
রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডসহ সব হত্যা-ধর্ষণের দ্রুত বিচার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। সমাবেশে সংগঠনটির নেতাদের অভিযোগ, ছয় মাসের শাসনকালে ক্ষমতাসীন সরকার দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এ অভিযোগ করেন যুক্তফ্রন্টের নেতারা। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকা প্রদক্ষিণ করে।
সমাবেশে নেতারা বলেন, রংপুরের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের পরিবর্তে দ্রুত ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মনগড়া গল্প তৈরি করে সরকার প্রমাণ করেছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে তাদের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্কাফী রতন বলেন, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি, বিচারহীনতা, হত্যা, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও নানা ধরনের সামাজিক অপরাধ সাধারণ মানুষের জীবনকে চরম অনিরাপদ করে তুলেছে। রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকার অভাব এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে ব্যর্থতার কারণে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
কমিউনিস্ট পার্টির এ নেতা অভিযোগ তুলে বলেন, রংপুরে গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের সদস্যদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত মর্মান্তিক ও উদ্বেগজনক। একটি পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার মতো ভয়াবহ ঘটনায় প্রকৃত কারণ এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সব ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে নানা গড়িমসি করা হয়েছে।
দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতারা রংপুরে যাবেন বলে ঘোষণা দেন আবদুল্লাহ ক্কাফী রতন।
সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সাধারণ মানুষ আজ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও অপরাধ দমন ছাড়া গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য মুশতাক হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জুলফিকার আলী, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোশরেফা মিশু, বাসদ (মাহবুব)-এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড হারুনার রশীদ ভূইয়া, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী ফোরামের সদস্য সীমা দত্ত, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

গত ১৭ বছর লড়াই করতে করতে জনগণের রায় নিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করা হয়েছে। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ৬ মাস পার হচ্ছে। এখনই আন্দোলন শুরু করেছেন, এটা ঠিক না। ১১ দলীয় জোটের লংমার্চে জনগণের সাড়া নেই। এই লংমার্চে চিহ্নিত কিছু ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছে। দেশের মানুষ আপনাদের লংমার্চ কর্মসূচি গ্রহণ করেনি
৩৯ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীকে সতর্ক করে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার একটু সাবধান হওয়া উচিত। কারণ, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কিন্তু স্বাভাবিক মৃত্যু হয়নি। অবশ্যই দেশনেত্রীর মৃত্যু স্বাভাবিক, বেগম খালেদা জিয়াকে কেউ হত্যা না করলেও যেভাবে মারা গেছেন, সেটি আমাদের কারও কাম্য ছিল না।’
১ ঘণ্টা আগে
গণমানুষের রায়ের সঙ্গে বেইমানি করে সরকার টিকতে পারবে না। রাষ্ট্র সংস্কারের যে গণ-আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা অর্জনে আমরা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলব। জনগণের এই ঐতিহাসিক রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে রাজপথের আন্দোলন ও জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল
২ ঘণ্টা আগে
সংসদীয় রাজনীতিতে সরকারকে জবাবদিহির আওতায় রাখার জন্য চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের সুযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় সংসদের বিতর্ক দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করে। সংসদীয় গণতন্ত্রকে গতিশীল ও অর্থবহ রাখতে সরকারি দলকে জবাবদিহির মধ্যে রাখা বিরোধী দলের দায়িত্ব।
৩ ঘণ্টা আগে