নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশজুড়ে চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ‘শান্তি মিছিল’ নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। মিছিল নিয়ে নয়, ক্ষমতা ছেড়ে আওয়ামী লীগকে রাস্তায় নামার পরামর্শ দেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস এ কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মিছিল করে কার কাছে কী দাবি করবে, আমি একটু জানতে চাই। মিছিল নিয়ে নয়, গদি ছেড়ে রাস্তায় নামেন।’
সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এ দেশে যতগুলো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছে, সবগুলোই আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে হয়েছে। কোনো মুসলমান কোনো হিন্দু সম্পত্তি দখল করে না, করতে পারে না। আওয়ামী লীগ পারে।’
চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, হামলা ও মামলার সমালোচনা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, ‘দেশে বিরাজমান সমস্যাগুলো থেকে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে প্রবাহিত করতে বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করছে। বিশ্ববাসীকে বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এটা একটা সন্ত্রাসী দেশ। এ ঘটনা ঘটিয়ে সারা বিশ্বে আওয়ামী লীগ এই ধুয়া তুলেছে যে, এখানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হচ্ছে। নিজেরা এই কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।’
এই অবস্থায় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘গ্রেপ্তার, হামলা-মামলা করে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না।’

দেশজুড়ে চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ‘শান্তি মিছিল’ নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। মিছিল নিয়ে নয়, ক্ষমতা ছেড়ে আওয়ামী লীগকে রাস্তায় নামার পরামর্শ দেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস এ কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
মির্জা আব্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগ মিছিল করে কার কাছে কী দাবি করবে, আমি একটু জানতে চাই। মিছিল নিয়ে নয়, গদি ছেড়ে রাস্তায় নামেন।’
সাম্প্রদায়িক সহিংসতার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘এ দেশে যতগুলো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়েছে, সবগুলোই আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে হয়েছে। কোনো মুসলমান কোনো হিন্দু সম্পত্তি দখল করে না, করতে পারে না। আওয়ামী লীগ পারে।’
চলমান সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, হামলা ও মামলার সমালোচনা করেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি বলেন, ‘দেশে বিরাজমান সমস্যাগুলো থেকে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে প্রবাহিত করতে বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করছে। বিশ্ববাসীকে বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এটা একটা সন্ত্রাসী দেশ। এ ঘটনা ঘটিয়ে সারা বিশ্বে আওয়ামী লীগ এই ধুয়া তুলেছে যে, এখানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হচ্ছে। নিজেরা এই কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।’
এই অবস্থায় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘গ্রেপ্তার, হামলা-মামলা করে বিএনপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না।’

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১৯ মিনিট আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
২৩ মিনিট আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে