হিমেল চাকমা, রাঙামাটি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়। তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ভোটে এবারের বড় ফ্যাক্টর হবেন জেএসএস সমর্থকেরা। কারণ নির্বাচনে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়ে জয়ের ইতিহাসও আছে দলটির।
এবারের নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে প্রচার শুরু হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আটজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির জুঁই চাকমা, জামায়াতে ইসলামীর মোখতার আহমেদ, বিএনপির দীপেন দেওয়ান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই আসনে চমক দেখাতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা। তিনি একসময় জেএসএস রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে জেএসএসের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভোট ব্যাংকে ভাগ বসাতে পারেন। বাঙালিদের ভোট পেতে কষ্ট হবে পহেল চাকমার। তবে তিনি বলেন, ‘আমার নির্বাচনী কোনো বাধা নেই। নির্বাচন করব। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’
এদিকে জেএসএসের নির্বাচন থেকে বিরত থাকা নিয়ে বাজারে নানান গুঞ্জন চলছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, তফসিল ঘোষণার পরপরই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় জেএসএস নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। আরেক সূত্র বলছে, জেএসএস বিএনপি প্রার্থীকে পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও গবেষক তনয় দেওয়ান বলেন, জেএসএস নির্বাচন করছে কিনা, সেটা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। দলটি এ নির্বাচনে অংশ নেওয়া, না নেওয়া সেটা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির ওপর নির্ভর করে। সে জন্য জেএসএস হুট করে এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, রাঙামাটি আসনে জেএসএস নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় জয়ের পাল্লা ঝুঁকেছে বিএনপি প্রার্থী দীপেন দেওয়ানের দিকে। তিনি একদিকে দলীয় প্রার্থী। ফলে বাঙালিদের ভোট টানা সহজ হবে। আবার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভোট নিজের বাক্সে টানতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন দীপেন দেওয়ান। এই দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে তিনি জনপ্রিয়।
গবেষক তনয় দেওয়ান বলেন, বলেন, ‘বর্তমানে দেশে হঠাৎ উগ্র মৌলবাদী মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এটি আদিবাসীরা পছন্দ করেন না। আর বিভিন্ন সময় বিএনপি নেতাদের আদিবাসীবিরোধী কথাবার্তা আর ভূমিকা মেনে নিতে পারেননি। এগুলো স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমার পক্ষে যাবে। এ নির্বাচনে রাঙামাটি আসনে যত জনই প্রার্থী হোক, শেষ পর্যন্ত যদি বিএনপি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচনী লড়াইটা হবে।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়। তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ভোটে এবারের বড় ফ্যাক্টর হবেন জেএসএস সমর্থকেরা। কারণ নির্বাচনে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়ে জয়ের ইতিহাসও আছে দলটির।
এবারের নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে প্রচার শুরু হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আটজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির জুঁই চাকমা, জামায়াতে ইসলামীর মোখতার আহমেদ, বিএনপির দীপেন দেওয়ান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই আসনে চমক দেখাতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা। তিনি একসময় জেএসএস রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে জেএসএসের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভোট ব্যাংকে ভাগ বসাতে পারেন। বাঙালিদের ভোট পেতে কষ্ট হবে পহেল চাকমার। তবে তিনি বলেন, ‘আমার নির্বাচনী কোনো বাধা নেই। নির্বাচন করব। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’
এদিকে জেএসএসের নির্বাচন থেকে বিরত থাকা নিয়ে বাজারে নানান গুঞ্জন চলছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলছে, তফসিল ঘোষণার পরপরই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় জেএসএস নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। আরেক সূত্র বলছে, জেএসএস বিএনপি প্রার্থীকে পরোক্ষ সমর্থন দিয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও গবেষক তনয় দেওয়ান বলেন, জেএসএস নির্বাচন করছে কিনা, সেটা অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। দলটি এ নির্বাচনে অংশ নেওয়া, না নেওয়া সেটা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির ওপর নির্ভর করে। সে জন্য জেএসএস হুট করে এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, রাঙামাটি আসনে জেএসএস নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় জয়ের পাল্লা ঝুঁকেছে বিএনপি প্রার্থী দীপেন দেওয়ানের দিকে। তিনি একদিকে দলীয় প্রার্থী। ফলে বাঙালিদের ভোট টানা সহজ হবে। আবার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভোট নিজের বাক্সে টানতে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন দীপেন দেওয়ান। এই দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে তিনি জনপ্রিয়।
গবেষক তনয় দেওয়ান বলেন, বলেন, ‘বর্তমানে দেশে হঠাৎ উগ্র মৌলবাদী মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এটি আদিবাসীরা পছন্দ করেন না। আর বিভিন্ন সময় বিএনপি নেতাদের আদিবাসীবিরোধী কথাবার্তা আর ভূমিকা মেনে নিতে পারেননি। এগুলো স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমার পক্ষে যাবে। এ নির্বাচনে রাঙামাটি আসনে যত জনই প্রার্থী হোক, শেষ পর্যন্ত যদি বিএনপি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচনী লড়াইটা হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
৮ ঘণ্টা আগে