নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিদায়ী প্রধান বিচারপতি ফয়েজ সিদ্দিকীর বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এ কী কথা শুনি আজি মন্থরার মুখে!’
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে এক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান বিচারপতির বিদায়ী ভাষণ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।
আজ বৃহস্পতিবার বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘বিচার বিভাগ প্রজাতন্ত্রের হৃৎপিণ্ড। একটি দেশের জনগণ শাসন বিভাগ বা আইন বিভাগের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারেন, কিন্তু বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা হারালে সেই জাতিকে খারাপ দিনটির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। বিচার বিভাগ যদি আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ করতে ব্যর্থ বা পিছপা হয়, তাহলে রাষ্ট্র ও নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে বাধ্য।’
হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর এই বক্তব্য প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, ‘এর অর্থ হলো—উনি (প্রধান বিচারপতি) স্বীকার করে নিলেন বাংলাদেশের বিচার বিভাগ পুরোপুরি একটি রাজনৈতিক পরিবেশে কাজকর্ম চালাচ্ছে। ওনার কথা থেকে তো তা-ই মনে হলো। এই বার্তা বিচার বিভাগের জন্য বার্তা, জনগণের প্রতি বার্তা, বিশ্ববাসীর প্রতি বার্তা। অর্থাৎ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন নয়।’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। প্রধান বিচারপতির বিদায়ী ভাষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিচারের নামে অবিচার করবেন। আর চেয়ার থেকে নামার সময় কথা বলবেন। চেয়ার রক্ষার জন্য শেখ হাসিনা যা বলবেন, তা-ই করবেন—এটার নাম বিচার বিভাগ না।’
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, ‘ঐতিহাসিক প্রয়োজনে জিয়াউর রহমান এই বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিএনপি কোনো দিন প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, লগি-বইঠার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক পন্থা অবলম্বন করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে বিএনপি।’

বিদায়ী প্রধান বিচারপতি ফয়েজ সিদ্দিকীর বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘এ কী কথা শুনি আজি মন্থরার মুখে!’
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্তানের মহানগর নাট্যমঞ্চে এক আলোচনা সভায় তিনি প্রধান বিচারপতির বিদায়ী ভাষণ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। দলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।
আজ বৃহস্পতিবার বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘বিচার বিভাগ প্রজাতন্ত্রের হৃৎপিণ্ড। একটি দেশের জনগণ শাসন বিভাগ বা আইন বিভাগের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারেন, কিন্তু বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা হারালে সেই জাতিকে খারাপ দিনটির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। বিচার বিভাগ যদি আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ করতে ব্যর্থ বা পিছপা হয়, তাহলে রাষ্ট্র ও নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে বাধ্য।’
হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর এই বক্তব্য প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, ‘এর অর্থ হলো—উনি (প্রধান বিচারপতি) স্বীকার করে নিলেন বাংলাদেশের বিচার বিভাগ পুরোপুরি একটি রাজনৈতিক পরিবেশে কাজকর্ম চালাচ্ছে। ওনার কথা থেকে তো তা-ই মনে হলো। এই বার্তা বিচার বিভাগের জন্য বার্তা, জনগণের প্রতি বার্তা, বিশ্ববাসীর প্রতি বার্তা। অর্থাৎ বাংলাদেশের বিচার বিভাগ স্বাধীন নয়।’
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। প্রধান বিচারপতির বিদায়ী ভাষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিচারের নামে অবিচার করবেন। আর চেয়ার থেকে নামার সময় কথা বলবেন। চেয়ার রক্ষার জন্য শেখ হাসিনা যা বলবেন, তা-ই করবেন—এটার নাম বিচার বিভাগ না।’
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, ‘ঐতিহাসিক প্রয়োজনে জিয়াউর রহমান এই বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিএনপি কোনো দিন প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না, লগি-বইঠার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক পন্থা অবলম্বন করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করছে বিএনপি।’

একটি বাসার ভেতর পোস্টাল ব্যালট গণনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টি আমি দেখেছি। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে আমি জানি।’
১ ঘণ্টা আগে
উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে কিছু প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। কারও নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেছেন, কিছু কিছু প্রার্থীর কথাবার্তা ও কাজকর্ম উসকানিমূলক। তাঁরা বিধিমালা লঙ্ঘন করে অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
১ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় আন্দোলনরত ১১ দল ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোটের অন্দরে আসন সমঝোতা নিয়ে এক চরম নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে এই জোটে শরিকদের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা গতকাল মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত কাটেনি। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জামায়াতের রশি
৯ ঘণ্টা আগে