নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নির্বাচন ব্যবস্থা বিগত দিনে ধ্বংস হয়ে গেছে দাবি করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। তিনি বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করে নির্বাচনের দিকে যেতে হবে।
আজ সোমবার (১৯ মে) জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রিন্স। গত ১৩ মে মুলতবি হওয়া সংলাপ আজ আবার শুরু হয় বেলা ৩টা থেকে। রুহিন হোসেন প্রিন্সের নেতৃত্বে দলটির ৭ সদস্য অংশ নেন।
আমূল সংস্কার করে নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সেটা করতে দরকার...জনগণ বুঝতে চায়, তারা ঠিকমতো ভোট দিতে পারবে কি-না। ভোটে দাঁড়ানোর অধিকার আছে কিনা। এখানে প্রশাসনিক কোনো কারসাজি হবে কি-না। কিংবা কোনো সাম্প্রদায়িক-আঞ্চলিক প্রচার-প্রচারণা ভোট থেকে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানো হবে কিনা। পুরোনো ভয়ের রাজত্ব কায়েম হবে কিনা।’
সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন, জনপ্রশাসন, পুলিশ ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ছাড়া স্বাস্থ্য, নারী সংস্কারসহ বাকি পাঁচ কমিশনের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে মনে করেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। তিনি বলেন, ‘তাদের প্রস্তাবগুলো আলোচনায় নিয়ে আসা গেলে, আগামীতে জনস্বার্থের বিষয়গুলো আরও বেশি গুরুত্ব পাবে, মানুষ ভাবতে পারবে এবং মানুষের চিন্তাকে সামনে এনে আমাদের সম্পৃক্ত করতে পারবে।’
তিনি বলেন, ‘সংস্কারের সুনির্দিষ্ট প্রশ্নগুলো জনগণের সামনে নিয়ে আসা গেলে, জনগণ যদি মনে করে সেটা তার সঙ্গে সম্পর্কিত, তাহলে আমরা অগ্রগতির দিকে নিয়ে যেতে পারব।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের (পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন) অনেকগুলো কথা থাকলেও, তা প্রশ্নমালায় (স্প্রেডশিট) নেই। সেটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করি, জনগণ গণমাধ্যমের সাহায্যে সেগুলো জানতে পারলে তাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।’
প্রিন্স বলেন, ‘সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য, অবাধ নির্বাচনের জন্য দ্রুত সংস্কারের যে যে কাজ করা দরকার, যেটা আপনারা বইতে (পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন) বলেছেন, কিন্তু এখানে (স্প্রেডশিট) নেই। সেগুলো সামনে নিয়ে আসা গেলে অনেক কনফিউশান দূর হয়ে যাবে।’
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের অনেক প্রস্তাবে সিপিবির ঘোরতর দ্বিমত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘অনেক বিষয়ে আমাদের ঘোরতর দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও আলোচনায় ঘাটতি হয়নি। অনেকটা সৌহার্দ্য বজায় ছিল। এটাই হচ্ছে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।’ সেই ধারায় পুরো দেশবাসীকে নিয়ে আসতে পারলে এবং আগামী দিনের পথচলা নিশ্চিত করা গেলে গণতন্ত্রের পথে আরেক ধাপ অগ্রগতি হবে বলে মনে করেন প্রিন্স।
এদিকে রাজজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ করার প্রস্তুতি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। সেখানে প্রথম ধাপের সংলাপে ভিন্নমত নিয়ে বিষয় ভিত্তক আলোচনা হবে উল্লেখ করেন তিনি।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আশা করছি যে সমস্ত বিষয়ে ভিন্নমত আছে, সেগুলো নিয়ে পরবর্তী সময়ে বিষয় ভিত্তিকভাবে আলোচনা করতে পারব।’ সিপিবির সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যে সমস্ত মতামত দেওয়া হয়েছে, তার ভিত্তিতে দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার মধ্যে দিয়ে একটি জাতীয় সনদের খসড়া তৈরি করতে পারব বলে আমাদের দৃঢ় আশা এবং সেইভাবে অগ্রসর হওয়া সম্ভব হবে।’

নির্বাচন ব্যবস্থা বিগত দিনে ধ্বংস হয়ে গেছে দাবি করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। তিনি বলেছেন, নির্বাচন ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করে নির্বাচনের দিকে যেতে হবে।
আজ সোমবার (১৯ মে) জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রিন্স। গত ১৩ মে মুলতবি হওয়া সংলাপ আজ আবার শুরু হয় বেলা ৩টা থেকে। রুহিন হোসেন প্রিন্সের নেতৃত্বে দলটির ৭ সদস্য অংশ নেন।
আমূল সংস্কার করে নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সেটা করতে দরকার...জনগণ বুঝতে চায়, তারা ঠিকমতো ভোট দিতে পারবে কি-না। ভোটে দাঁড়ানোর অধিকার আছে কিনা। এখানে প্রশাসনিক কোনো কারসাজি হবে কি-না। কিংবা কোনো সাম্প্রদায়িক-আঞ্চলিক প্রচার-প্রচারণা ভোট থেকে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে সরানো হবে কিনা। পুরোনো ভয়ের রাজত্ব কায়েম হবে কিনা।’
সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন, জনপ্রশাসন, পুলিশ ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ছাড়া স্বাস্থ্য, নারী সংস্কারসহ বাকি পাঁচ কমিশনের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে মনে করেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। তিনি বলেন, ‘তাদের প্রস্তাবগুলো আলোচনায় নিয়ে আসা গেলে, আগামীতে জনস্বার্থের বিষয়গুলো আরও বেশি গুরুত্ব পাবে, মানুষ ভাবতে পারবে এবং মানুষের চিন্তাকে সামনে এনে আমাদের সম্পৃক্ত করতে পারবে।’
তিনি বলেন, ‘সংস্কারের সুনির্দিষ্ট প্রশ্নগুলো জনগণের সামনে নিয়ে আসা গেলে, জনগণ যদি মনে করে সেটা তার সঙ্গে সম্পর্কিত, তাহলে আমরা অগ্রগতির দিকে নিয়ে যেতে পারব।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের (পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন) অনেকগুলো কথা থাকলেও, তা প্রশ্নমালায় (স্প্রেডশিট) নেই। সেটা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করি, জনগণ গণমাধ্যমের সাহায্যে সেগুলো জানতে পারলে তাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।’
প্রিন্স বলেন, ‘সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য, অবাধ নির্বাচনের জন্য দ্রুত সংস্কারের যে যে কাজ করা দরকার, যেটা আপনারা বইতে (পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন) বলেছেন, কিন্তু এখানে (স্প্রেডশিট) নেই। সেগুলো সামনে নিয়ে আসা গেলে অনেক কনফিউশান দূর হয়ে যাবে।’
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের অনেক প্রস্তাবে সিপিবির ঘোরতর দ্বিমত রয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘অনেক বিষয়ে আমাদের ঘোরতর দ্বিমত থাকা সত্ত্বেও আলোচনায় ঘাটতি হয়নি। অনেকটা সৌহার্দ্য বজায় ছিল। এটাই হচ্ছে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য।’ সেই ধারায় পুরো দেশবাসীকে নিয়ে আসতে পারলে এবং আগামী দিনের পথচলা নিশ্চিত করা গেলে গণতন্ত্রের পথে আরেক ধাপ অগ্রগতি হবে বলে মনে করেন প্রিন্স।
এদিকে রাজজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপের সংলাপ করার প্রস্তুতি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ। সেখানে প্রথম ধাপের সংলাপে ভিন্নমত নিয়ে বিষয় ভিত্তক আলোচনা হবে উল্লেখ করেন তিনি।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আশা করছি যে সমস্ত বিষয়ে ভিন্নমত আছে, সেগুলো নিয়ে পরবর্তী সময়ে বিষয় ভিত্তিকভাবে আলোচনা করতে পারব।’ সিপিবির সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে যে সমস্ত মতামত দেওয়া হয়েছে, তার ভিত্তিতে দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার মধ্যে দিয়ে একটি জাতীয় সনদের খসড়া তৈরি করতে পারব বলে আমাদের দৃঢ় আশা এবং সেইভাবে অগ্রসর হওয়া সম্ভব হবে।’

কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র বলেন, ‘একটি বিশেষ রাজনৈতিক দল তাদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মীয় অনুভূতির ক্রমাগত অপব্যবহার চালিয়ে যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, আমরা গণমাধ্যমে দেখলাম, তাদের মার্কায় ভোট দিতে পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে শপথ করানো হচ্ছে,
২২ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ ও ২ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) দলীয় মুখপাত্র ও সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জোটের বৈঠক শেষে নিজের ভ্যারিফায়েড ফেসবুক...
৩ ঘণ্টা আগে
নাহিদ বলেন, ‘এই জোট নিয়ে আকাঙ্ক্ষার জায়গা আছে, এটা জনগণ বুঝে। নির্বাচন প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটবে, এটা আমাদের প্রত্যাশা। জোট গঠনের প্রক্রিয়ার সময় বেশি দিন না হওয়ায় কিছু মতভিন্নতা রয়েছে। এটা কেটে যাবে।’
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১১ দলের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে আজ রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন দলগুলোর শীর্ষ নেতারা।মামুনুল হক বলেন, ‘১০ দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
৪ ঘণ্টা আগে