Ajker Patrika

স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে, কোনোভাবেই ছাড় হবে না: মির্জা ফখরুল

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে, কোনোভাবেই ছাড় হবে না: মির্জা ফখরুল
সমাবেশে বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দেশবাসীকে হুঁশিয়ার করে তিনি বলেছেন, ‘যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল এবং পাকিস্তানি বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, সেই একই অপশক্তি আজ ভিন্ন মোড়কে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। এই অপশক্তিকে রুখে দিতে হবে। এদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া যাবে না। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের ওপর যে কোনো আঘাত মোকাবিলায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

আজ শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আবারও সেই অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে- যারা একাত্তরে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল। তাই স্বাধীনতার শক্তিকে অক্ষুণ্ন রাখতে এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে।’

বক্তব্যে কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতার উদ্ধৃতি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়’।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, এ দেশের মানুষ ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে রক্ত দিয়ে লড়াই করেছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘তারেক রহমান দেশে ফিরে কোনো প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার কথা না বলে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলে দেশ গড়ার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। নির্বাচনের পর পরই তিনি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং খাল খননের মতো উন্নয়নমূলক কাজে হাত দিয়েছেন। শহীদ জিয়া যেমন তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ থেকে দেশকে একটি সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে পরিণত করেছিলেন, তারেক রহমানও আজ সেই পথ দেখাচ্ছেন।’

মির্জা ফখরুল অত্যন্ত শ্রদ্ধাভরে স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করেন। তিনি অঙ্গীকার করেন যে, গত ৫০ বছর ধরে যারা গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছেন, তাদের ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না এবং প্রতিটি অন্যায়ের যোগ্য বিচার নিশ্চিত করা হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

জিয়ার নাম না বলায় বিএনপির স্বাধীনতার অনুষ্ঠান বর্জন, ইউএনও বদলি

বিশ্বের সবচেয়ে অপছন্দের দেশের তালিকা প্রকাশ

ইসরায়েলের পরমাণু বোমার তথ্য ফাঁসকারী আরব ইহুদি ভানুনুর ভাগ্যে কী ঘটেছিল

ট্রাম্পের নীতিতে খেপেছে জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাতে খুঁজছে দুর্বল জায়গা

খারগ দ্বীপের দখলে ভেঙে পড়বে আইআরজিসি, শেষ হবে যুদ্ধ: হোয়াইট হাউস

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত