নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির নেতৃত্বে স্বাধীনতাবিরোধীরা আজও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে।’
আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় শোক দিবসে ধানমন্ডি ৩২-এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
কাদের বলেন, তারা, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে আঘাত হানতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থেকে মোকাবিলা করতে হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড না হলে বাংলাদেশ এত দিনে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হতো। স্বাধীনতাবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির অভিন্ন শত্রু।
কাদের বলেন, সর্বকালের সবার সেরা বাঙ্গালি আমাদের আদর্শের পিতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমর স্মৃতি অবনত চিত্তে স্মরণ করছি আজকের এই ১৫ আগস্টে। এই রক্তাক্ত বিদায় বাংলাদেশকে অনেক পেছনে ঠেলে দিয়েছে। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে ৫০ বছর অর্জন ও উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর এ হত্যাকাণ্ড সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার সম্ভাবনার ওপর চরম আঘাত। সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে বঙ্গমাতা এবং পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়নি সেদিন তারা হত্যা করেছিল বাংলাদেশের মহান গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধকে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল তাদের টার্গেট জানিয়ে কাদের বলেন, আমাদের রণধ্বনি জয় বাংলা, স্বাধীনতার আদর্শ ছিল তাদের টার্গেট। সেটা পরবর্তীকালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর কারাগারের অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড এবং সবশেষ ২১ আগস্টে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে প্রাইম টার্গেট করে যে হামলা পরিচালিত হয়-সবই আসলে একই সূত্রে গাথা, একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশ আজও ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি পায়নি। বঙ্গবন্ধুকে যদি না হারাতাম তাহলে এত দিনে বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত হতো। কিন্তু বঙ্গবন্ধু আমাদের যে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, যে উত্তরাধিকার দিয়েছেন এই জনপদে কোনো দিনও তার মৃত্যু হবে না। এরপর বঙ্গবন্ধুর সৌভাগ্যক্রমে যে অসমাপ্ত কাজ, বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ সৃষ্টির নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অসীম সাহসী কান্ডারি হিসেবে আমাদের দেশকে উন্নয়নে-অর্জনে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির নেতৃত্বে স্বাধীনতাবিরোধীরা আজও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে।’
আজ মঙ্গলবার ভোরে জাতীয় শোক দিবসে ধানমন্ডি ৩২-এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
কাদের বলেন, তারা, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে আঘাত হানতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থেকে মোকাবিলা করতে হবে।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড না হলে বাংলাদেশ এত দিনে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হতো। স্বাধীনতাবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী শক্তি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তির অভিন্ন শত্রু।
কাদের বলেন, সর্বকালের সবার সেরা বাঙ্গালি আমাদের আদর্শের পিতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অমর স্মৃতি অবনত চিত্তে স্মরণ করছি আজকের এই ১৫ আগস্টে। এই রক্তাক্ত বিদায় বাংলাদেশকে অনেক পেছনে ঠেলে দিয়েছে। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে ৫০ বছর অর্জন ও উন্নয়নে বঙ্গবন্ধুর এ হত্যাকাণ্ড সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার সম্ভাবনার ওপর চরম আঘাত। সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে বঙ্গমাতা এবং পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়নি সেদিন তারা হত্যা করেছিল বাংলাদেশের মহান গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধকে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল তাদের টার্গেট জানিয়ে কাদের বলেন, আমাদের রণধ্বনি জয় বাংলা, স্বাধীনতার আদর্শ ছিল তাদের টার্গেট। সেটা পরবর্তীকালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর কারাগারের অভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ড এবং সবশেষ ২১ আগস্টে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে প্রাইম টার্গেট করে যে হামলা পরিচালিত হয়-সবই আসলে একই সূত্রে গাথা, একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশ আজও ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি পায়নি। বঙ্গবন্ধুকে যদি না হারাতাম তাহলে এত দিনে বাংলাদেশ উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত হতো। কিন্তু বঙ্গবন্ধু আমাদের যে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, যে উত্তরাধিকার দিয়েছেন এই জনপদে কোনো দিনও তার মৃত্যু হবে না। এরপর বঙ্গবন্ধুর সৌভাগ্যক্রমে যে অসমাপ্ত কাজ, বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ সৃষ্টির নেতৃত্ব দিয়েছেন সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে আজ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা অসীম সাহসী কান্ডারি হিসেবে আমাদের দেশকে উন্নয়নে-অর্জনে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
২ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৫ ঘণ্টা আগে