নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয়কে ‘দুর্ঘটনা’ না বলে এর পেছনে সম্পূর্ণভাবে সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে বিএনপি। আর এ ব্যর্থতার পেছনে বড় রকমের দুর্নীতি জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ দলটির। প্রতিটি ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটছে দাবি করে জাতির স্বার্থে বর্তমান সরকারের পদত্যাগের বিকল্প দেখছেন না দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে তাঁর বাসায় দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয় এবং দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন জিজ্ঞাসায় তিন নেতাই এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সরকার একটা বোঝা হয়ে গেছে এ দেশের জন্য। এই সরকারকে না সরালে জাতির অস্তিত্বই টিকে থাকা মুশকিল হবে। এখন অবিলম্বে প্রয়োজন এই সরকারের পদত্যাগ।’
‘জনগণের প্রতি এই সরকারের কোন দায় নেই’–এমন মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রেই এমন ঘটনা ঘটছে। পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয়ের ঘটনাটি তাদের দায়িত্বহীনতার অভাবেরই একটা প্রমাণ। অপরিকল্পিতভাবে প্রকল্প গ্রহণের পাশাপাশি দুর্নীতি এ জন্য দায়ী। তিনি বলেন, ‘শুধু অপরিকল্পিত নয়। একটা লক্ষ্য আছে-সেই লক্ষ্যটা হচ্ছে দুর্নীতি করা। দুর্নীতির মাধ্যমে তথাকথিত উন্নয়নের কথা বলে কাজ করে মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার যে এত চেঁচামেচি করছে, বলছে যে, আমরা বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে গেছি, প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদন অনেক বেশি হচ্ছে। গতকালের (মঙ্গলবার) ব্যাপারটা ছিল অস্বাভাবিক। প্রায় সারা দেশেই। ৮ ঘণ্টার মত বেশির ভাগ জায়গাতেই বিদ্যুৎ ছিল না। এ থেকে যা বোঝা যায়, সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনের নাম করে বহু প্রকল্প করেছে, টাকা-পয়সাও বহু বানিয়েছে। এটা করে জাতিকে বড় রকমের একটা বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলেছে। অসহনীয় একটা অনুভূতি জাতি অনুভব করেছে গতকাল।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয় ও জনভোগান্তির জন্য বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার ত্রুটি তুলে ধরেন সাবেক এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, সারা দেশে যে পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো দিয়েছে, সেগুলোর জন্য ইউনিফাইড স্পেসিফিকেশন দেওয়া হয় নাই। বিদ্যুৎ শুধু উৎপাদন করে গেছে, বাড়িয়ে গেছে, ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশনে কাজ করা হয়নি। যথাযথ সমন্বয় না হওয়ায় এ রকম অবস্থা হচ্ছে। এই অবস্থার নিরসন না করা হলে ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনা আরও ঘটবে বলেও জানান তিনি।
বিদ্যুতের নামে প্রচারণা চালিয়ে সরকার মানুষকে বোকা বানিয়েছে অভিযোগ করে টুকু বলেন, ‘এখন ধীরে ধীরে মানুষ দেখতে পাচ্ছে-আসলে কি হচ্ছে। এই সরকার নিজেদের পকেট ভরার জন্য বিদ্যুতের যে প্রকল্পগুলো নিয়েছে, এই প্রকল্পগুলোর জন্য বাংলাদেশের মানুষকে অনেক দাম দিতে হবে। অনেক খেসারত দিতে হবে।’
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবারের ঘটনা আওয়ামী মডেল অফ ইকোনমির একটা প্রতিফলন। সরকার দুর্নীতির জন্য একচেটিয়া কুইক রেন্টালসহ বিভিন্ন পাওয়ার প্ল্যান্ট দিয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশনের যে সমন্বয় করার কথা, সেটা করা হয়নি। তাদের লক্ষ্য ছিল দ্রুত সময়ের মধ্যে টাকা বানানো। কাজেই এই বিষয়গুলোতে তারা মনোযোগ দেয় নাই। তারা যা করেছে, দুর্নীতি করার জন্য করেছে, যার জন্য জনগণকে মূল্য দিতে হচ্ছে।

পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয়কে ‘দুর্ঘটনা’ না বলে এর পেছনে সম্পূর্ণভাবে সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে বিএনপি। আর এ ব্যর্থতার পেছনে বড় রকমের দুর্নীতি জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ দলটির। প্রতিটি ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটছে দাবি করে জাতির স্বার্থে বর্তমান সরকারের পদত্যাগের বিকল্প দেখছেন না দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে তাঁর বাসায় দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয় এবং দেশের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন জিজ্ঞাসায় তিন নেতাই এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সরকার একটা বোঝা হয়ে গেছে এ দেশের জন্য। এই সরকারকে না সরালে জাতির অস্তিত্বই টিকে থাকা মুশকিল হবে। এখন অবিলম্বে প্রয়োজন এই সরকারের পদত্যাগ।’
‘জনগণের প্রতি এই সরকারের কোন দায় নেই’–এমন মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রেই এমন ঘটনা ঘটছে। পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয়ের ঘটনাটি তাদের দায়িত্বহীনতার অভাবেরই একটা প্রমাণ। অপরিকল্পিতভাবে প্রকল্প গ্রহণের পাশাপাশি দুর্নীতি এ জন্য দায়ী। তিনি বলেন, ‘শুধু অপরিকল্পিত নয়। একটা লক্ষ্য আছে-সেই লক্ষ্যটা হচ্ছে দুর্নীতি করা। দুর্নীতির মাধ্যমে তথাকথিত উন্নয়নের কথা বলে কাজ করে মানুষের দুর্ভোগ হচ্ছে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার যে এত চেঁচামেচি করছে, বলছে যে, আমরা বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে গেছি, প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদন অনেক বেশি হচ্ছে। গতকালের (মঙ্গলবার) ব্যাপারটা ছিল অস্বাভাবিক। প্রায় সারা দেশেই। ৮ ঘণ্টার মত বেশির ভাগ জায়গাতেই বিদ্যুৎ ছিল না। এ থেকে যা বোঝা যায়, সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনের নাম করে বহু প্রকল্প করেছে, টাকা-পয়সাও বহু বানিয়েছে। এটা করে জাতিকে বড় রকমের একটা বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলেছে। অসহনীয় একটা অনুভূতি জাতি অনুভব করেছে গতকাল।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। পাওয়ার গ্রিডে বিপর্যয় ও জনভোগান্তির জন্য বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার ত্রুটি তুলে ধরেন সাবেক এই মন্ত্রী। তিনি বলেন, সারা দেশে যে পাওয়ার প্ল্যান্টগুলো দিয়েছে, সেগুলোর জন্য ইউনিফাইড স্পেসিফিকেশন দেওয়া হয় নাই। বিদ্যুৎ শুধু উৎপাদন করে গেছে, বাড়িয়ে গেছে, ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশনে কাজ করা হয়নি। যথাযথ সমন্বয় না হওয়ায় এ রকম অবস্থা হচ্ছে। এই অবস্থার নিরসন না করা হলে ভবিষ্যতে এ রকম ঘটনা আরও ঘটবে বলেও জানান তিনি।
বিদ্যুতের নামে প্রচারণা চালিয়ে সরকার মানুষকে বোকা বানিয়েছে অভিযোগ করে টুকু বলেন, ‘এখন ধীরে ধীরে মানুষ দেখতে পাচ্ছে-আসলে কি হচ্ছে। এই সরকার নিজেদের পকেট ভরার জন্য বিদ্যুতের যে প্রকল্পগুলো নিয়েছে, এই প্রকল্পগুলোর জন্য বাংলাদেশের মানুষকে অনেক দাম দিতে হবে। অনেক খেসারত দিতে হবে।’
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবারের ঘটনা আওয়ামী মডেল অফ ইকোনমির একটা প্রতিফলন। সরকার দুর্নীতির জন্য একচেটিয়া কুইক রেন্টালসহ বিভিন্ন পাওয়ার প্ল্যান্ট দিয়েছে। কিন্তু এর সঙ্গে ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশনের যে সমন্বয় করার কথা, সেটা করা হয়নি। তাদের লক্ষ্য ছিল দ্রুত সময়ের মধ্যে টাকা বানানো। কাজেই এই বিষয়গুলোতে তারা মনোযোগ দেয় নাই। তারা যা করেছে, দুর্নীতি করার জন্য করেছে, যার জন্য জনগণকে মূল্য দিতে হচ্ছে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ-তাহিরপুর-ধর্মপাশা-মধ্যনগর) ও ২ (দিরাই-শাল্লা) আসনে দুজন করে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এ বিষয়ে কেন্দ্র থেকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত করে স্পষ্ট কিছু বলা হয়নি। আর এতেই নেতা-কর্মী, সমর্থক, ভোটারেরা পড়েছেন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তিতে। অনেকে বিএনপির...
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদত্যাগী কয়েকজন নেতা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় কয়েকজন ছাত্রনেতার সমন্বয়ে নতুন একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটতে যাচ্ছে। এই প্ল্যাটফর্মের নাম হবে জনযাত্রা (পিপলস মার্চ)। রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে...
৪ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে