নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে ফ্যাসিবাদের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন গত সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের। তিনি বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদের চরিত্রে কোনো রকম পরিবর্তন আমরা দেখি না। প্রতিবিম্ব দেখছি, ফ্যাসিবাদী সরকার যাকে বলেন, কর্তৃত্ববাদী সরকার বলেন, অত্যাচারী সরকার বলেন, বৈষম্যের সরকার বলেন, সেই সরকারের প্রতিচ্ছবি আমরা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দেখছি।’
আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির এক কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল।
জি এম কাদের বলেন, ‘তখন (শেখ হাসিনার আমলে) বৈষম্য সৃষ্টি, অত্যাচার, অনাচারে ব্যবহার করা হতো মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাযুদ্ধের চেতনা ইত্যাদি ইত্যাদি বলে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঠিক উল্টো রাস্তা ধরছেন। তাঁরা যা করছেন মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং স্বাধীনতাযুদ্ধের সবকিছু—এগুলো ছিল খারাপ, এগুলোকে বর্জন করতে হবে। যারা বর্জন করবে তারা ওদের কাছে (অন্তর্বর্তী সরকার) গ্রহণযোগ্য হবে।’
জুলাই আন্দোলনে জাপার নেতা-কর্মীরা মাঠে ছিলেন দাবি করে তিনি বলেন, ‘জুলাই থেকে শুরু করে ৫ আগস্ট পর্যন্ত জাতীয় পার্টি আন্দোলনকারীদের সমর্থনে প্রতিদিন বক্তব্য দিয়েছে। এ কথা স্পষ্ট করে আজকে বলতে চাই। অনেকে বলছেন, আমরা দোসর ছিলাম এবং আমাদের রাজনীতি করতে দেবেন না। কেন রাজনীতি করতে দিচ্ছেন না, সেটা আমাদের কাছে পরিষ্কার। উদ্দেশ্য একটাই, আমরা জনগণের মনের কথা সব সময় বলেছি।’
জি এম কাদের বলেন, ‘আমি বারংবার ছাত্রদের নানাভাবে উৎসাহিত করেছি, তাদের পেছনে দাঁড়িয়েছি। আমদের লোক যেখানে যেখানে ছিল, তারা ছাত্রদের পক্ষে কাজ করেছে। রংপুরে দুজন শহীদ হয়েছে। চারজন জেলখানায় ছিল।’
গণ-অভ্যুত্থানের জনগণের প্রত্যাশার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণ চেয়েছিল একটি ভালো নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিক পথে ফিরে যাব। সেই গণতন্ত্রের মাধ্যমে জবাবদিহির একটি সরকার করব। সেখানে ফ্যাসিবাদের উত্থান হবে না, কর্তৃত্ববাদী সরকার টিকতে পারবে না। এটা ছিল জনগণের একমাত্র চাহিদা।’
জি এম কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনা চেয়েছিলেন নির্বাচন করবেন শুধু তাঁর কিছু লোক দিয়ে, কিছু দল দিয়ে এবং বিএনপি-জামায়াতকে তাঁরা বাইরে রেখেছিলেন। কিন্তু কোনো আইন করে বাদ দেন নাই। শেখ হাসিনা কোনো আইন করেননি। পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁরা আসতে পারেননি বা আসে নাই। কিন্তু আপনারা যাঁদের বাদ দিতে চাচ্ছেন, তাঁদের আইন করে বাদ দিয়ে দিচ্ছেন।’
জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনকেই গ্রহণযোগ্য করানো এখনো সম্ভব হয় নাই। জাতীয় নির্বাচন কীভাবে গ্রহণযোগ্য করাবেন? নিজেদের ইচ্ছেমতো মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেললে, এটা দেশবাসী কখনো গ্রহণ করবে না। নির্বাচনে যদি সবাইকে ইনক্লুসিভ না করেন, তাহলে দেশবাসীর কাছে বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না। অন্তর্বর্তী সরকার কিছু ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার চাইতেও বেশি করছেন।’
মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘চরম সংকটময় অবস্থায় বাংলাদেশ চলছে। একটা হচ্ছে ব্যান করো। এই সরকার তো ব্যান করতে আসেনি। এই সরকারকে সবাই মিলে আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম, দেশ গড়ার জন্য, ঐকমত্য সৃষ্টির জন্য, সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার করার জন্য, অত্যাবশ্যকীয় সংস্কার করার জন্য, নির্বাচন করার জন্য।’
নির্বাচন করা না গেলে সংস্কার টেকসই হবে না, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথম থেকেই ব্যানের দাবি, ব্যানের মব, শেষে ব্যান হয়ে যায়। আজ আমাদেরও অনেকে ব্যান করার দাবি তুলছে। সবাইকে যদি ব্যান করা হয়, তাহলে নির্বাচন কাকে নিয়ে হবে? নির্বাচনেরই বা কী দরকার? যদি সরকারি দলের বাইরে সকল দলকে ব্যান করে দেন, তাহলে নির্বাচন প্রতিনিধিত্বমূলক হবে না। ফলে যে সমস্যার আবর্তনে বাংলাদেশ ঘূর্ণিপাক খাচ্ছিল, আবারও সেই সমস্যার মধ্যেই দেশ ঘূর্ণিপাক খাবে।’
সমাবেশে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মীর আব্দুস সবুর আসুদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, শেরীফা কাদের, মনিরুল ইসলাম, নুরুন্নাহার প্রমুখ।

অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে ফ্যাসিবাদের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন গত সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের। তিনি বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদের চরিত্রে কোনো রকম পরিবর্তন আমরা দেখি না। প্রতিবিম্ব দেখছি, ফ্যাসিবাদী সরকার যাকে বলেন, কর্তৃত্ববাদী সরকার বলেন, অত্যাচারী সরকার বলেন, বৈষম্যের সরকার বলেন, সেই সরকারের প্রতিচ্ছবি আমরা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দেখছি।’
আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির এক কর্মী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল।
জি এম কাদের বলেন, ‘তখন (শেখ হাসিনার আমলে) বৈষম্য সৃষ্টি, অত্যাচার, অনাচারে ব্যবহার করা হতো মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাযুদ্ধের চেতনা ইত্যাদি ইত্যাদি বলে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঠিক উল্টো রাস্তা ধরছেন। তাঁরা যা করছেন মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং স্বাধীনতাযুদ্ধের সবকিছু—এগুলো ছিল খারাপ, এগুলোকে বর্জন করতে হবে। যারা বর্জন করবে তারা ওদের কাছে (অন্তর্বর্তী সরকার) গ্রহণযোগ্য হবে।’
জুলাই আন্দোলনে জাপার নেতা-কর্মীরা মাঠে ছিলেন দাবি করে তিনি বলেন, ‘জুলাই থেকে শুরু করে ৫ আগস্ট পর্যন্ত জাতীয় পার্টি আন্দোলনকারীদের সমর্থনে প্রতিদিন বক্তব্য দিয়েছে। এ কথা স্পষ্ট করে আজকে বলতে চাই। অনেকে বলছেন, আমরা দোসর ছিলাম এবং আমাদের রাজনীতি করতে দেবেন না। কেন রাজনীতি করতে দিচ্ছেন না, সেটা আমাদের কাছে পরিষ্কার। উদ্দেশ্য একটাই, আমরা জনগণের মনের কথা সব সময় বলেছি।’
জি এম কাদের বলেন, ‘আমি বারংবার ছাত্রদের নানাভাবে উৎসাহিত করেছি, তাদের পেছনে দাঁড়িয়েছি। আমদের লোক যেখানে যেখানে ছিল, তারা ছাত্রদের পক্ষে কাজ করেছে। রংপুরে দুজন শহীদ হয়েছে। চারজন জেলখানায় ছিল।’
গণ-অভ্যুত্থানের জনগণের প্রত্যাশার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণ চেয়েছিল একটি ভালো নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিক পথে ফিরে যাব। সেই গণতন্ত্রের মাধ্যমে জবাবদিহির একটি সরকার করব। সেখানে ফ্যাসিবাদের উত্থান হবে না, কর্তৃত্ববাদী সরকার টিকতে পারবে না। এটা ছিল জনগণের একমাত্র চাহিদা।’
জি এম কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনা চেয়েছিলেন নির্বাচন করবেন শুধু তাঁর কিছু লোক দিয়ে, কিছু দল দিয়ে এবং বিএনপি-জামায়াতকে তাঁরা বাইরে রেখেছিলেন। কিন্তু কোনো আইন করে বাদ দেন নাই। শেখ হাসিনা কোনো আইন করেননি। পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁরা আসতে পারেননি বা আসে নাই। কিন্তু আপনারা যাঁদের বাদ দিতে চাচ্ছেন, তাঁদের আইন করে বাদ দিয়ে দিচ্ছেন।’
জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে জি এম কাদের বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনকেই গ্রহণযোগ্য করানো এখনো সম্ভব হয় নাই। জাতীয় নির্বাচন কীভাবে গ্রহণযোগ্য করাবেন? নিজেদের ইচ্ছেমতো মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মুছে ফেললে, এটা দেশবাসী কখনো গ্রহণ করবে না। নির্বাচনে যদি সবাইকে ইনক্লুসিভ না করেন, তাহলে দেশবাসীর কাছে বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না। অন্তর্বর্তী সরকার কিছু ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার চাইতেও বেশি করছেন।’
মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘চরম সংকটময় অবস্থায় বাংলাদেশ চলছে। একটা হচ্ছে ব্যান করো। এই সরকার তো ব্যান করতে আসেনি। এই সরকারকে সবাই মিলে আমরা আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম, দেশ গড়ার জন্য, ঐকমত্য সৃষ্টির জন্য, সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার করার জন্য, অত্যাবশ্যকীয় সংস্কার করার জন্য, নির্বাচন করার জন্য।’
নির্বাচন করা না গেলে সংস্কার টেকসই হবে না, উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘প্রথম থেকেই ব্যানের দাবি, ব্যানের মব, শেষে ব্যান হয়ে যায়। আজ আমাদেরও অনেকে ব্যান করার দাবি তুলছে। সবাইকে যদি ব্যান করা হয়, তাহলে নির্বাচন কাকে নিয়ে হবে? নির্বাচনেরই বা কী দরকার? যদি সরকারি দলের বাইরে সকল দলকে ব্যান করে দেন, তাহলে নির্বাচন প্রতিনিধিত্বমূলক হবে না। ফলে যে সমস্যার আবর্তনে বাংলাদেশ ঘূর্ণিপাক খাচ্ছিল, আবারও সেই সমস্যার মধ্যেই দেশ ঘূর্ণিপাক খাবে।’
সমাবেশে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মীর আব্দুস সবুর আসুদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, শেরীফা কাদের, মনিরুল ইসলাম, নুরুন্নাহার প্রমুখ।

রাজনীতিবিদেরা যদি জনগণের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ কখনোই সম্ভব হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় নির্বাচন ২০২৬ ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।
২৭ মিনিট আগে
কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি নেওয়াজ খান বাপ্পিসহ ২৮ জন সহসভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলামসহ ২৫ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সহসভাপতি পদমর্যাদায় দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী ত্বোহা, প্রচার সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, অর্থ সম্পাদক পদে রয়েছেন তারেক আজাদ।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
১৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
১৫ ঘণ্টা আগে