নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে গণফোরাম ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টি। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ করে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে হরতাল উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করে দল দুটি।
সমাবেশে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন উগান্ডা হয়ে গেছে। সেখানে একজন স্বৈরশাসক ৩০ বছর ধরে ক্ষমতায় আছে। সেখানে কোনো বিরোধী দল নাই। তারা এককভাবে নির্বাচন করে এককভাবেই দেশ চালায় এবং তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা সব থেকে নিম্নমুখী। সেই উগান্ডা থেকে নাকি ১১ জন পর্যবেক্ষক আসবে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনা আর কোনো বন্ধু খুঁজে পান নাই। শেষ পর্যন্ত উগান্ডা-সোমালিয়া এসব জায়গায় যাচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘ বলেছে তারা কোনো পর্যবেক্ষক পাঠাবে না। এই পাতানো নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে না। ইইউ প্রতিনিধিরা গতকাল বলেছে, আপনারা তো একদলীয় নির্বাচন করছেন। এই নির্বাচন করার অর্থটা কি? যারা সরকারের অনুগ্রহ চায়, তাদেরও নাকি সিট ভাগাভাগি করতে হবে। যারা বিরোধী দলে নির্বাচন করবে, তাদের সিটও নাকি শেখ হাসিনাকে দিতে হবে। ৭ জানুয়ারি যে হাস্যকর নির্বাচন করতে যাচ্ছেন এর থেকে পার পাবেন না।’
বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারি বলেন, ‘কালকে তৈমুরের একটা ফোন কল ফাঁস হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি— আমি পাঁচ আসন থেকে নির্বাচন করব না। আমি এক আসন থেকে নির্বাচন করব। তাহলে উনি তো ৩০টা দলের প্রধানমন্ত্রী।’
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি জগলুল হায়দার আফ্রিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির কো-চেয়ারম্যান নাসরীন খান ভাসানী প্রমুখ।

হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে গণফোরাম ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টি। সমাবেশ থেকে অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ করে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে হরতাল উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করে দল দুটি।
সমাবেশে গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন উগান্ডা হয়ে গেছে। সেখানে একজন স্বৈরশাসক ৩০ বছর ধরে ক্ষমতায় আছে। সেখানে কোনো বিরোধী দল নাই। তারা এককভাবে নির্বাচন করে এককভাবেই দেশ চালায় এবং তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা সব থেকে নিম্নমুখী। সেই উগান্ডা থেকে নাকি ১১ জন পর্যবেক্ষক আসবে বাংলাদেশে। শেখ হাসিনা আর কোনো বন্ধু খুঁজে পান নাই। শেষ পর্যন্ত উগান্ডা-সোমালিয়া এসব জায়গায় যাচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘ বলেছে তারা কোনো পর্যবেক্ষক পাঠাবে না। এই পাতানো নির্বাচনে তারা অংশগ্রহণ করবে না। ইইউ প্রতিনিধিরা গতকাল বলেছে, আপনারা তো একদলীয় নির্বাচন করছেন। এই নির্বাচন করার অর্থটা কি? যারা সরকারের অনুগ্রহ চায়, তাদেরও নাকি সিট ভাগাভাগি করতে হবে। যারা বিরোধী দলে নির্বাচন করবে, তাদের সিটও নাকি শেখ হাসিনাকে দিতে হবে। ৭ জানুয়ারি যে হাস্যকর নির্বাচন করতে যাচ্ছেন এর থেকে পার পাবেন না।’
বাংলাদেশ পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বাবুল সরদার চাখারি বলেন, ‘কালকে তৈমুরের একটা ফোন কল ফাঁস হয়েছে। সেখানে তিনি বলেছেন, আমি প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি— আমি পাঁচ আসন থেকে নির্বাচন করব না। আমি এক আসন থেকে নির্বাচন করব। তাহলে উনি তো ৩০টা দলের প্রধানমন্ত্রী।’
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি জগলুল হায়দার আফ্রিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, বাংলাদেশ পিপলস পার্টির কো-চেয়ারম্যান নাসরীন খান ভাসানী প্রমুখ।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০ আসনে লড়বে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ সোমবার একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, কথিত একটি রাজনৈতিক দল, যারা কোনো দিনই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে ছিল না, তারা সহিংসতা করে নির্বাচন বানচালের জন্য চক্রান্ত করছে। কারণ, তারা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত নয়। দল (বিএনপি) তাদের চক্রান্তে পা দেবে না।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সমর্থন নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে চারটি সংস্থার সম্মিলিত এক জরিপে। নতুন এই জরিপ দাবি করছে, আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। জনসমর্থনে বিএনপি মাত্র ১ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে আছে।
৪ ঘণ্টা আগে
শ্রমজীবী মানুষ রাজনৈতিক দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেছেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় যাবে, তাদের ওপর শ্রমিক ইশতেহার বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে।
৪ ঘণ্টা আগে