নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপিতে যোগ দিলেন ২৪ জন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা। এঁদের মধ্যে ১৮ জনই সেনাবাহিনীর সদস্য। অবশিষ্ট ছয়জনের মধ্যে চারজন বিমানবাহিনীর এবং দুজন নৌবাহিনীর সদস্য।
আজ রোববার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেন তাঁরা। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফুল দিয়ে তাঁদের বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপিতে যোগ দেওয়া অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তারা হলেন সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জহুরুল আলম, কর্নেল (অব.) আব্দুল হক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আইয়ুব, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) নওয়াজ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুস্তাফিজ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাঈদ আলম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) রাশেদ, মেজর (অব.) আজিজ রানা, মেজর (অব.) কোরবান আলী, মেজর (অব.) জাকিউল, মেজর (অব.) আফাজ, মেজর (অব.) মোরতাজা, মেজর (অব.) ছাব্বির, মেজর (অব.) তানভীর, মেজর (অব.) আল আমিন, মেজর (অব.) মনিরুজ্জামান, লেফটেন্যান্ট (অব.) ইমরান, নৌবাহিনীর রিয়ার এডমিরাল (অব.) মুস্তাফিজুর রহমান, কমডোর (অব.) মোস্তফা সহিদ, বিমানবাহিনীর এয়ার কমোডর (অব.) শফিক, এয়ার কমোডর (অব.) শাহ শাহে আলম, স্কোয়াডেন লিডার (অব.) আকতার হাফিজ খান, স্কোয়াডেন লিডার (অব.) শফিকুল ইসলাম।
যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জাতি যখন বড় একটা সংকট অতিক্রম করছে, অস্তিত্বের সংকটের সম্মুখীন হয়েছে, জাতির সামনে যখন একটা সামগ্রিক সংকট উপস্থিত হয়েছে সেই সময়ে আপনাদের এই যোগদান নিঃসন্দেহে শুধু বিএনপিকে নয়, গোটা জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে। সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই আমার দলের পক্ষ থেকে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, আপনাদের আজকের বিএনপিতে যোগ দেওয়া নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে। কারণ আমরা যে সংগ্রাম করছি, লড়াই করছি, এই লড়াইটা শুধু বিএনপির লড়াই সংগ্রাম নয়, এই লড়াই–সংগ্রাম হচ্ছে এই জাতিকে রক্ষা করবার জন্য সংগ্রাম–লড়াই। আমাদের সমস্ত অস্তিত্ব যখন বিপন্ন হয়ে পড়েছে, তখন আপনাদের এই যোগ দেওয়া আমাদের সংগ্রামকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে এবং অনুপ্রাণিত করবে। আমরা অবশ্যই এই সংগ্রামে জয়ী হবো, বাংলাদেশকে মুক্ত করব এবং একটা মুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবো।’
অনুষ্ঠানে দলের ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসেনর উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে ইলাহি আকবর, যোগদানকারীদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জহুরুল, অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার এডমিরাল মুস্তাফিজুর রহমান, কৃষক দলের সহসভাপতি অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল এসএম ফয়সাল প্রমুখ বক্তব্য দেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান ফখরুল আজম, অবসপ্রাপ্ত মেজর নূর ও অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফট্যান্ট হারুনুর রশীদ প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপিতে যোগ দিলেন ২৪ জন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা। এঁদের মধ্যে ১৮ জনই সেনাবাহিনীর সদস্য। অবশিষ্ট ছয়জনের মধ্যে চারজন বিমানবাহিনীর এবং দুজন নৌবাহিনীর সদস্য।
আজ রোববার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেন তাঁরা। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফুল দিয়ে তাঁদের বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপিতে যোগ দেওয়া অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তারা হলেন সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জহুরুল আলম, কর্নেল (অব.) আব্দুল হক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আইয়ুব, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) নওয়াজ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মুস্তাফিজ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাঈদ আলম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) রাশেদ, মেজর (অব.) আজিজ রানা, মেজর (অব.) কোরবান আলী, মেজর (অব.) জাকিউল, মেজর (অব.) আফাজ, মেজর (অব.) মোরতাজা, মেজর (অব.) ছাব্বির, মেজর (অব.) তানভীর, মেজর (অব.) আল আমিন, মেজর (অব.) মনিরুজ্জামান, লেফটেন্যান্ট (অব.) ইমরান, নৌবাহিনীর রিয়ার এডমিরাল (অব.) মুস্তাফিজুর রহমান, কমডোর (অব.) মোস্তফা সহিদ, বিমানবাহিনীর এয়ার কমোডর (অব.) শফিক, এয়ার কমোডর (অব.) শাহ শাহে আলম, স্কোয়াডেন লিডার (অব.) আকতার হাফিজ খান, স্কোয়াডেন লিডার (অব.) শফিকুল ইসলাম।
যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জাতি যখন বড় একটা সংকট অতিক্রম করছে, অস্তিত্বের সংকটের সম্মুখীন হয়েছে, জাতির সামনে যখন একটা সামগ্রিক সংকট উপস্থিত হয়েছে সেই সময়ে আপনাদের এই যোগদান নিঃসন্দেহে শুধু বিএনপিকে নয়, গোটা জাতিকে অনুপ্রাণিত করবে। সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই আমার দলের পক্ষ থেকে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি শুধু এটুকু বলতে চাই, আপনাদের আজকের বিএনপিতে যোগ দেওয়া নিঃসন্দেহে উল্লেখযোগ্য হয়ে থাকবে। কারণ আমরা যে সংগ্রাম করছি, লড়াই করছি, এই লড়াইটা শুধু বিএনপির লড়াই সংগ্রাম নয়, এই লড়াই–সংগ্রাম হচ্ছে এই জাতিকে রক্ষা করবার জন্য সংগ্রাম–লড়াই। আমাদের সমস্ত অস্তিত্ব যখন বিপন্ন হয়ে পড়েছে, তখন আপনাদের এই যোগ দেওয়া আমাদের সংগ্রামকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে এবং অনুপ্রাণিত করবে। আমরা অবশ্যই এই সংগ্রামে জয়ী হবো, বাংলাদেশকে মুক্ত করব এবং একটা মুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবো।’
অনুষ্ঠানে দলের ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসেনর উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে ইলাহি আকবর, যোগদানকারীদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত বিগ্রেডিয়ার জেনারেল জহুরুল, অবসরপ্রাপ্ত রিয়ার এডমিরাল মুস্তাফিজুর রহমান, কৃষক দলের সহসভাপতি অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল এসএম ফয়সাল প্রমুখ বক্তব্য দেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান ফখরুল আজম, অবসপ্রাপ্ত মেজর নূর ও অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফট্যান্ট হারুনুর রশীদ প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৩ মিনিট আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৫ ঘণ্টা আগে
একটি বাসায় কয়েকজন ব্যক্তি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেকগুলো পোস্টাল ব্যালট গুনছেন—এমন একটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা দাবি করেছে বিএনপি।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সংস্কারের পক্ষে ও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, ‘আমরাই সংস্কারের দাবি সবার আগে করেছি। সেই সংস্কারের বিপক্ষে তো আমরা নই, আমরা সেই সংস্কারের পক্ষে। অতএব আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব।
১৭ ঘণ্টা আগে