নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এখন একজন মার্কিন কূটনীতিক ঢাকায়। তিনি যখন সরকারের সঙ্গে কথা বলেছেন, তখন পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন—যে দেশে গণতন্ত্র নিম্নগামী থাকবে, নিচের দিকে চলে যাবে, তাদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কও নিম্নগামী হবে, সহযোগিতা কমে আসবে।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নাগরিক সমাবেশে এ কথা বলেন আমীর খসরু। তেল, গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের উদ্যোগে এই সমাবেশ হয়।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর আমেরিকান সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সফররত মার্কিন কূটনীতিক ডেরেক শোলে বলেন, ‘বিশ্বের যেকোনো দেশে গণতন্ত্র সংকুচিত হয়ে পড়লে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা সীমিত করে নেয়। এর মানে এই নয় যে আমরা সহযোগিতা করব না। এর মানে এটাও নয় যে আমাদের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ নয়। সম্পর্ক সীমিত করার বিষয়টি বিবেচনায় আসে ব্যবসা-বিনিয়োগের ক্ষেত্রে।’
এ প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, ‘এগুলো সবচেয়ে কঠিন কথা। মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস নেই বলেছেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া কোনো গণতন্ত্র চলতে পারে না। এই কথাগুলো ঢাকায় বসে তিনি বলেছেন। কত অপমানকর!’
বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা আওয়ামী লীগের পকেটে চলে গেছে। এ জন্য বাংলাদেশের মানুষ যেমন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে, তেমনি বিশ্ববাসী, বিশ্ববিবেক প্রতিবাদ করছে। এই প্রতিবাদ বাংলাদেশে যেমন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে, বিশ্ববাসীও জোর করে ক্ষমতায় যাওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে।
ক্ষমতাসীনদের সমালোচনা করে আমীর খসরু বলেন, ‘সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে রাষ্ট্রীয় ও দলীয় সন্ত্রাস ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। পতন ঠেকাতে কখনো দুটোকেই তারা একত্রে ব্যবহার করছে। গুম-খুন-আক্রমণ-গ্রেপ্তার-ভয়ভীতি দেখানো ইত্যাদিই তাদের এখন ক্ষমতায় টিকে থাকার অস্ত্র।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির কোনো আগ্রহ নেই জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, যাঁরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে রয়েছেন, তাঁরা নিজেরাই অবৈধ। কারণ, বর্তমান সরকার নির্বাচিত নয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এখন একজন মার্কিন কূটনীতিক ঢাকায়। তিনি যখন সরকারের সঙ্গে কথা বলেছেন, তখন পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন—যে দেশে গণতন্ত্র নিম্নগামী থাকবে, নিচের দিকে চলে যাবে, তাদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কও নিম্নগামী হবে, সহযোগিতা কমে আসবে।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নাগরিক সমাবেশে এ কথা বলেন আমীর খসরু। তেল, গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের উদ্যোগে এই সমাবেশ হয়।
বুধবার বিকেলে রাজধানীর আমেরিকান সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সফররত মার্কিন কূটনীতিক ডেরেক শোলে বলেন, ‘বিশ্বের যেকোনো দেশে গণতন্ত্র সংকুচিত হয়ে পড়লে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা সীমিত করে নেয়। এর মানে এই নয় যে আমরা সহযোগিতা করব না। এর মানে এটাও নয় যে আমাদের সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ নয়। সম্পর্ক সীমিত করার বিষয়টি বিবেচনায় আসে ব্যবসা-বিনিয়োগের ক্ষেত্রে।’
এ প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, ‘এগুলো সবচেয়ে কঠিন কথা। মানবাধিকার প্রশ্নে কোনো আপস নেই বলেছেন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ছাড়া কোনো গণতন্ত্র চলতে পারে না। এই কথাগুলো ঢাকায় বসে তিনি বলেছেন। কত অপমানকর!’
বিএনপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা আওয়ামী লীগের পকেটে চলে গেছে। এ জন্য বাংলাদেশের মানুষ যেমন রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছে, তেমনি বিশ্ববাসী, বিশ্ববিবেক প্রতিবাদ করছে। এই প্রতিবাদ বাংলাদেশে যেমন তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে, বিশ্ববাসীও জোর করে ক্ষমতায় যাওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে।
ক্ষমতাসীনদের সমালোচনা করে আমীর খসরু বলেন, ‘সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে রাষ্ট্রীয় ও দলীয় সন্ত্রাস ব্যবহার করে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। পতন ঠেকাতে কখনো দুটোকেই তারা একত্রে ব্যবহার করছে। গুম-খুন-আক্রমণ-গ্রেপ্তার-ভয়ভীতি দেখানো ইত্যাদিই তাদের এখন ক্ষমতায় টিকে থাকার অস্ত্র।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির কোনো আগ্রহ নেই জানিয়ে আমীর খসরু বলেন, যাঁরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে রয়েছেন, তাঁরা নিজেরাই অবৈধ। কারণ, বর্তমান সরকার নির্বাচিত নয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
১ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের অন্যতম দুটি দলের নেতা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বৈঠক করেছেন। আজ সোমবার বেলা ৩টায় মাওলানা মো. মামুনুল হকের বাসায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
২ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল বা পরশুর মধ্যে জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে। এমনটাই জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ সোমবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে