নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা দলগুলোকে আগামী এক মাসের মধ্যে নিবন্ধন না দেওয়া হলে আবেদনকারী সকল দলকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর। আজ বুধবার বিকেলে গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে ‘রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কালো আইন বাতিল ও সুষ্ঠু নির্বাচনে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা’—শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘আগামী এক মাসের মধ্যে ইসিতে আবেদনকারী দলগুলোকে নিবন্ধন দিতে হবে, তা না হলে আবেদনকারী দলসমূহকে নিয়ে ইসির কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। আমরা ইসির শর্ত মেনে আবেদন করেছি, আমরা অবশ্যই নিবন্ধন পাব। কারণ তাদের শর্তের চেয়ে বেশি কাগজপত্র জমা দিয়েছি। ইসির এই আইন সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। তাই আমরা এটিকে একটি কালো আইন বলছি।’
বর্তমান অবৈধ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে যে কারও সঙ্গে আন্দোলন করতে গণঅধিকার পরিষদ প্রস্তুত আছে জানিয়ে নুর বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না, তা ১৮ সালে প্রমাণ হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা ১৮ সালে দেওয়া কথা রাখেননি, তাই তাঁকে আর বিশ্বাস করা যাবে না।’
আলোচনা সভায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, ‘বাংলাদেশে একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় মানুষ বসবাস করছে। বিদ্যমান নিবন্ধন আইনে নিবন্ধন সম্ভব না। আগে সরকারকে পরিবর্তন করতে হবে তারপর অন্য ব্যবস্থা।’
রাষ্ট্র বিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘যে দেশে বুদ্ধিজীবীরা রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে না, সে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না। বর্তমান সরকার চীনের সঙ্গে গাঁটছড়া বাধার পাঁয়তারা করছেন। ইন্ডিয়ার সরকার আমাদের বন্ধু নয় তবে ইন্ডিয়ার জনগণ আমাদের বন্ধু। তিস্তা প্রকল্প চীনকে দিলে বাংলাদেশ আফগানিস্তান হতে পারে। এই সরকারের পদত্যাগের জন্য সকল বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করতে হবে।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির সদস্যসচিব মুজিবুর রহমান মঞ্জু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, নৈতিক সমাজের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আমসা আমিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনডিপির চেয়ারম্যান আবু তাহের, বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ গণমুক্তির পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোমেন, বাংলাদেশ সর্বজনীন দলের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ সোহেল, বাংলাদেশ জাতীয় লীগের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার ইফতেখার, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুমন কুমার, জনতার অধিকার পার্টির চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলামসহ প্রমুখ।

নিবন্ধনের জন্য আবেদন করা দলগুলোকে আগামী এক মাসের মধ্যে নিবন্ধন না দেওয়া হলে আবেদনকারী সকল দলকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল হক নুর। আজ বুধবার বিকেলে গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে ‘রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কালো আইন বাতিল ও সুষ্ঠু নির্বাচনে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা’—শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি।
নুরুল হক নুর বলেন, ‘আগামী এক মাসের মধ্যে ইসিতে আবেদনকারী দলগুলোকে নিবন্ধন দিতে হবে, তা না হলে আবেদনকারী দলসমূহকে নিয়ে ইসির কার্যালয় ঘেরাও করা হবে। আমরা ইসির শর্ত মেনে আবেদন করেছি, আমরা অবশ্যই নিবন্ধন পাব। কারণ তাদের শর্তের চেয়ে বেশি কাগজপত্র জমা দিয়েছি। ইসির এই আইন সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। তাই আমরা এটিকে একটি কালো আইন বলছি।’
বর্তমান অবৈধ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে যে কারও সঙ্গে আন্দোলন করতে গণঅধিকার পরিষদ প্রস্তুত আছে জানিয়ে নুর বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না, তা ১৮ সালে প্রমাণ হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা ১৮ সালে দেওয়া কথা রাখেননি, তাই তাঁকে আর বিশ্বাস করা যাবে না।’
আলোচনা সভায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুল লতিফ মাসুম বলেন, ‘বাংলাদেশে একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় মানুষ বসবাস করছে। বিদ্যমান নিবন্ধন আইনে নিবন্ধন সম্ভব না। আগে সরকারকে পরিবর্তন করতে হবে তারপর অন্য ব্যবস্থা।’
রাষ্ট্র বিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘যে দেশে বুদ্ধিজীবীরা রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে না, সে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না। বর্তমান সরকার চীনের সঙ্গে গাঁটছড়া বাধার পাঁয়তারা করছেন। ইন্ডিয়ার সরকার আমাদের বন্ধু নয় তবে ইন্ডিয়ার জনগণ আমাদের বন্ধু। তিস্তা প্রকল্প চীনকে দিলে বাংলাদেশ আফগানিস্তান হতে পারে। এই সরকারের পদত্যাগের জন্য সকল বিরোধী দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করতে হবে।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির সদস্যসচিব মুজিবুর রহমান মঞ্জু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম, নৈতিক সমাজের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আমসা আমিন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনডিপির চেয়ারম্যান আবু তাহের, বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ গণমুক্তির পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোমেন, বাংলাদেশ সর্বজনীন দলের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ সোহেল, বাংলাদেশ জাতীয় লীগের চেয়ারম্যান ড. শাহরিয়ার ইফতেখার, বাংলাদেশ সনাতন পার্টির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুমন কুমার, জনতার অধিকার পার্টির চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলামসহ প্রমুখ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে দলীয় ও মিত্র দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোটের মাঠে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু কোথাও কোথাও এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা। দলের সমর্থন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের লড়াইয়ে থেকে যাওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন তাঁরা।
৪ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক স্টেট সেক্রেটারি অ্যালবার্ট টি. গম্বিস। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন তাঁরা।
৮ ঘণ্টা আগে
‘অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক’ নির্বাচনের জন্য ‘সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ’ আর শর্ত হিসেবে দেখছে না ইউরোপ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বহুল প্রচলিত শব্দ দুটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের (ইইউ ইওএম) প্রধান ইভার্স ইয়াবস।
৯ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে বগুড়া-২ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে তাঁর আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন। এতে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়।
১১ ঘণ্টা আগে