস কে সাদি প্রমুখ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনসমর্থনের দিক থেকে বিএনপি ও জামায়াত কাছাকাছি রয়েছে। দল দুটির মধ্যে হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ জনসমর্থন রয়েছে। সংসদ নির্বাচনে জনসমর্থনে জামায়াত থেকে মাত্র ১ শতাংশ এগিয়ে বিএনপি
১৯ মিনিট আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে