নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে নির্বাচন করতে মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন দলটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ। আজ শনিবার রাজধানীর বনানীতে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।
চুন্নু বলেন, ‘রওশন এরশাদ গতকালও (শুক্রবার) আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি নিজের পাশাপাশি তাঁর পুত্র সাদ এরশাদ এবং ডা. কে আর ইসলামের জন্যও মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন। তাঁর (রওশন এরশাদ) লোক এলে আমরা মনোনয়ন ফরম দিয়ে দেব। রওশন এরশাদ বললে, আমরা তাঁর মনোনয়ন ফরম পাঠিয়ে দেব। প্রয়োজন হলে আমি নিজে গিয়ে পৌঁছে দেব।’
আজ বিকেল পর্যন্ত রওশন এরশাদের পক্ষ থেকে ফরম সংগ্রহের জন্য কেউ আসেননি বলে আজকের পত্রিকাকে জানান জাপার দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক।
এদিকে ফরম বিতরণ কার্যক্রম শেষ করার পর এখন মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে বলে জানান জাপার চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী। আজ বরিশাল, খুলনা ও সিলেট বিভাগের দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয় বলে জানান তিনি। এর আগে গতকাল রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী রোববার ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে।
২৭ নভেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের প্রত্যাশা করে জাপার মহাসচিব বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শেষ হয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে যাঁরা ফরম তুলতে পারেননি, তাঁরা পার্টির চেয়ারম্যানের অনুমতি সাপেক্ষে মনোনয়ন ফরম তুলতে পারছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে চুন্নু বলেন, ‘আমরা ৩০০ আসনেই লাঙ্গল নিয়ে নির্বাচন করব। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কৌশল থাকে। আমরা আমাদের নিজস্ব কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা যাচাই করেই মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।’

জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে নির্বাচন করতে মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন দলটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদ। আজ শনিবার রাজধানীর বনানীতে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন জাপার মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।
চুন্নু বলেন, ‘রওশন এরশাদ গতকালও (শুক্রবার) আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি নিজের পাশাপাশি তাঁর পুত্র সাদ এরশাদ এবং ডা. কে আর ইসলামের জন্যও মনোনয়ন ফরম চেয়েছেন। তাঁর (রওশন এরশাদ) লোক এলে আমরা মনোনয়ন ফরম দিয়ে দেব। রওশন এরশাদ বললে, আমরা তাঁর মনোনয়ন ফরম পাঠিয়ে দেব। প্রয়োজন হলে আমি নিজে গিয়ে পৌঁছে দেব।’
আজ বিকেল পর্যন্ত রওশন এরশাদের পক্ষ থেকে ফরম সংগ্রহের জন্য কেউ আসেননি বলে আজকের পত্রিকাকে জানান জাপার দপ্তর সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক।
এদিকে ফরম বিতরণ কার্যক্রম শেষ করার পর এখন মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে বলে জানান জাপার চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী। আজ বরিশাল, খুলনা ও সিলেট বিভাগের দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয় বলে জানান তিনি। এর আগে গতকাল রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী রোববার ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হবে।
২৭ নভেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের প্রত্যাশা করে জাপার মহাসচিব বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শেষ হয়েছে। তবে বিভিন্ন কারণে যাঁরা ফরম তুলতে পারেননি, তাঁরা পার্টির চেয়ারম্যানের অনুমতি সাপেক্ষে মনোনয়ন ফরম তুলতে পারছেন।
এক প্রশ্নের জবাবে চুন্নু বলেন, ‘আমরা ৩০০ আসনেই লাঙ্গল নিয়ে নির্বাচন করব। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব কৌশল থাকে। আমরা আমাদের নিজস্ব কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। যোগ্যতা, জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা যাচাই করেই মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।’

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করে এনসিপি। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দপ্তর উপকমিটির প্রধান সাদিয়া ফারজানা...
২ ঘণ্টা আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব ছাড়ার আবেদন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন ২৩ জন প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে ১৫ জনই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ছাড়া। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের তিনজন, কানাডার দুজন এবং তুরস্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে একজন করে নাগরিকত্ব ছেড়ে প্রার্থী হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে বিভিন্ন সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির অনেক নেতা। ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে বিবেচিত এসব প্রার্থীর প্রার্থিতা প্রত্যাহারে আলোচনা ও সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। তবে এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত খুব একটা কাজে দেয়নি।
৪ ঘণ্টা আগে
দলের ঘোষিত আটটি অগ্রাধিকারভিত্তিক সামাজিক নীতির কাঠামো কূটনৈতিক সম্প্রদায় ও উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে বিএনপি। দলটি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ক্রীড়া, পরিবেশ, কর্মসংস্থান ও মসজিদ-মাদ্রাসাভিত্তিক ধর্মীয় নেতাদের জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড কীভাবে এগিয়ে নেবে, তা
৫ ঘণ্টা আগে