
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের বিষয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এসব কথা জানিয়েছেন দলের যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে সিফাত বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপি থেকে মোট তিনজন মনোনয়ন জমা দেন। ডা. মাহমুদা মিতু, মনিরা শারমিন এবং নুসরাত তাবাসসুম। তাঁর মধ্যে ডা. মাহমুদা মিতুর মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত হয়েছে। মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর দাখিল করায় নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্র কমিশন বিবেচনা করেনি।
সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, মনিরা শারমিন মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের ট্রাইব্যুনালে আপিল করবেন। সেই প্রস্তুতি ইতিমধ্যে তিনি নিচ্ছেন। তবে ট্রাইব্যুনালে আপিলের সুযোগ থাকছে না নুসরাত তাবাসসুমের। ফলে নুসরাত তাবাসসুমকে এই বিষয়ে সরাসরি উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করতে হবে।
সিফাত বলেন, ‘হাইকোর্ট নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রকে অন-মেরিট’ যাচাই করার রুল ইস্যু করে ডাইরেকশন দিলে মনোনয়নপত্রটি যাচাই করে সিদ্ধান্ত জানাবে কমিশন। আমরা অতিদ্রুত এই বিষয়ে আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করব।’
সবশেষে সিফাত লেখেন, ‘এই আসনটি এনসিপিরই থাকবে, ইনশা আল্লাহ। আইনি লড়াইয়ের জন্য আমরা প্রস্তুত।’
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পর মনোনয়নপত্র জমা দেন নুসরাত তাবাসসুম। বিলম্ব হওয়ায় তাঁর আবেদনটি গ্রহণ করা হয়নি বলে গতকাল বুধবার সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন।

এনটিআরসিএর মাধ্যমে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া বাতিল করে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হলে ঘুষ, তদবির, রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বজনপ্রীতির বাণিজ্য আবারও বিস্তার লাভ করবে...
১ ঘণ্টা আগে
বিগত সরকার যেভাবে কুইক রেন্টাল ও ‘দায়মুক্তি আইনে’র সুযোগ নিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে, আজও একই বিপজ্জনক প্রেসক্রিপশন বাস্তবায়নের অপচেষ্টা করা হচ্ছে।
৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপি ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা চালিয়ে ক্ষমতায় গিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যারাই যাবে, তাদের এই দেশে থাকা হবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, যদি সংস্কার হতো কর্নেল (অব.) অলি সাহেব নিশ্চিতভাবে বিজয়ী হতেন এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে তিনি আজকে নির্বাচিত হতেন। এই সম্ভাবনাটা সমজ্জ্বল ছিল।
১০ ঘণ্টা আগে