নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হিরো আলমকে স্যার বলতে হবে, এটা প্রশাসনের লোকেরা মানতে পারল না, তাই হিরো আলম জিতলেও, তাঁকে জিততে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।
আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোসহ ১৪ দফা দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘সরকার সদ্য অনুষ্ঠিত ছয়টি আসনের উপনির্বাচনও ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য করতে পারেনি। উত্তরবঙ্গে হিরো আলম দাঁড়িয়েছেন। মানুষ আগ্রহী হয়ে তাঁকে ভোট দিল। হিরো আলম জিতলেও, প্রশাসনের লোকেরা মানতে পারল না। গরীবের প্রতি ঘৃণাই এই শাসকদের চেহারা।’
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘সরকার গত কয়েক দিন আগে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এর ১৯ দিন আগে একবার বাড়ানো হয়েছিল। আগামী মাসে তারা আবার বিদ্যুতের দাম বাড়াবে। দেশের যেসব মানুষ খেতে পায় না তাঁদের ঝোলা থেকে টাকা নিয়ে সরকার তাঁদের আত্মীয়-স্বজন, ভাই-ব্রাদারদের পকেট ভরানোর ব্যবস্থা করছে। এই হলো তাঁদের উন্নয়ন।’
সমাবেশে জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সারা দেশে গণপদযাত্রা ও গণসংযোগ করবে গণতন্ত্র মঞ্চ। বিএনপি ও তাঁদের সমমনা দলগুলোর সঙ্গে যুগপৎ ধারায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।
তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বর গোল চত্বর থেকে পদযাত্রা শুরু হবে। পরে সেটি আগারগাঁও, ফার্মগেট, শাহবাগ হয়ে মতিঝিল গিয়ে শেষ হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ও গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুসহ জোটের নেতারা।

হিরো আলমকে স্যার বলতে হবে, এটা প্রশাসনের লোকেরা মানতে পারল না, তাই হিরো আলম জিতলেও, তাঁকে জিততে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি।
আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোসহ ১৪ দফা দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘সরকার সদ্য অনুষ্ঠিত ছয়টি আসনের উপনির্বাচনও ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য করতে পারেনি। উত্তরবঙ্গে হিরো আলম দাঁড়িয়েছেন। মানুষ আগ্রহী হয়ে তাঁকে ভোট দিল। হিরো আলম জিতলেও, প্রশাসনের লোকেরা মানতে পারল না। গরীবের প্রতি ঘৃণাই এই শাসকদের চেহারা।’
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘সরকার গত কয়েক দিন আগে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এর ১৯ দিন আগে একবার বাড়ানো হয়েছিল। আগামী মাসে তারা আবার বিদ্যুতের দাম বাড়াবে। দেশের যেসব মানুষ খেতে পায় না তাঁদের ঝোলা থেকে টাকা নিয়ে সরকার তাঁদের আত্মীয়-স্বজন, ভাই-ব্রাদারদের পকেট ভরানোর ব্যবস্থা করছে। এই হলো তাঁদের উন্নয়ন।’
সমাবেশে জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ সারা দেশে গণপদযাত্রা ও গণসংযোগ করবে গণতন্ত্র মঞ্চ। বিএনপি ও তাঁদের সমমনা দলগুলোর সঙ্গে যুগপৎ ধারায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হবে।
তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বর গোল চত্বর থেকে পদযাত্রা শুরু হবে। পরে সেটি আগারগাঁও, ফার্মগেট, শাহবাগ হয়ে মতিঝিল গিয়ে শেষ হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ও গণতন্ত্র মঞ্চের সমন্বয়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুসহ জোটের নেতারা।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
৯ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
১২ ঘণ্টা আগে