
বিএনপি যদি মনে করে, জুলাই সনদকে বাইপাস করে সরকার টিকিয়ে রাখতে পারবে, তাহলে সেটা ভুল হবে বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি প্রার্থী ও জুলাই যোদ্ধা উমামা ফাতেমা। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নাগরিক ফোরাম ও ভয়েস ফর রিফর্মের যৌথ উদ্যোগে এ নাগরিক সংলাপের আয়োজন করা হয়।
উমামা ফাতেমা বলেন, বিএনপি বর্তমানে ক্ষমতায় আছে ২০৯টা সিট নিয়ে। তারা সবাই সরাসরি বিএনপি থেকে এসেছে। তাদের বিদ্রোহী প্রার্থীরা অনেকে নির্বাচন করেছেন অনেক জায়গায়। হয়তো বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে ওরা সিট বেশি পেতে পারত। তাই বিএনপির মধ্যে একটা কনফিডেন্স কাজ করতে পারে যে, হয়তো আরও অনেক বছর ক্ষমতায় থাকতে চায়। কিন্তু বিএনপি যেটা বুঝতে পারছে না বা হয়তো বুঝতে পারছে বা এটা স্বীকার করতে চাচ্ছে না তারা যে এটা ১৯৯০ সাল না, এটা ২০০৮ সাল না, এটা ২০২৪ সালের একটা অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৈরি হওয়া একটা বাংলাদেশ।
উমামা বলেন, ‘তারা (বিএনপি) যদি মনে করে থাকে বা আমাদের যাঁরা মন্ত্রী-এমপি আছেন বা আমাদের প্রধানমন্ত্রী আছেন, তাঁর কানের কাছে যদি কেউ এই বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়ে থাকে যে, জুলাই সনদকে বাইপাস করে তারা আসলে সরকার টিকিয়ে রাখতে পারবে, তারা আসলে ভুল মনে করছে। বাংলাদেশ একটা বড় ধরনের সাংবিধানিক সংকটের দিকে পা বাড়াবে। একই সঙ্গে জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়ন না হয়, বাংলাদেশ একটা বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে।’
উমামা ফাতেমা বলেন, বিএনপিকে মানুষ এই কারণেই ভোট দিয়েছে যে, মানুষ মনে করে, বর্তমানে যে সংকটের মধ্যে আমরা আছি, এটা থেকে উত্তরণ করা শুধু বিএনপির পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু বিএনপি যদি তার এই লোড বুঝতে না পারে, তার এই ক্যালিবারটা সে বুঝতে না পারে, তাহলে বাংলাদেশকে বড় ধরনের রাজনৈতিক ঝুঁকিতে ফেলবে।
উমামা আরও বলেন, ‘এই নির্বাচনে মোট ভোটারের দ্বিগুণের বেশি ‘‘হ্যাঁ’’ ভোটের মধ্য দিয়ে আমাদের জুলাই সনদ গণভোটে পাস হয়ে এসেছে। সেই গণভোটকে কোনোভাবে যদি এখানে বাইপাস করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে সামনের দিনে এখানে বাংলাদেশবিরোধী যে শক্তিগুলা আছে, তারা জেগে উঠবে, যারা বাংলাদেশকে নানানভাবে আনস্টেবল করে রাখতে চায়।’

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিশংসন করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এ দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, ‘তখন সেনাবাহিনী ও ফ্যাসিস্ট সরকারের পক্ষ থেকে দুটি আলাদা তদন্ত কমিশন গঠন হয়েছিল। দুইটা তদন্তের কোন রিপোর্টই জনগণ জানতে পারলো না এবং সেটা আলোর মুখ দেখলো না। যদি তদন্তের রিপোর্ট জাতির সামনে আসতো, তাহলে হয়তো অনেক সত্য পরিষ্কার হয়ে যেত।
২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে শপথ ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করে শপথ ভঙ্গ করেছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের অপেক্ষা আর দীর্ঘ করা যায় না। অনতিবিলম্বে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারের নামে নাটক সাজিয়ে যেসব নিরপরাধ বিডিআর সদস্যকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাদের মুক্তি ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে