ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বিএনপি। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় তিনি জানান, বিএনপি নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ‘জুলাই সনদ’ অবশ্যই বাস্তবায়ন করবে।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের পর জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুভেচ্ছা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত আদর্শ থেকে বঞ্চিত হয় নাই। তলাবিহীন ঝুড়ির দুর্নাম ঘুচিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করেছেন জিয়াউর রহমান। পরবর্তিতে খালেদা জিয়াও সেই পথ ধরে এগিয়ে নিয়েছেন।’
ভাষণের একপর্যায়ে তারেক রহমান বলেন, ‘জুলাই সনদ আমরা অবশ্যই বাস্তবায়ন করব।’
অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আজ এক নতুন ইতিহাস, আজকে নতুন নেতৃত্ব। সেই নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সমগ্র জাতি আজ উন্মুখ হয়ে আছে। নতুন নেতৃত্ব জটিল রাজনৈতিক বাস্তবতায় নতুন বার্তা নিয়ে আসবেন। তাঁর নেতৃত্বে নতুন এক সূর্যোদয় হবে।
একনজরে দেখে নিন বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে যা আছে...

সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ অংশটি পঞ্চম সংশোধনীতে বাদ দেওয়া হয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সেটি পুনস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক এবং ঢাকা- ৮ আসনের ১১-দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কার্যালয়ের সামনে আজ শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে তিনি ৮ দফার ইশতেহার ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা নতুন করে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত, তারা আইনত জালিম। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সেই জালিমদের প্রতিহত করার দিন। তিনি বলেন, আবার যদি ঋণখেলাপি, ভূমিদস্যু কিংবা বিদেশি নাগরিকত্বধারীরা সংসদে যান, তাহলে দেশে প্রকৃত কোনো পরিবর্তন হবে না।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখতে আঞ্চলিক অবকাঠামোগুলোর নামকরণ করা হবে তাদের নামে। বিশেষ করে, শহীদগণ যেসব এলাকার সেসব এলাকার রাস্তাঘাট, সেতু ও হাসপাতালসহ অন্যান্য রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো হবে তাদের নামে। যাতে শহীদদের স্মৃতি হারিয়ে না যায়।
২ ঘণ্টা আগে