নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী ছিল, মানুষ সেই সত্যি জানতে চায় বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। আজ রোববার রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৫ বছর উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, ‘আমি একটি কথাই বলি, বিচারকার্যে হস্তক্ষেপ করা যুক্তিযুক্ত নয়। আমাদের বিচারকেরা তাঁদের নীতিতে অবিচল থেকে ন্যায়বিচারের মাধ্যমে বিষয়টি অতি দ্রুত সুরাহা করবেন ১৫ বছর পরে সেই প্রত্যাশা করি।’
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘১৫ বছরের আগে বিডিআরে যে শোকাবহ ঘটনা ঘটেছিল, সেই ক্ষত দিয়ে আজও বাংলাদেশের মানুষের বুকের রক্ত ঝরে পড়ছে। আমরা আজও জানি না এই ঘটনার পেছনের ইতিহাস কী। আমরা সেই শোক বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছি।’
তিনি বলেন, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধেও এমন কোনো একটি স্থানে এমন ঘটনা ঘটেনি, যেখানে একসঙ্গে ৫৭ জন অফিসার প্রাণ দিয়েছেন। এই ঘটনা কীভাবে ঘটেছে, এই ঘটনার যবনিকার পেছনে কী ছিল, আজকে বাংলাদেশের মানুষ সেই সত্যি জানতে চায়।
মামলার বিচারকার্য কেন বিলম্ব হচ্ছে তা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বাংলা ভাষায় একটি কথা আছে—“বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে।” আমরা শুনেছি, সেই বিচারকার্য এখনো ঝুলে আছে। কেন ঝুলে আছে? যাঁদের কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে, তাঁরা আজকে পর্যন্ত বিনা বিচারে কারাবাসে রয়েছে। একটি জাতির ইতিহাসে এমন দুঃখজনক ঘটনা কখনো ঘটেছে বলে আমাদের জানা নেই৷’
মঈন খান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক যেন সুশাসন ও আইনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ফিরে পায়৷ অপরাধী শাস্তি পাবে, সে সম্পর্কে আমাদের কিছু বলার নেই।’

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী ছিল, মানুষ সেই সত্যি জানতে চায় বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। আজ রোববার রাজধানীর বনানীর সামরিক কবরস্থানে পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৫ বছর উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, ‘আমি একটি কথাই বলি, বিচারকার্যে হস্তক্ষেপ করা যুক্তিযুক্ত নয়। আমাদের বিচারকেরা তাঁদের নীতিতে অবিচল থেকে ন্যায়বিচারের মাধ্যমে বিষয়টি অতি দ্রুত সুরাহা করবেন ১৫ বছর পরে সেই প্রত্যাশা করি।’
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘১৫ বছরের আগে বিডিআরে যে শোকাবহ ঘটনা ঘটেছিল, সেই ক্ষত দিয়ে আজও বাংলাদেশের মানুষের বুকের রক্ত ঝরে পড়ছে। আমরা আজও জানি না এই ঘটনার পেছনের ইতিহাস কী। আমরা সেই শোক বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছি।’
তিনি বলেন, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধেও এমন কোনো একটি স্থানে এমন ঘটনা ঘটেনি, যেখানে একসঙ্গে ৫৭ জন অফিসার প্রাণ দিয়েছেন। এই ঘটনা কীভাবে ঘটেছে, এই ঘটনার যবনিকার পেছনে কী ছিল, আজকে বাংলাদেশের মানুষ সেই সত্যি জানতে চায়।
মামলার বিচারকার্য কেন বিলম্ব হচ্ছে তা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বাংলা ভাষায় একটি কথা আছে—“বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে।” আমরা শুনেছি, সেই বিচারকার্য এখনো ঝুলে আছে। কেন ঝুলে আছে? যাঁদের কারাবন্দী করে রাখা হয়েছে, তাঁরা আজকে পর্যন্ত বিনা বিচারে কারাবাসে রয়েছে। একটি জাতির ইতিহাসে এমন দুঃখজনক ঘটনা কখনো ঘটেছে বলে আমাদের জানা নেই৷’
মঈন খান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক যেন সুশাসন ও আইনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ফিরে পায়৷ অপরাধী শাস্তি পাবে, সে সম্পর্কে আমাদের কিছু বলার নেই।’

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
২ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৪ ঘণ্টা আগে
একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল ভোটারদের কাছ থেকে বিভিন্ন এলাকায় এনআইডি কার্ড ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ কর
১৪ ঘণ্টা আগে