মারুফ কিবরিয়া, বরিশাল থেকে

বরিশালকে বলা হতো দক্ষিণাঞ্চলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অন্যতম ঘাঁটি। কিন্তু গত এক যুগেরও বেশি সময়ে ধীরে ধীরে পাল্টেছে সেই চিত্র। বিএনপি এখন এখানে বেশ নড়বড়ে। বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপি ও মহানগরীর একাধিক নেতা জানিয়েছেন, প্রশাসনের চাপে রাজনৈতিকভাবে দলীয় কার্যক্রম চালাতে গিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন তাঁরা। এই অবস্থায় দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিএনপিকে আরও বেশি বেকায়দায় ফেলেছে বলে তাঁরা মনে করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক সাংসদ ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার দীর্ঘদিন কমিটিতে একই পদে বহাল। কেন্দ্রীয় এবং এই অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ নেতা হওয়ার কারণে বরিশাল নগরীর অনেকেই তাঁর অনুসারী ছিলেন। কিন্তু কমিটিতে একাধারে সভাপতির পদে থাকায় কিছু নেতা তাঁকে পছন্দ করছেন না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নেতার দাবি, এখন বয়স হয়েছে। তাঁদের মতো নেতারা তরুণদের হাতে দায়িত্ব দিয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারেন। কিন্তু সেটা না করে পদ নিয়ে বসে আছেন।
অবশ্য নগর বিএনপিতে সরোয়ারের বিপক্ষে যেমন আছেন তেমনি পক্ষেও রয়েছেন অনেকে। এসব নেতা বলছেন, বরিশাল নগরে মজিবর রহমান সরোয়ারের বিকল্প কাউকে ভাবা যায় না।
তবে সার্বিক দিক থেকে দলীয় অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে বেশির ভাগই বরিশাল নগরীতে রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞ চালাতে গিয়ে প্রশাসনের বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন।
এসব বিষয়ে কথা হয় মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, দল সঠিক নিয়মে চলছে। এখন তো করোনার সময়। কেন্দ্র থেকে কোনো কর্মসূচি আপাতত নেই। তবে কর্মসূচি সামনে পেলেই শুরু হয় বাধা দেওয়া। এ ছাড়া বিএনপি দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশনা বরিশালে সবাই পালন করছেন।
দলীয় কোন্দলের বিষয়ে জানতে চাইলে মজিবর রহমান বলেন, ‘দেখুন, এমনিই আমাদের কাউন্সিল হচ্ছে না। তার মধ্যে দিয়েই আমাদের কমিটি চালিয়ে নিতে হচ্ছে। আর কিছু মতানৈক্য আছে। তা ঠিক হয়ে যাবে বলে আশা করি।’
প্রশাসনের চাপে দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারছেন না জানিয়ে বরিশাল জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন বলেন, ‘এখানে বড় সমস্যা হলো, প্রশাসনের চাপ। কোনো কর্মসূচি থাকলেই ধরপাকড় শুরু হয়ে যায়। শুধু তা-ই নয়, আমাদের বরিশাল কার্যালয়ের সামনে একটা মানববন্ধন করাও কঠিন হয়ে যায়।’
অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কথা স্বীকার করে এবায়দুল হক বলেন, ‘দলের ভেতর কিছু সুবিধাভোগী নেতা আছে, যারা কখনো দলের জন্য কাজ করে না। এরা দলের ভালো চায় না কখনো।’
জ্যেষ্ঠ নেতারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরলেও তাঁদের নেতৃত্ব নিয়ে খুব একটা সন্তুষ্ট নন বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতারা। তাঁরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে ঘুরেফিরে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা পদে বহাল থেকে দলকে ভালো কিছু দেওয়ার সক্ষমতা হারাচ্ছেন। যে কারণে বিশৃঙ্খলা, সমন্বয়হীনতা ক্রমশই বাড়ছে বরিশাল বিএনপিতে।
বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমস্যা হলো এখানকার সিনিয়রদের নিয়ে। তাঁরা দলের ভেতর নানা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছেন। সমন্বয় নেই কারও মধ্যে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, প্রতিহিংসা। দলের সিনিয়র অনেক নেতাই আমার পেছনে লেগেছেন।
প্রশাসনের সঙ্গে আঁতাত করে আমার বাড়িতে পুলিশ পাঠায়। আমি গত দুই ঈদ বাড়িতে করতে পারিনি। তাই আমি বলব, দলের শৃঙ্খলা ফেরাতে অবশ্যই বড় পরিবর্তন করা দরকার।’
তবে দলে কোনো কোন্দল নেই দাবি করে মহানগর বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমার কাছে কখনো দলীয় ঝামেলা আছে বলে মনে হয়নি। এখনো হচ্ছে না। সরোয়ার ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা নগর বিএনপিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এখানে সবাই ঐক্যবদ্ধ।’

বরিশালকে বলা হতো দক্ষিণাঞ্চলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) অন্যতম ঘাঁটি। কিন্তু গত এক যুগেরও বেশি সময়ে ধীরে ধীরে পাল্টেছে সেই চিত্র। বিএনপি এখন এখানে বেশ নড়বড়ে। বরিশাল জেলা দক্ষিণ বিএনপি ও মহানগরীর একাধিক নেতা জানিয়েছেন, প্রশাসনের চাপে রাজনৈতিকভাবে দলীয় কার্যক্রম চালাতে গিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন তাঁরা। এই অবস্থায় দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিএনপিকে আরও বেশি বেকায়দায় ফেলেছে বলে তাঁরা মনে করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সাবেক সাংসদ ও মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার দীর্ঘদিন কমিটিতে একই পদে বহাল। কেন্দ্রীয় এবং এই অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ নেতা হওয়ার কারণে বরিশাল নগরীর অনেকেই তাঁর অনুসারী ছিলেন। কিন্তু কমিটিতে একাধারে সভাপতির পদে থাকায় কিছু নেতা তাঁকে পছন্দ করছেন না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক নেতার দাবি, এখন বয়স হয়েছে। তাঁদের মতো নেতারা তরুণদের হাতে দায়িত্ব দিয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারেন। কিন্তু সেটা না করে পদ নিয়ে বসে আছেন।
অবশ্য নগর বিএনপিতে সরোয়ারের বিপক্ষে যেমন আছেন তেমনি পক্ষেও রয়েছেন অনেকে। এসব নেতা বলছেন, বরিশাল নগরে মজিবর রহমান সরোয়ারের বিকল্প কাউকে ভাবা যায় না।
তবে সার্বিক দিক থেকে দলীয় অবস্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে বেশির ভাগই বরিশাল নগরীতে রাজনৈতিক কর্মযজ্ঞ চালাতে গিয়ে প্রশাসনের বাধা দেওয়ার অভিযোগ করেন।
এসব বিষয়ে কথা হয় মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ারের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, দল সঠিক নিয়মে চলছে। এখন তো করোনার সময়। কেন্দ্র থেকে কোনো কর্মসূচি আপাতত নেই। তবে কর্মসূচি সামনে পেলেই শুরু হয় বাধা দেওয়া। এ ছাড়া বিএনপি দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশনা বরিশালে সবাই পালন করছেন।
দলীয় কোন্দলের বিষয়ে জানতে চাইলে মজিবর রহমান বলেন, ‘দেখুন, এমনিই আমাদের কাউন্সিল হচ্ছে না। তার মধ্যে দিয়েই আমাদের কমিটি চালিয়ে নিতে হচ্ছে। আর কিছু মতানৈক্য আছে। তা ঠিক হয়ে যাবে বলে আশা করি।’
প্রশাসনের চাপে দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারছেন না জানিয়ে বরিশাল জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন বলেন, ‘এখানে বড় সমস্যা হলো, প্রশাসনের চাপ। কোনো কর্মসূচি থাকলেই ধরপাকড় শুরু হয়ে যায়। শুধু তা-ই নয়, আমাদের বরিশাল কার্যালয়ের সামনে একটা মানববন্ধন করাও কঠিন হয়ে যায়।’
অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কথা স্বীকার করে এবায়দুল হক বলেন, ‘দলের ভেতর কিছু সুবিধাভোগী নেতা আছে, যারা কখনো দলের জন্য কাজ করে না। এরা দলের ভালো চায় না কখনো।’
জ্যেষ্ঠ নেতারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরলেও তাঁদের নেতৃত্ব নিয়ে খুব একটা সন্তুষ্ট নন বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতারা। তাঁরা মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে ঘুরেফিরে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা পদে বহাল থেকে দলকে ভালো কিছু দেওয়ার সক্ষমতা হারাচ্ছেন। যে কারণে বিশৃঙ্খলা, সমন্বয়হীনতা ক্রমশই বাড়ছে বরিশাল বিএনপিতে।
বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সমস্যা হলো এখানকার সিনিয়রদের নিয়ে। তাঁরা দলের ভেতর নানা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছেন। সমন্বয় নেই কারও মধ্যে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, প্রতিহিংসা। দলের সিনিয়র অনেক নেতাই আমার পেছনে লেগেছেন।
প্রশাসনের সঙ্গে আঁতাত করে আমার বাড়িতে পুলিশ পাঠায়। আমি গত দুই ঈদ বাড়িতে করতে পারিনি। তাই আমি বলব, দলের শৃঙ্খলা ফেরাতে অবশ্যই বড় পরিবর্তন করা দরকার।’
তবে দলে কোনো কোন্দল নেই দাবি করে মহানগর বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমার কাছে কখনো দলীয় ঝামেলা আছে বলে মনে হয়নি। এখনো হচ্ছে না। সরোয়ার ভাইয়ের নেতৃত্বে আমরা নগর বিএনপিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। এখানে সবাই ঐক্যবদ্ধ।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন দেশের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিকদের একটি প্রতিনিধিদল। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাঁরা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
৯ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
৯ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
১০ ঘণ্টা আগে