নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে মধ্যরাতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর আবার মধ্যরাতে দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দেওয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
একই সঙ্গে দৈনিক যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি ও ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম লাবলুর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ‘মিথ্যা মামলা’ দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব।
আজ এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমানসহ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একের পর এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর চরম আঘাত। গণমাধ্যমের কণ্ঠকে নিস্তব্ধ করার জন্যই কালো আইনকে ব্যবহার করে চূড়ান্ত দমন চালানো হচ্ছে। মতিউর রহমান সাহেবের মতো দেশের একজন শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা সম্পাদকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে সরকার প্রমাণ করল যে, তারা গণতন্ত্রকে চিরদিনের জন্য কবরস্থ করতে চায়। বর্তমান শাসকগোষ্ঠী দেশবাসীর কাছে বার্তা দিতে চায় যে, সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করা যাবে না, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করা যাবে না। বাকশালি কায়দায় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমের ওপর নির্বিচার দমন-পীড়ন চালিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে ভয়াবহ দুঃশাসন চালিয়ে যাচ্ছে। মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা নিঃসন্দেহে সরকারের ইশারাতেই হয়েছে।’
দেশব্যাপী সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন-নিপীড়নের ফলে গণমাধ্যমসহ গোটা দেশে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানান বিএনপি মহাসচিব। অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, সাংবাদিক মতিউর রহমান, মাহবুব আলম লাবলু ও শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে মধ্যরাতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর আবার মধ্যরাতে দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দেওয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
একই সঙ্গে দৈনিক যুগান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি ও ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম লাবলুর বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ‘মিথ্যা মামলা’ দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপি মহাসচিব।
আজ এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘প্রথম আলো পত্রিকার সম্পাদক মতিউর রহমানসহ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একের পর এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর চরম আঘাত। গণমাধ্যমের কণ্ঠকে নিস্তব্ধ করার জন্যই কালো আইনকে ব্যবহার করে চূড়ান্ত দমন চালানো হচ্ছে। মতিউর রহমান সাহেবের মতো দেশের একজন শীর্ষস্থানীয় পত্রিকা সম্পাদকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়ে সরকার প্রমাণ করল যে, তারা গণতন্ত্রকে চিরদিনের জন্য কবরস্থ করতে চায়। বর্তমান শাসকগোষ্ঠী দেশবাসীর কাছে বার্তা দিতে চায় যে, সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করা যাবে না, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করা যাবে না। বাকশালি কায়দায় রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমের ওপর নির্বিচার দমন-পীড়ন চালিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার দেশে ভয়াবহ দুঃশাসন চালিয়ে যাচ্ছে। মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা নিঃসন্দেহে সরকারের ইশারাতেই হয়েছে।’
দেশব্যাপী সাংবাদিক হত্যা, নির্যাতন-নিপীড়নের ফলে গণমাধ্যমসহ গোটা দেশে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে জানান বিএনপি মহাসচিব। অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, সাংবাদিক মতিউর রহমান, মাহবুব আলম লাবলু ও শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৬ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৮ ঘণ্টা আগে