
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
আজ সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংগঠনের এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘দেশের শ্রমিক আন্দোলন ও শ্রমিকদের স্বার্থে যাঁরা দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, তাঁদের সহায়তায় শ্রমিক ইশতেহার ঘোষণা হয়েছে। যারা আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব আসবে। আর যারা ক্ষমতায় আসবে না, তারা ওই ইশতেহার বাস্তবায়নে চাপ প্রয়োগের কাজ করবে বলে প্রত্যাশা রাখি।’
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘ইশতেহারে শ্রমিকদের যে দাবি ও আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা পাব বলে প্রত্যাশা করছি। জনগণ ও দেশের স্বার্থে শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তি পাওয়ার আনন্দ যেন নিশ্চিত করা হয়, সেই দায়িত্ব আমরা অর্থাৎ রাজনীতিকেরা নেব।’
আলোচনায় শ্রমিকদের দেশ গড়ার কারিগর উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, ‘প্রায় দেড় শ বছরেও শ্রমিকদের অনেক দাবি আজও পূরণ করা হয়নি। কেন শ্রমিকের সেই অধিকারগুলো আদায় হয়নি? কাদের কারণে হয়নি? শ্রমিকেরা যদি দেশ গড়ার কারিগর হয়ে থাকে, তাদের দাবিদাওয়া দেশ পূরণ করবে না? দেশের নেতৃত্ব কেন পূরণ করবে না?’
শ্রমিক অধিকার অ্যাডভোকেসি অ্যালায়েন্স (বিলস) আয়োজিত এই আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলি আকন্দ, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা নাজমুল হক প্রধান, গণঅধিকার পরিষদের সহসভাপতি আব্দুর রহমান, এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আরিফুর রহমানসহ আরও অনেকে অংশ নেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনকে আবারও অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, ‘বিরোধী দলের লংমার্চের উদ্দেশ্য কী? সরকারি দল তাদের কোনো রকম গ্রেপ্তার-নিপীড়ন করেনি, যা হাসিনার আমলে করা হতো।’
১ ঘণ্টা আগে
ইচ্ছাকৃতভাবে বিরোধী দলকে সংবিধান সংস্কারপ্রক্রিয়া থেকে বাইরে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
২ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস ও ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস। মির্জা আব্বাসের সহকারী একান্ত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল তাঁর দেশে ফেরার
১৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বুধবার বেলা তিনটায় রাজধানী শ্যামপুর লাল মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তাঁর দলমত-নির্বিশেষে জানাজায় সর্বস্তরের সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন। পরে বিকেল ৪টায় জুরাইন কবরস্থানে তাঁর বাবার কবরের পাশে দাফন
১ দিন আগে