নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশিদের রক্তে প্রতিদিন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত রঞ্জিত হচ্ছে। সীমান্তবর্তী বাংলাদেশি মানুষের জীবনের নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবে বিপন্ন। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড সম্ভব হচ্ছে কেবলমাত্র ডামি আওয়ামী সরকারের নতজানু নীতির কারণে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার বিচার চাওয়া দূরের কথা, প্রতিবাদ করতেও পারে না আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী। দেশের সার্বভৌমত্ব দিন দিন দুর্বল করা হয়েছে বলেই আওয়ামী সরকার নীরবতা পালন করে।’
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে খুশি রাখাই যেন ভোটারবিহীন আওয়ামী সরকারের পররাষ্ট্রনীতি। গণতন্ত্রহীন বাংলাদেশি জনগণের নিরাপত্তাকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে ভিনদেশি ইচ্ছা—অনিচ্ছার ওপর। গণতন্ত্রের অনুপস্থিতিতে জনগণের শাসন নেই বলেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী নির্বিচারে নির্বিঘ্নে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। তারা জানে বাংলাদেশের অবৈধ শাসকগোষ্ঠী তাদের রক্তপাত থামাতে এগিয়ে আসবে না।’

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বুধবার এক বিবৃতিতে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশিদের রক্তে প্রতিদিন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত রঞ্জিত হচ্ছে। সীমান্তবর্তী বাংলাদেশি মানুষের জীবনের নিরাপত্তা সম্পূর্ণভাবে বিপন্ন। এ ধরনের হত্যাকাণ্ড সম্ভব হচ্ছে কেবলমাত্র ডামি আওয়ামী সরকারের নতজানু নীতির কারণে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার বিচার চাওয়া দূরের কথা, প্রতিবাদ করতেও পারে না আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী। দেশের সার্বভৌমত্ব দিন দিন দুর্বল করা হয়েছে বলেই আওয়ামী সরকার নীরবতা পালন করে।’
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে খুশি রাখাই যেন ভোটারবিহীন আওয়ামী সরকারের পররাষ্ট্রনীতি। গণতন্ত্রহীন বাংলাদেশি জনগণের নিরাপত্তাকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে ভিনদেশি ইচ্ছা—অনিচ্ছার ওপর। গণতন্ত্রের অনুপস্থিতিতে জনগণের শাসন নেই বলেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী নির্বিচারে নির্বিঘ্নে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। তারা জানে বাংলাদেশের অবৈধ শাসকগোষ্ঠী তাদের রক্তপাত থামাতে এগিয়ে আসবে না।’

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু। একই দলের দুই শীর্ষস্থানীয় নেতার ভিন্ন অবস্থান সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি করেছে বিভ্রান
২ ঘণ্টা আগে
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের সরু গলিতে সকাল থেকেই মানুষের ভিড়। দুই পাশে শতবর্ষী ভবন, মাঝে পুরোনো বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ঝুলে পড়া তার—যেন সময় এখানে থমকে আছে। ঠিক এই গলিতে দাঁড়িয়ে ৬২ বছর বয়সী ব্যবসায়ী আবদুল করিম বলেন, ‘ভোট তো দিমু, কিন্তু বদল কি হইব? এইটাই প্রশ্ন।’
২ ঘণ্টা আগে
পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আসনটিতে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে বিজয়ী করতে দৃঢ় ও কঠোর অবস্থানে গেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় শেষ পর্যন্ত গতকাল শনিবার এই আসনের দুই উপজেলা ও একটি পৌর শাখার দলীয়
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) শুনানির এক পর্যায়ে ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপির প্রার্থী আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) বাগ্বিতণ্ডায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বাধে হট্টগোল।
৫ ঘণ্টা আগে