নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
আসন সমঝোতার ঘোষণার দিনক্ষণ জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, ‘আপনারা আগামীকালের ভেতরে দাওয়াত পাবেন, না হলে পরশু। সবার সামনে আমরা একসঙ্গে আসব।’
বৈঠকের বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকের বৈঠকে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না, কোনো সুনির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ ও অভিযোগ আছে কি না, এসব জানতে চাওয়া হয়েছে। আমরা বলেছি—আছে; তবে আমরা এই মুহূর্তে এসব তাদের আগেই জানাতে চাচ্ছি না বলে জানিয়েছি। কারণ, এসব সমাধান করা যাদের দায়িত্ব, আগে তাদের জানাব; প্রধানত—নির্বাচন কমিশনকে। নির্বাচন কমিশনকে অর্থবহ সহযোগিতা করা সরকারের দায়িত্ব। যদি এই দুই অথরিটিকে জানানোর পর সমাধান পেয়ে যাই, তাহলে বাইরের কাউকে জানাব না। যদি সমাধান না পাই, তাহলে জনগণকে জানাব। তখন আপনারাও (ইইউ) জানতে পারবেন।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘তারা (ইইউ প্রতিনিধিদল) ক্ষমতায় গেলে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে, জানতে চেয়েছে। আমরা বলেছি, নির্দিষ্ট কোনো রাষ্ট্রের দিকে আমরা ঝুঁকতে চাই না। বরং, সারা বিশ্বের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সমন্বয় রক্ষা করে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, যুবকেরা বিশ্বাস করে, জামায়াতে ইসলামী যদি কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে সেটা রক্ষা করে। এই বিশ্বাসের জায়গা থেকেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এর রিফ্লেকশন হয়েছে। যুবশক্তির প্রতিফলন ঘটেছে।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘কতিপয় মূলধারার গণমাধ্যমের রোল (ভূমিকা) একটি দলের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। ওই ঝোঁকে আর এখন বাংলাদেশে বড় কিছু হয় না, তেমনি আমরা তাদের কাছে এ রকম কিছু প্রত্যাশা করি না। গণমাধ্যমের পজিশনে গণমাধ্যম, এটা দলীয় মাধ্যম না—এটা মাথায় রেখে ফাংশন করুক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
আসন সমঝোতার ঘোষণার দিনক্ষণ জানতে চাইলে জামায়াত আমির বলেন, ‘আপনারা আগামীকালের ভেতরে দাওয়াত পাবেন, না হলে পরশু। সবার সামনে আমরা একসঙ্গে আসব।’
বৈঠকের বিষয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকের বৈঠকে সবার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আছে কি না, কোনো সুনির্দিষ্ট চ্যালেঞ্জ ও অভিযোগ আছে কি না, এসব জানতে চাওয়া হয়েছে। আমরা বলেছি—আছে; তবে আমরা এই মুহূর্তে এসব তাদের আগেই জানাতে চাচ্ছি না বলে জানিয়েছি। কারণ, এসব সমাধান করা যাদের দায়িত্ব, আগে তাদের জানাব; প্রধানত—নির্বাচন কমিশনকে। নির্বাচন কমিশনকে অর্থবহ সহযোগিতা করা সরকারের দায়িত্ব। যদি এই দুই অথরিটিকে জানানোর পর সমাধান পেয়ে যাই, তাহলে বাইরের কাউকে জানাব না। যদি সমাধান না পাই, তাহলে জনগণকে জানাব। তখন আপনারাও (ইইউ) জানতে পারবেন।’
জামায়াত আমির আরও বলেন, ‘তারা (ইইউ প্রতিনিধিদল) ক্ষমতায় গেলে আমাদের পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে, জানতে চেয়েছে। আমরা বলেছি, নির্দিষ্ট কোনো রাষ্ট্রের দিকে আমরা ঝুঁকতে চাই না। বরং, সারা বিশ্বের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সমন্বয় রক্ষা করে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে চাই।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, যুবকেরা বিশ্বাস করে, জামায়াতে ইসলামী যদি কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে সেটা রক্ষা করে। এই বিশ্বাসের জায়গা থেকেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এর রিফ্লেকশন হয়েছে। যুবশক্তির প্রতিফলন ঘটেছে।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘কতিপয় মূলধারার গণমাধ্যমের রোল (ভূমিকা) একটি দলের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে। ওই ঝোঁকে আর এখন বাংলাদেশে বড় কিছু হয় না, তেমনি আমরা তাদের কাছে এ রকম কিছু প্রত্যাশা করি না। গণমাধ্যমের পজিশনে গণমাধ্যম, এটা দলীয় মাধ্যম না—এটা মাথায় রেখে ফাংশন করুক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনসমর্থনের দিক থেকে বিএনপি ও জামায়াত কাছাকাছি রয়েছে। দল দুটির মধ্যে হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৩৪ দশমিক ৭ শতাংশ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ জনসমর্থন রয়েছে। সংসদ নির্বাচনে জনসমর্থনে জামায়াত থেকে মাত্র ১ শতাংশ এগিয়ে বিএনপি
১৫ মিনিট আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে ডা. শফিকুর রহমান ও ইভারস আইজাবস বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে