আজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে রক্ষার জন্য আপনারা (ভারত) বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের আন্দোলনকারী মানুষের বিরুদ্ধে, শহীদ মুগ্ধের বিরুদ্ধে, শহীদ আবু সাঈদের বিরুদ্ধে আপনারা প্রচারণা চালাচ্ছেন, আমাদের শহীদদের বিরুদ্ধেই সেটা যায়।’
আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিলের আগে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের উদ্যোগে ‘ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দাও’ শীর্ষক এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নয়াপল্টন সড়ক পর্যন্ত মিছিল হয়।
রিজভী বলেন, ‘ভারতে যারা সত্যিকারের প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক, তাঁরা এই সমস্ত মিডিয়াকে বলে গদি মিডিয়া। মানে যারা গদিতে আছে তাঁদের তল্পিবাহক মিডিয়া। একেকটা বয়ান, একেকটা ন্যারেটিভ তৈরি করছেন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। কারণ, শেখ হাসিনার পতনটা একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না।’
ভারতের উদ্দেশে এ সময় রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য আমাদের মহান আত্মত্যাগকে আপনারা ভূলুণ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন। তাতে কোনো লাভ হবে না।’
রিজভী বলেন, ‘ভারতের শাসকগোষ্ঠী যদি মনে করে, সম্প্রসারণ চালিয়ে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানসহ অন্যান্য দেশ আমরা কবজা করে নেবে, তবে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে।’
রিজভী আরও বলেন, ‘ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরা হিন্দু-মুসলমানসহ সবাই একসঙ্গে লড়ব। আপনারা আমাদের পতাকা আগরতলায় সরকারি হাইকমিশনের গেট ভেঙে টেনে নামিয়ে ছিঁড়েছেন। এটা প্রচণ্ড আঘাত, আমাদের বড় আঘাত দিয়েছে ভারতের সাম্প্রদায়িক শাসকগোষ্ঠী। আমরা কি এটা ভুলে যাব, এটা আমরা কোনো দিন ভুলে যাব না।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে রক্ষার জন্য আপনারা (ভারত) বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের আন্দোলনকারী মানুষের বিরুদ্ধে, শহীদ মুগ্ধের বিরুদ্ধে, শহীদ আবু সাঈদের বিরুদ্ধে আপনারা প্রচারণা চালাচ্ছেন, আমাদের শহীদদের বিরুদ্ধেই সেটা যায়।’
আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিলের আগে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন ফ্রন্টের উদ্যোগে ‘ভারতীয় আগ্রাসন রুখে দাও’ শীর্ষক এই বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নয়াপল্টন সড়ক পর্যন্ত মিছিল হয়।
রিজভী বলেন, ‘ভারতে যারা সত্যিকারের প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক, তাঁরা এই সমস্ত মিডিয়াকে বলে গদি মিডিয়া। মানে যারা গদিতে আছে তাঁদের তল্পিবাহক মিডিয়া। একেকটা বয়ান, একেকটা ন্যারেটিভ তৈরি করছেন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। কারণ, শেখ হাসিনার পতনটা একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না।’
ভারতের উদ্দেশে এ সময় রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য আমাদের মহান আত্মত্যাগকে আপনারা ভূলুণ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন। তাতে কোনো লাভ হবে না।’
রিজভী বলেন, ‘ভারতের শাসকগোষ্ঠী যদি মনে করে, সম্প্রসারণ চালিয়ে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানসহ অন্যান্য দেশ আমরা কবজা করে নেবে, তবে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে।’
রিজভী আরও বলেন, ‘ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আমরা হিন্দু-মুসলমানসহ সবাই একসঙ্গে লড়ব। আপনারা আমাদের পতাকা আগরতলায় সরকারি হাইকমিশনের গেট ভেঙে টেনে নামিয়ে ছিঁড়েছেন। এটা প্রচণ্ড আঘাত, আমাদের বড় আঘাত দিয়েছে ভারতের সাম্প্রদায়িক শাসকগোষ্ঠী। আমরা কি এটা ভুলে যাব, এটা আমরা কোনো দিন ভুলে যাব না।’

গুলশান বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আলোচনায় আমরা বলেছি, দেশের স্বার্থে অতীতে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি, আগামীতেও ইনশাআল্লাহ একসঙ্গে কাজ করব। তারেক রহমানসহ উপস্থিত বিএনপির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ একই আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, আমরাও করেছি।’
৬ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সেখানে যান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতা দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন যে ৩০ জন নেতা এই সমঝোতা না করতে দলের আহ্বায়ককে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম নামটি ছিল মুশফিকের। মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের মাধ্যমে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতাকে কেন্দ্র করে অন্তত ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এনসিপি ছাড়লেন।
৪ ঘণ্টা আগে