
জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে এবং পায়রা উড়িয়ে আওয়ামী লীগের ২২তম সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।
আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দলটির প্রধান। এর আগে সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছান তিনি। এ সময় মুহুর্মুহু স্লোগানে মুখরিত হয় ওঠে পুরো সমাবেশস্থল।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে কাউন্সিলর, ডেলিগেট, সম্মানিত অতিথি ও নেতা–কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকেই নেতা–কর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হয়েছেন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানমুখী সড়কগুলো দলীয় নেতা–কর্মীদের মিছিলে স্লোগানমুখর হয়ে উঠেছে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতা–কর্মীরা সমাবেশস্থলকে স্লোগানমুখর করে তুলেছেন। সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে দেখা গেছে।
গতকাল ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের পাশে রমনা কালীমন্দিরমুখী করে সম্মেলন মঞ্চ করা হয়। পদ্মা সেতু ও নৌকার আদলে ৮২ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৪৪ ফুট প্রস্থের এই মঞ্চে আছে ১২০ জনের আসন।
দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাত হাজার কাউন্সিলর যোগ দিচ্ছেন সম্মেলনে। তাঁদেরই ভোট দিয়ে তিন বছরের জন্য দলের নেতৃত্ব নির্ধারণ করার কথা। এবার থাকছেন না কোনো বিদেশি অতিথি। তবে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীদের পদচারণায় পুরো এলাকায় একটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে দেখতে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁকে দেখতে যান জামায়াত আমির।
৪ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩ জন নিহত এবং আরও কয়েকজন গুরুতরভাবে আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোক বিবৃতিতে এমন প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, আমরা অনুরোধ করেছিলাম যে এই সংসদে যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ছিল, যারা খুনের সহযোগী ছিল, তারা কেউ যেন এখানে কোনো বক্তব্য রাখতে না পারে। এই রাষ্ট্রপতি তিন কারণে অপরাধী, তাঁর বক্তব্য এই মহান সংসদে আমরা শুনতে পারি না।’
৯ ঘণ্টা আগে
এ সময় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে তিন শব্দের একটি পোস্ট দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘Get out Chuppu.’
৯ ঘণ্টা আগে